রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

হযরত আলী (রাঃ)-এর দান ও জান্নাতের ঘোড়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৪ পিএম | 55 বার পড়া হয়েছে
হযরত আলী (রাঃ)-এর দান ও জান্নাতের ঘোড়া

একবার হযরত ফাতেমা (রাঃ) অত্যন্ত অসুস্থ ছিলেন এবং বিছানা থেকে ঠিকমতো উঠতে পারছিলেন না। অন্যদিকে, বাড়িতে টানা তিন দিন যাবত কোনো খাবার ছিল না। খাবার না খেয়ে এবং অসুস্থতার কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। হযরত আলী (রাঃ)-এর হাতেও তখন কোনো অর্থ ছিল না।
তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর, হযরত ফাতেমা (রাঃ) হযরত আলী (রাঃ)-এর হাতে একটি পুরনো কাপড় দিয়ে বললেন:
“হে আমার প্রিয় স্বামী! আব্বাজান হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আমাদের বিয়ের সময় এই কাপড়টি আমাকে হাদিয়া দিয়েছিলেন। এটি অত্যন্ত বরকতময় কাপড়। আমার মন চাইছে না এটি বিক্রি করতে, তবুও যেহেতু আজ তিন দিন ধরে আমরা না খেয়ে আছি, তাই আপনাকে এটি দিচ্ছি। আপনি এটি বাজারে বিক্রি করে সেই মূল্য দিয়ে কিছু খাবার কিনে আনবেন।”
বরকতময় কাপড় ও আল্লাহর সাহায্য
হযরত আলী (রাঃ) বরকতময় কাপড়টি নিয়ে বাজারের দিকে রওনা হলেন। কাপড়টি অত্যন্ত পুরনো হওয়ায়, অনেক ক্রেতাকে দেখানোর পরও কেউ তা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আলী (রাঃ) একেবারেই নিরাশ হয়ে পড়লেন এবং আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করলেন: “হে আল্লাহ! আজ তিন দিন যাবত নবীজির মেয়ে ফাতেমা এবং হাসান-হোসেন না খেয়ে আছে। আজকে যদি এই কাপড়টি বিক্রি করতে না পারি, তবে আজও তারা না খেয়ে থাকবে। আপনি এই কাপড়টি বিক্রি করার জন্য একজন ক্রেতার ব্যবস্থা করে দিন!”
দোয়া করার পর একজন ক্রেতা এলেন এবং বললেন, “আলী! তুমি কি এই কাপড়টি বিক্রি করতে চাও?”
আলী (রাঃ) বললেন, “আমি এই কাপড়টি বিক্রি করার জন্যই বাজারে এনেছি।”
আলী (রাঃ) জানতেন, কাপড়ের মূল্য সর্বোচ্চ এক বা দুই দিরহাম হতে পারে। তাই তিনি কোনো দাম না চেয়ে বললেন, “জনাব, আপনার যা খুশি আপনি তাই প্রদান করবেন।”
তখন লোকটি বললো, “আমি ছয় দিরহাম দিয়ে এই কাপড়টি ক্রয় করতে চাই। তুমি কি বিক্রয় করতে রাজি আছো?”
আলী (রাঃ) অত্যন্ত খুশি হয়ে রাজি হয়ে গেলেন এবং ছয় দিরহামের বিনিময়ে কাপড়টি হস্তান্তর করলেন।
ফেরেশতাদের পরীক্ষা ও আলীর নিঃস্বার্থ দান
আলী (রাঃ) সেই ছয় দিরহাম নিয়ে খাবার কেনার জন্য যাচ্ছিলেন। ওদিকে, আল্লাহর একদল ফেরেশতা অন্য একদল ফেরেশতার সাথে আলোচনা করছিল যে, সাহাবীরা কি শুধু সুখে থাকা অবস্থাতেই দান করেন, নাকি যখন তাঁদের নিজেরও প্রয়োজন, তখনও করেন?
এই পরীক্ষার জন্য আল্লাহ তা’আলা একজন ফেরেশতাকে ফকিরের বেশে হযরত আলী (রাঃ)-এর সামনে পাঠালেন।
ফকিরবেশী সেই ফেরেশতা এসে বললেন: “হে আল্লাহর বান্দা! আজ কয়েক দিন যাবত আমি না খেয়ে আছি। ক্ষুধার জ্বালায় আমার শরীর নড়াচড়া করার শক্তি নেই। আপনার নিকট যদি কোনো অর্থ থাকে, দয়া করে আমাকে দান করুন।”
আলী (রাঃ) চিন্তিত হলেন। তিনি ভাবলেন: ‘আজ তিন দিন পর ফাতেমা ও সন্তানদের জন্য খাবার কেনার অর্থ হাতে এসেছে, কিন্তু এই অসহায় বান্দাও ভিক্ষা চাইছে।’
চূড়ান্তভাবে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবার উপরে। তিনি মনে মনে ভাবলেন: ‘আল্লাহ আমার উত্তম অভিভাবক।’ অতঃপর তিনি তাঁর ছয় দিরহামের পুরোটাই সেই ফকিরকে দান করে দিলেন।
অলৌকিক ঘোড়া ও বরকতময় ব্যবসা
অত্যন্ত চিন্তিত ও পেরেশান মনে তিনি সামনে চলতে লাগলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে এক ব্যক্তি একটি লাল ঘোড়া নিয়ে আসলেন এবং বললেন: “হে শেরে খোদা আলী! আপনি কি আমার কাছ থেকে এই ঘোড়াটি ক্রয় করতে চান?”
আলী (রাঃ) বললেন, “আমার হাতে তো কোনো অর্থ নেই, আমি কীভাবে ঘোড়া কিনব?”
লোকটি বললো: “আমি বাকিতে এই ঘোড়াটি বিক্রয় করব। আপনি এটি নিয়ে ব্যবসা করুন। ব্যবসায় লাভ হলে আমার মূল্য পরিশোধ করে দেবেন।”
আলী (রাঃ) ভাবলেন, যেহেতু বাকিতে পাওয়া যাচ্ছে, এতে আল্লাহর কোনো হুকুম থাকতে পারে। তিনি ১০০ দিরহামের বিনিময়ে ঘোড়াটি ক্রয় করলেন।
তিনি ঘোড়াটি বাজারে নিয়ে গেলেন। সেখানে আরেকজন ক্রেতা এসে তা ১৬০ দিরহামের বিনিময়ে কিনে নিতে চাইল। আলী (রাঃ) রাজি হয়ে গেলেন।
আলী (রাঃ) প্রাপ্ত ১৬০ দিরহাম থেকে যার কাছ থেকে ঘোড়া কিনেছিলেন, তাকে ১০০ দিরহাম পরিশোধ করে দিলেন। তাঁর কাছে ৬০ দিরহাম অবশিষ্ট রইল।
জান্নাতের লাগাম
আলী (রাঃ) ৬০ দিরহামের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ খাবার নিয়ে বাড়িতে ফিরলেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ) এত খাবার দেখে অবাক হলেন এবং বললেন, “আমি তোমাকে যে কাপড়টি বিক্রি করতে বলেছি, তার মূল্য দিয়ে এত খাবার কেনা সম্ভব নয়! তুমি আগে প্রকৃত ঘটনা বলো, তারপর বাড়িতে প্রবেশ করবে।”
আলী (রাঃ) সব ঘটনা খুলে বললেন।
কিছু দিন পর নবী করীম (সাঃ) তাঁদের বাড়িতে এসে সব ঘটনা শুনে বললেন: “হে ফাতেমা! তুমি জানো, সেই ঘোড়াটি কে ছিল, আর প্রথম ক্রেতাই বা কে ছিল? প্রথম ক্রেতা ছিলেন জিবরাঈল (আঃ) এবং ঘোড়াটি ছিল আল্লাহ্‌র বিশেষ এক মাখলুক। আল্লাহ তোমাদের পরীক্ষা করছিলেন।”
নবীজি (সাঃ) আরও বললেন: “মা ফাতেমা! যে কাপড়টি আলী বিক্রি করেছিল, আল্লাহ তা জান্নাতে সংগ্রহ করে রেখেছেন। আর যে ঘোড়াটি দিয়ে আলী ব্যবসা করেছিল, সেই ঘোড়াটিও আল্লাহ জান্নাতে সংগ্রহ করে রেখেছেন। কিয়ামতের দিন যখন তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তুমি সেই ঘোড়ার উপর থাকবে, আর সেই কাপড়টি হবে ঘোড়ার লাগাম। আর সেই লাগামটি ধরে থাকবে আলী! এর মাধ্যমে তোমার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে তোমার স্বামী আলী!”
শিক্ষা:
অভাব ও প্রয়োজনের মুহূর্তে আল্লাহর রাস্তায় নিঃস্বার্থ দান করলে আল্লাহ দশগুণ বা তারও বেশি বরকত দান করেন। আল্লাহর প্রতি ভরসা ও দানশীলতাই বান্দাকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করে।

সুন্দরবনে ৪ হাজার ফুট ফাঁদসহ হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
সুন্দরবনে ৪ হাজার ফুট ফাঁদসহ হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনবিভাগ

‎সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ছগির খান (৪০) নামে এক হরিণ শিকারিকে আটক করেছে বনরক্ষীরা।

‎শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী ডিমের চর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছে থাকা ৪ হাজার ফুট মালাফাঁদ, মাংস পরিমাপ করা দাড়িপাল্লা, ২ কেজি সাদা পলিথিন জব্দ করা হয়।

‎আটক শিকারি ছগির খান বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানী গ্রামের রুস্তম আলী খানের ছেলে।

‎বন বিভাগ জানায়, শনিবার সকালে সুন্দরবনের কচিখালীর ডিমেরচরে নিয়মিত টহলকালে বনের মধ্যে মালাফাঁদ পাতা দেখতে পান। এসময় বনরক্ষীরা তল্লাশি করে ছগির খান নামে এক হরিণ শিকারিকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়। আটক শিকারির কাছ থেকে ৪ হাজার ফুট মালাফাঁদ, মাংস পরিমাপ করা দাড়িপাল্লা, ২ কেজি সাদা পলিথিন, প্লাস্টিক বস্তা, চাল ডালসহ আনুষঙ্গিক মালামাল জব্দ করে বনরক্ষীরা।

‎এসময়ে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৫ হরিণ শিকারী পালিয়ে যায়।

‎সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ড. রেজাউল করিম বলেন, কচিখালীর ডিমেরচরে মালা ফাঁদসহ আটক হরিণ শিকারির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। রোববার সকালে আটক শিকারিকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সচেতনতার আহ্বান জানালেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার:: প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সচেতনতার আহ্বান জানালেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

“সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু এমপি বলেছেন, ইসরায়েল ইরান যুদ্ধ কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বিশ্বে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।

শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির অভাবে হাওর অঞ্চলে ধান ঘরে তুলতে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এ বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভূমধ্যসাগরে সাম্প্রতিক ঘটনায় ১২টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে, এবং প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে।
মন্ত্রী জানান, জলমহাল আইন, ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর আগে এভাবে অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ খুব কমই নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ দিলনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মশালার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম এবং গীতা পাঠ করেন অমিত চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্যে সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ বলেন, অংশীজনদের উপস্থিতিতে এ ধরনের আয়োজন বিরল। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে—যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা জলমহালের সুফল পায় এবং একইসঙ্গে সরকারি রাজস্বও নিশ্চিত হয়।
উন্মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, প্রকৃত জেলেরা জলমহালের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হচ্ছেন। তারা জলমহাল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং বিষয়টি নজরে রাখার আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মাছ ধরা বন্ধ মৌসুমে বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে হাঁস-মুরগি পালনসহ অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি জলমহাল ইজারার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়েও ভাবনার কথা জানান।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন জলমহাল আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা উপকৃত হবেন এবং এ খাতে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান হবে।##

 

সাইফ উল্লাহ
মোবা: ০১৭১২৪৫১৪৪৬
তারিখ: ৫/৪/২৬

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারী আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আল-আমিন ভূঁইয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারী আটক

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রবিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) উপজেলার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, আটককৃত নারী দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ ও ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় মাদক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান জোরদার করে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা জানান, আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!