সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

হযরত আলী (রাঃ)-এর দান ও জান্নাতের ঘোড়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৪ পিএম | 53 বার পড়া হয়েছে
হযরত আলী (রাঃ)-এর দান ও জান্নাতের ঘোড়া

একবার হযরত ফাতেমা (রাঃ) অত্যন্ত অসুস্থ ছিলেন এবং বিছানা থেকে ঠিকমতো উঠতে পারছিলেন না। অন্যদিকে, বাড়িতে টানা তিন দিন যাবত কোনো খাবার ছিল না। খাবার না খেয়ে এবং অসুস্থতার কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। হযরত আলী (রাঃ)-এর হাতেও তখন কোনো অর্থ ছিল না।
তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর, হযরত ফাতেমা (রাঃ) হযরত আলী (রাঃ)-এর হাতে একটি পুরনো কাপড় দিয়ে বললেন:
“হে আমার প্রিয় স্বামী! আব্বাজান হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আমাদের বিয়ের সময় এই কাপড়টি আমাকে হাদিয়া দিয়েছিলেন। এটি অত্যন্ত বরকতময় কাপড়। আমার মন চাইছে না এটি বিক্রি করতে, তবুও যেহেতু আজ তিন দিন ধরে আমরা না খেয়ে আছি, তাই আপনাকে এটি দিচ্ছি। আপনি এটি বাজারে বিক্রি করে সেই মূল্য দিয়ে কিছু খাবার কিনে আনবেন।”
বরকতময় কাপড় ও আল্লাহর সাহায্য
হযরত আলী (রাঃ) বরকতময় কাপড়টি নিয়ে বাজারের দিকে রওনা হলেন। কাপড়টি অত্যন্ত পুরনো হওয়ায়, অনেক ক্রেতাকে দেখানোর পরও কেউ তা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আলী (রাঃ) একেবারেই নিরাশ হয়ে পড়লেন এবং আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করলেন: “হে আল্লাহ! আজ তিন দিন যাবত নবীজির মেয়ে ফাতেমা এবং হাসান-হোসেন না খেয়ে আছে। আজকে যদি এই কাপড়টি বিক্রি করতে না পারি, তবে আজও তারা না খেয়ে থাকবে। আপনি এই কাপড়টি বিক্রি করার জন্য একজন ক্রেতার ব্যবস্থা করে দিন!”
দোয়া করার পর একজন ক্রেতা এলেন এবং বললেন, “আলী! তুমি কি এই কাপড়টি বিক্রি করতে চাও?”
আলী (রাঃ) বললেন, “আমি এই কাপড়টি বিক্রি করার জন্যই বাজারে এনেছি।”
আলী (রাঃ) জানতেন, কাপড়ের মূল্য সর্বোচ্চ এক বা দুই দিরহাম হতে পারে। তাই তিনি কোনো দাম না চেয়ে বললেন, “জনাব, আপনার যা খুশি আপনি তাই প্রদান করবেন।”
তখন লোকটি বললো, “আমি ছয় দিরহাম দিয়ে এই কাপড়টি ক্রয় করতে চাই। তুমি কি বিক্রয় করতে রাজি আছো?”
আলী (রাঃ) অত্যন্ত খুশি হয়ে রাজি হয়ে গেলেন এবং ছয় দিরহামের বিনিময়ে কাপড়টি হস্তান্তর করলেন।
ফেরেশতাদের পরীক্ষা ও আলীর নিঃস্বার্থ দান
আলী (রাঃ) সেই ছয় দিরহাম নিয়ে খাবার কেনার জন্য যাচ্ছিলেন। ওদিকে, আল্লাহর একদল ফেরেশতা অন্য একদল ফেরেশতার সাথে আলোচনা করছিল যে, সাহাবীরা কি শুধু সুখে থাকা অবস্থাতেই দান করেন, নাকি যখন তাঁদের নিজেরও প্রয়োজন, তখনও করেন?
এই পরীক্ষার জন্য আল্লাহ তা’আলা একজন ফেরেশতাকে ফকিরের বেশে হযরত আলী (রাঃ)-এর সামনে পাঠালেন।
ফকিরবেশী সেই ফেরেশতা এসে বললেন: “হে আল্লাহর বান্দা! আজ কয়েক দিন যাবত আমি না খেয়ে আছি। ক্ষুধার জ্বালায় আমার শরীর নড়াচড়া করার শক্তি নেই। আপনার নিকট যদি কোনো অর্থ থাকে, দয়া করে আমাকে দান করুন।”
আলী (রাঃ) চিন্তিত হলেন। তিনি ভাবলেন: ‘আজ তিন দিন পর ফাতেমা ও সন্তানদের জন্য খাবার কেনার অর্থ হাতে এসেছে, কিন্তু এই অসহায় বান্দাও ভিক্ষা চাইছে।’
চূড়ান্তভাবে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবার উপরে। তিনি মনে মনে ভাবলেন: ‘আল্লাহ আমার উত্তম অভিভাবক।’ অতঃপর তিনি তাঁর ছয় দিরহামের পুরোটাই সেই ফকিরকে দান করে দিলেন।
অলৌকিক ঘোড়া ও বরকতময় ব্যবসা
অত্যন্ত চিন্তিত ও পেরেশান মনে তিনি সামনে চলতে লাগলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে এক ব্যক্তি একটি লাল ঘোড়া নিয়ে আসলেন এবং বললেন: “হে শেরে খোদা আলী! আপনি কি আমার কাছ থেকে এই ঘোড়াটি ক্রয় করতে চান?”
আলী (রাঃ) বললেন, “আমার হাতে তো কোনো অর্থ নেই, আমি কীভাবে ঘোড়া কিনব?”
লোকটি বললো: “আমি বাকিতে এই ঘোড়াটি বিক্রয় করব। আপনি এটি নিয়ে ব্যবসা করুন। ব্যবসায় লাভ হলে আমার মূল্য পরিশোধ করে দেবেন।”
আলী (রাঃ) ভাবলেন, যেহেতু বাকিতে পাওয়া যাচ্ছে, এতে আল্লাহর কোনো হুকুম থাকতে পারে। তিনি ১০০ দিরহামের বিনিময়ে ঘোড়াটি ক্রয় করলেন।
তিনি ঘোড়াটি বাজারে নিয়ে গেলেন। সেখানে আরেকজন ক্রেতা এসে তা ১৬০ দিরহামের বিনিময়ে কিনে নিতে চাইল। আলী (রাঃ) রাজি হয়ে গেলেন।
আলী (রাঃ) প্রাপ্ত ১৬০ দিরহাম থেকে যার কাছ থেকে ঘোড়া কিনেছিলেন, তাকে ১০০ দিরহাম পরিশোধ করে দিলেন। তাঁর কাছে ৬০ দিরহাম অবশিষ্ট রইল।
জান্নাতের লাগাম
আলী (রাঃ) ৬০ দিরহামের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ খাবার নিয়ে বাড়িতে ফিরলেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ) এত খাবার দেখে অবাক হলেন এবং বললেন, “আমি তোমাকে যে কাপড়টি বিক্রি করতে বলেছি, তার মূল্য দিয়ে এত খাবার কেনা সম্ভব নয়! তুমি আগে প্রকৃত ঘটনা বলো, তারপর বাড়িতে প্রবেশ করবে।”
আলী (রাঃ) সব ঘটনা খুলে বললেন।
কিছু দিন পর নবী করীম (সাঃ) তাঁদের বাড়িতে এসে সব ঘটনা শুনে বললেন: “হে ফাতেমা! তুমি জানো, সেই ঘোড়াটি কে ছিল, আর প্রথম ক্রেতাই বা কে ছিল? প্রথম ক্রেতা ছিলেন জিবরাঈল (আঃ) এবং ঘোড়াটি ছিল আল্লাহ্‌র বিশেষ এক মাখলুক। আল্লাহ তোমাদের পরীক্ষা করছিলেন।”
নবীজি (সাঃ) আরও বললেন: “মা ফাতেমা! যে কাপড়টি আলী বিক্রি করেছিল, আল্লাহ তা জান্নাতে সংগ্রহ করে রেখেছেন। আর যে ঘোড়াটি দিয়ে আলী ব্যবসা করেছিল, সেই ঘোড়াটিও আল্লাহ জান্নাতে সংগ্রহ করে রেখেছেন। কিয়ামতের দিন যখন তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তুমি সেই ঘোড়ার উপর থাকবে, আর সেই কাপড়টি হবে ঘোড়ার লাগাম। আর সেই লাগামটি ধরে থাকবে আলী! এর মাধ্যমে তোমার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে তোমার স্বামী আলী!”
শিক্ষা:
অভাব ও প্রয়োজনের মুহূর্তে আল্লাহর রাস্তায় নিঃস্বার্থ দান করলে আল্লাহ দশগুণ বা তারও বেশি বরকত দান করেন। আল্লাহর প্রতি ভরসা ও দানশীলতাই বান্দাকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করে।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!