আনন্দের জন্যই লিখি
৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি টেলিভিশন নাটক ও সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছেন। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা আবুল হায়াত। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নাট্যকার ও নাট্যপরিচালকও। তবে এর বাইরে তার আরেকটি পরিচয় আছে—তিনি একজন লেখক।
দীর্ঘদিন ধরেই লেখালেখি করছেন আবুল হায়াত। গল্প, উপন্যাস ও কলাম লেখেন তিনি। ইতিমধ্যে তার বেশ কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। আগামী একুশে বইমেলায় তার তিনটি বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
লেখালেখি শুরুর গল্প জানতে চাইলে আবুল হায়াত বলেন, ‘তখন আমি বুয়েটে পড়ি। শেরেবাংলা হলের জেনারেল সেক্রেটারি ছিলাম। একটি ম্যাগাজিন প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলো, কিন্তু কেউ লেখা দিচ্ছিল না। আমাকে গল্প দিতে বলা হলো। মুশকিলে পড়লাম, কারণ আগে কখনো লিখিনি।’
তিনি বলেন, ‘এরপর একটি প্রেমের গল্প লিখলাম। পরে বলা হলো লেখা কম পড়েছে, আরও একটি লেখা দিতে হবে। তখন একটি ভ্রমণ কাহিনি দিলাম। এভাবে দুটো লেখা পাঠকের কাছে পৌঁছায়।’
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের হলে আগুন দিলে অনেক কিছুর সঙ্গে সেই ম্যাগাজিনও পুড়ে যায় বলে জানান আবুল হায়াত।
লেখালেখির ক্ষেত্রে দৈনিক পত্রিকা ও পাক্ষিক ম্যাগাজিন তাকে বেশ সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, ‘জনপ্রিয় ম্যাগাজিন তারকালোকের সম্পাদক আরেফিন বাদলের অনুরোধে “জীবন খাতার ফুটনোট” লিখতে শুরু করি, যা পাঠকদের কাছে বেশ সাড়া ফেলেছিল। এরপর অরুণ চৌধুরীর অনুরোধে বিচিত্রায় লেখা শুরু করি। আরও অনেক পরে প্রথম আলো পত্রিকায় “এসো নীপবনে” নামে অনেক বছর কলাম লিখেছি।’

















