সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

চাঞ্চল্যকর গরু চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন

সোনাগাজী মডেল থানার অভিযানে ১১টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার: একাধিক আসামি গ্রেফতার

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম | 82 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজী মডেল থানার অভিযানে ১১টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার: একাধিক আসামি গ্রেফতার

ফেনীর সোনাগাজীতে সংঘটিত আলোচিত গরু চুরির ঘটনায় ধারাবাহিক অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ।

আন্তঃজেলা চোরচক্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে এ পর্যন্ত ১১টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার ও একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ ভোর আনুমানিক সকাল ৪টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সোনাগাজী থানাধীন ৫নং চর দরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহাআলম–এর গরুর খামার থেকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহাআলম সোনাগাজী মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে থানায় মামলা নং-০৫, তারিখ-০২/০১/২০২৬ খ্রিঃ, ধারা-৪৫৭/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করা হয়।

মামলার তদন্তকালে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শফিকুর রহমান–এর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সোর্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন আকুসাইর এলাকা থেকে ১টি চোরাইকৃত গরুসহ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে সোর্সের তথ্য অনুযায়ী ১২ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে সোনাগাজী থানাধীন মতিগঞ্জ বাজার থেকে আরও ১টি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন চৌয়ারা গরু বাজার থেকে ১টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধারসহ সোহাগ (৩০), পিতা-ইদ্রিস, সাং-সানন্দকড়া (লতিফ সাহেবের বাড়ি), থানা-কচুয়া, জেলা-চাঁদপুরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানাধীন সানন্দকড়া এলাকায় লতিফ সাহেবের বাড়ি থেকে আরও ৮টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ফলে এ পর্যন্ত মোট ১১টি গরু উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, উক্ত মামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ০৪ (চার) জন আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, তারা ইতিপূর্বে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার মামলা নম্বর-৫(১)/২৬ খ্রিঃ মূলে ০৪/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে সোপর্দ রয়েছেন।

বর্তমানে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবশিষ্ট ০৫টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার এবং চোর চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোনাগাজী মডেল থানার এ সাফল্যে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং পুলিশের তৎপরতায় এলাকায় চুরি প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সচেতন মহল।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে মো. নিরব (২৬) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজারের উত্তর পাশে কালা দুলালের বাপের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত নিরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনি বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। তিনি পেশায় একজন স’মিল শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরব কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক রুবেল মাঝির (২৮) ভাতিজার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
ওই বিরোধের জেরে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিরব তার তিন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাবাজারের উত্তর পাশে রুবেল মাঝির ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে রুবেল মাঝির ৩-৪ জন অনুসারী আহত হয়।

পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে নিরবের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ রুবেল মাঝির বাড়ির সামনে চলে গেলে রুবেল মাঝির লোকজন ধাওয়া দিয়ে নিরবকে আটক করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি রোববার রাতে ২২ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মাইজচরা গ্রাম থেকে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SIRAJUL KABIR BULBUL

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ  সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL

নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়েও শঙ্কা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন “সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম”-এর পরিচালক মো: সেলিম রানা। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সকল প্রবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তার দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “যারা সৌদি আরবে আছেন, তারা অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। আকামার মেয়াদ ও কাগজপত্র বৈধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে চলাচলের সময়ও অনেক প্রবাসী সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের আটক করে জেল খাটিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এবং তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
১০১ টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অনেক প্রবাসী কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসীদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ১০১ টিমের সদস্য ফয়সাল, জাহিদ ও নাঈম বলেন, “আমরা জানতে চাই—বৈধভাবে সৌদি আরবে থাকার পরও কেন আমরা নিরাপদ নই? আমাদের সমস্যা কে দেখবে?”
তারা আরও দাবি জানান, বাংলাদেশের সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয় এবং ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাই প্রবাসীদের সবসময় নিজেদের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার:
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা পুনরুদ্ধার করতে।

error: Content is protected !!