মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

মাঠে বহুদলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

রাজশাহীর ছয় সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ,

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৪ পিএম | 126 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীর ছয় সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ,

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসন—রাজশাহী-১ থেকে রাজশাহী-৬—এ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তালিকায় জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন, যা রাজশাহীর নির্বাচনী মাঠকে করে তুলেছে বহুমাত্রিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

আজ রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের উপস্থিতিতেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন রিটার্নিং অফিসার আফিয়া আখতার।

নীচে রাজশাহীর আসন অনুযায়ী বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।

রাজশাহী-১
এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গণ অধিকার পরিষদের মীর মোঃ শাহজাহান ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মোঃ আব্দুর রহমান পেয়েছেন ঈগল প্রতীক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ মুজিবুর রহমান দাঁড়িয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে। বিএনপির মোঃ শরিফ উদ্দিন নির্বাচন করছেন ধানের শীষ প্রতীকে।

রাজশাহী-২
এ আসনে ছয়জন প্রার্থী রয়েছেন। এবি পার্টির মুঃ সাদ্দাম হোসেন ঈগল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন। নাগরিক ঐক্যের মোহাম্মদ মামুনুল আলম পেয়েছেন কেটলি প্রতীক। বিএনপির মোঃ জিন্নাতুর রহমান মিনু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। বাংলাদেশ লেবার পার্টির মোঃ নেজাউল ইসলাম পেয়েছেন আনারস প্রতীক। স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমেদ লড়ছেন মোটরসাইকেল প্রতীকে।

রাজশাহী-৩
পাঁচজন প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মোহাম্মদ শরিফুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। জাতীয় পার্টির মোঃ আকবর হোসেন লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর মোঃ আবুল কালাম আজাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ হাবিবুর রহমান হাতপাখা প্রতীক এবং আমজনতা দলের মোঃ সাইফ পরভেজ প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজশাহী-৪
এ আসনে চারজন প্রার্থী রয়েছেন। বিএনপির ডা. এম. ডি জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ আব্দুল বারী সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ তাজুল ইসলাম খান লড়ছেন হাতপাখা প্রতীকে। জাতীয় পার্টির মোঃ ফরিদুল হক পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক।

রাজশাহী-৫
এই আসনে সবচেয়ে বেশি, মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন। জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়ছেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-এর মোঃ আলতাফ হোসেন মোটা পেয়েছেন একতারা প্রতীক। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ইসমাইল খায়রুল হক ঘোড়া, মোঃ রুহুল আমিন হাতপাখা, মোঃ রায়হান কায়সার মোটরসাইকেল এবং রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রাজশাহী-৬
এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মোঃ আবু সাঈদ চাঁদ পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ আব্দুস সালাম সুরুজ লড়ছেন হাতপাখা প্রতীকে। জাতীয় পার্টির মোঃ ইফতেখার হোসেন উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ নাজমুল হক দাঁড়িয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীরা ইতোমধ্যে গণসংযোগ ও প্রচারণা শুরু করেছেন। রাজশাহীর ছয়টি আসনেই বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সক্রিয় উপস্থিতিতে ভোটারদের আগ্রহ বাড়ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!