সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

যরত ইব্রাহীম (আঃ) ও আল্লাহর পরিক্ষা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম | 45 বার পড়া হয়েছে
যরত ইব্রাহীম (আঃ) ও আল্লাহর পরিক্ষা

আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-কে অসংখ্য ধন-সম্পদ দান করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন ধার্মিক ব্যক্তি এবং ছাগল, উট, গরু, মহিষের মতো পশুপালনেরও মালিক।
আল্লাহ যখন ফেরেশতাদের কাছে বললেন, “ইব্রাহীম আমার বন্ধু (খলিল)”, তখন ফেরেশতারা বললেন: “হে আল্লাহ! যদি কোনো ব্যক্তিকে এত সম্পদ ও পশু দান করা হয়, তাহলে তো তাকে আপনার বন্ধু হতেই হবে।”
তাই আল্লাহ বললেন: “যাও, এবং আমার খলিলকে পরীক্ষা করো।”
আল্লাহর স্মরণের মূল্য
এরপর একজন ফেরেশতা তাঁকে পরীক্ষা করার জন্য মানব আকৃতির রূপে ইব্রাহীম (আঃ)-এর কাছে গেলেন।
ইব্রাহীম (আঃ) তখন তাঁর ভেড়ার পাল চড়াচ্ছিলেন। সেই ফেরেশতা সেখানে লুকিয়ে বসে খুব মিষ্টি সুরে আল্লাহর প্রশংসা করতে লাগলেন।
যখন ইব্রাহীম (আঃ) তাঁর প্রতিপালকের প্রশংসা শুনতে পেলেন, তখন তিনি ব্যাকুল হয়ে বললেন: “কে আমার প্রতিপালকের নাম নিচ্ছেন? কে এত মিষ্টি সুরে আমার প্রতিপালকের নাম উচ্চারণ করছে?” তিনি সেই ব্যক্তিকে খুঁজতে লাগলেন।
কিছুক্ষণ পরে তিনি সেই মানবাকৃতির ফেরেশতার কাছে এসে পৌঁছালেন। ইব্রাহীম (আঃ) তাঁকে বললেন: “আপনি কি আমার প্রতিপালকের নাম উচ্চারণ করছিলেন?”
ফেরেশতা বললেন: “হ্যাঁ, আমি আমার প্রতিপালকের নাম উচ্চারণ করছিলাম।”
ইব্রাহীম (আঃ) তাঁকে অনুরোধ করলেন: “হে মানুষ, আমার প্রভুকে আবার স্মরণ করুন।”
ফেরেশতা তখন বললেন: “আগে আমি তোমাকে নিজের ইচ্ছায় স্মরণ করেছিলাম। কিন্তু যদি তুমি আমাকে স্মরণ করতে বলো, তাহলে এর জন্য তোমাকে মূল্য দিতে হবে।”
ইব্রাহীম (আঃ) বললেন: “আমাকে বলুন, আপনি কত দাম চান?”
ফেরেশতা বললেন: “আমি তোমার সব ভেড়া চাই।”
ইব্রাহীম (আঃ) দ্বিধাহীন কণ্ঠে বললেন: “এইটুকুই! যাও, আমি তোমাকে আমার সব ভেড়া দিবো। শুধু আমাকে আমার আল্লাহর স্মরণ শুনতে দাও।”
গরুর পালের বিনিময়ে স্মরণ
তারপর ফেরেশতা আল্লাহর স্মরণ পাঠ করলেন। ইব্রাহীম (আঃ) শুনে বললেন: “আমাকে আবার আল্লাহর স্মরণ বলুন।”
ফেরেশতা এবার বললেন: “তুমি আর কী চাও? এইবার আমি তোমার সব গরু চাই।”
ইব্রাহীম (আঃ) মুহূর্ত বিলম্ব না করে বললেন: “যাও, আমি তোমাকে আমার সব গরু দিবো! শুধু আমাকে আল্লাহর স্মরণ শুনতে দাও।”
এই কথা শুনে ফেরেশতার চোখে জল এসে গেলো। তিনি বললেন: “আমি একজন ফেরেশতা। এবং আমি তোমাকে পরীক্ষা করছিলাম। তুমি সত্যি যোগ্য। আল্লাহ তোমাকে তাঁর বন্ধু বানালেন।”
সুবহানাল্লাহ! হযরত ইব্রাহীম (আঃ) আল্লাহর স্মরণ শোনার বিনিময়ে তাঁর সমস্ত সম্পদ উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত ছিলেন।
শিক্ষা:
আল্লাহর প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা এবং বন্ধুত্ব সম্পদের প্রাচুর্যে নয়, বরং আল্লাহর স্মরণের প্রতি অবিচল আগ্রহ এবং নিঃস্বার্থ ত্যাগের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ

কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার আলমপুর এনএম উচ্চ বিদ্যালয় হতে কবিহার পর্যন্ত এক কিলোমিটার আরসিসি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১ কোটি ২২ লক্ষ ৫৯ হাজার ২২ টাকা ব্যয় বরাদ্দে কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স জিন্না এন্টার প্রাইজ।
উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম লিটন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে পক্ষে সাইফুল ইসলাম।
ইউএনও বলেন, “ গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (বেড-এ-২) এর আওতায় এই রাস্তাটি নির্মিত হলে কয়েক হাজার পৌরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ লাঘব হবে। কাজটি ড্রইং, ডিজাইন ও এস্টিমেট অনুযায়ী হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।” (ছবি আছে)

 

error: Content is protected !!