শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

নৌ ও বিমান হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ২:১৪ এএম | 110 বার পড়া হয়েছে
নৌ ও বিমান হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে তারা ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের অন্তত পনেরটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।

পেন্টাগন বলেছে ‘নৌ চলাচল নির্বিঘ্ন’ রাখতে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের প্রধান কয়েকটি শহরে কিছু বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

গত নভেম্বর থেকে হুথিরা লোহিত সাগরে অন্তত একশ জাহাজে হামলা করেছে এবং এর মধ্যে দুটি নৌযান ডুবে গেছে। বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীটি বলেছে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতে তারা এসব হামলা করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডের দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে এবার হুথিদের অস্ত্র সম্ভার, ঘাঁটি ও অন্য উপকরণ লক্ষ্য করে হামলা করা হয়েছে।

হুথি সমর্থিত মিডিয়া জানিয়েছে যেসব শহর আক্রান্ত হয়েছে তার মধ্যে সানা একটি।

সোমবার হুথিরা জানিয়েছে তারা ইয়েমেনের আকাশসীমায় থাকা যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত এমকিউ-৯ রিয়েপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি মনুষ্যহীন আকাশযান হারানোর কথা স্বীকার করেছে।

গত সপ্তাহে পেন্টাগন বলেছে হুথিরা ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জাহাজ লক্ষ্য করে ‘জটিল হামলা’ চালিয়েছে। যদিও হুথিদের নিক্ষেপ করা সব কিছুই গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।

ইয়েমেনের লড়াইরত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় সানায় গত দু বছর তেমন কোন বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেনি।

তবে লোহিত সাগরে নৌযানের ওপর হামলার পাশাপাশি হুথিরা সরাসরি ইসরায়েলে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

গত জুলাইতে ইয়েমেন থেকে পাঠানো ড্রোন হামলা হয়েছে তেল আবিবে। এ ঘটনায় একজন নিহত ও দশ জন আহত হয়।

গত মাসে তারা ইসরায়েলে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে, যার একটির লক্ষ্য ছিলো ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর।

উভয় ঘটনাতেই ইসরায়েল ইয়েমেনের বিভিন্ন জায়গায় হামলা করে পাল্টা জবাব দেয়।

এর আগে বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও আরটি দেশ লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।

গাজায় হামাস, লেবাননে হেজবুল্লাহর পর মধ্যপ্রাচ্যে হুতিরাও ইরান সমর্থিত নেটওয়ার্কের অংশ।

হুথিদের সামরিক সক্ষমতা কেমন?

লোহিত সাগরে জাহাজে হুথিদের বিভিন্ন হামলায় দেখা গিয়েছে তারা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন (ইউএভি) ও চালকবিহীন জাহাজ (ইউএসভিস) ব্যবহার করেছে।

এছাড়া শুরুর দিকে হামলায় দেখা যায় হুথিরা ছোট ছোট নৌকা বা হেলিকপ্টার নিয়ে বড় জাহাজে উঠে পড়ছে ও সেটা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ইউএভি বা তথাকথিত “কামিকাজে ড্রোন”- যেটা হুথিরা ব্যবহার করছে, ধারণা করা হচ্ছে এগুলো কাসেফ ড্রোন, সেই সাথে আছে অনেক দূর পর্যন্ত হামলায় সক্ষম সামাদস যুদ্ধবিমান – লেজের দিকে যেটায় ভি আকৃতির পাখা থাকে। এই অস্ত্র হুথিরা ব্যবহার শুরু করে আসছে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সংঘাতে।

দ্য ওয়াশিংটন ইন্সটিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি বলছে, বিভিন্ন ধরনের জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে হুথিদের, যেগুলো ৮০ কিলোমিটার থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। এর মধ্যে আছে সায়াদ এবং সেজ্জিল মিসাইল।

এই থিঙ্কট্যাঙ্ক মনে করে হুথি গোষ্ঠীর কাছে এমন জাহাজ বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইলও আছে যা ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

এই মিসাইলগুলোর অবস্থান নির্ণয় করাও কঠিন কারণ তারা খুব দ্রুতগতির হয় এবং মূহুর্তের মধ্যে আক্রমণ করতে পারে। তবে এর জন্য দরকার হয় “ড্রোন, অন্য জাহাজ বা অস্ত্রের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিশদ তথ্য।”

সমুদ্রের ইতিহাসবিদ সাল মারকোগলিয়ানো বিবিসিকে বলেন, ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ এই দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রই ড্রোনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী, কারণ “তাদের সাথে বড় যুদ্ধাস্ত্র থাকে এবং আরও বেশি গতিশক্তি থাকে।”

ইতিহাসবিদ সাল মারকোগলিয়ানো বলেন, একমুখী ড্রোনগুলো সংখ্যায় অসংখ্য কারণ এগুলো খুবই সস্তা এবং সহজেই ব্যবহার করা যায়, তবে একটু ধীরগতির।

এই ড্রোনগুলো ঠিক পানির উপর জাহাজের ভেসে থাকা জায়গা বরাবর আঘাত করে এবং তা থেকে আগুন ধরে যাওয়াটা হল সবচেয়ে দুশ্চিন্তার।

তবে মি. মারকোগলিয়ানোর বিশ্বাস ‘সবচেয়ে ভয়ের’ হল ইউএসভিস বা চালকবিহীন জাহাজ, “কারণ এটি পানির উপরে জাহাজে আঘাত করে, যার মাধ্যমে এটি ফুটো হয়ে ভেতরে পানি ঢোকে এবং জাহাজটি ডুবে যায়।”

ইউএস নেভি বলছে চলমান সংঘাতে হুথিরা প্রথম এই চালকবিহীন জাহাজটি বিস্ফারণ সহকারে ব্যবহার করে গত ৪ই জানুয়ারি এবং সেটি জাহাজ চলাচলের আন্তর্জাতিক লেনে এসে বিস্ফারিত হয়।

“সৌভাগ্যক্রমে কোন হতাহত হয়নি বা কোন জাহাজকেও এটি আঘাত করতে পারেনি, কিন্তু এই একমুখী ইউএসভিস ব্যবহারের সূচনাটা চিন্তার কারণ,” বলেন ইউএস নেভি কমান্ডার ভাইস অ্যাডমিরাল ব্রাড কুপার।

তিনি বলেন, এরকম আক্রমণ তাদের “নতুন সক্ষমতা” সম্পর্কে জানান দেয়।

তবে সৌদি সরকার জানাচ্ছে, হুথিরা এই এইএসভিস প্রথম ব্যবহার হয় ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে সৌদি বাহিনীর আল-মদিনার উপর একটা হামলায়, আর এরপর “২০২০ সালে মার্চে এডেন উপসাগর দিয়ে একটা তেলবাহী জাহাজ ইয়েমেন যাওয়ার পথে সেটার উপর হামলার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালায় তারা।”

সূত্র: বিবিসি বাংলা

১০০ বলের টুর্নামেন্টে খেলতে তর সইছে না মোস্তাফিজের

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:১২ পিএম
১০০ বলের টুর্নামেন্টে খেলতে তর সইছে না মোস্তাফিজের

দ্য হান্ড্রেডের নতুন মৌসুম শুরু হবে এ বছরের জুলাই-আগস্টে। আর মোস্তাফিজুর রহমান এখন ব্যস্ত বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজে। তবে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারের মন যে পড়ে আছে দ্য হান্ড্রেডে। ইংল্যান্ডের একশ বলের এই টুর্নামেন্টে খেলতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তিনি।

২০২৬ দ্য হান্ড্রেড সামনে রেখে গতকাল হয়েছে নিলাম। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইংল্যান্ডের ১০০ বলের এই টুর্নামেন্টে দল পেয়েছেন মোস্তাফিজ। নিলাম থেকে ১ লাখ পাউন্ডে তাঁকে নিয়েছে বার্মিংহাম ফিনিক্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। দল পেয়ে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার লিখেছেন, ‘দ্য হান্ড্রেডে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই রোমাঞ্চিত। বার্মিংহাম ফিনিক্সের হয়ে দারুণ একটি টুর্নামেন্টের অপেক্ষায় আছি। সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

এবারের দ্য হান্ড্রেডের নিলামে চূড়ান্ত তালিকায় নাম ছিল দুই বাংলাদেশির। নিলাম থেকে মোস্তাফিজ দল পেলেও রিশাদ হোসেনকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি কোনো দল। এর আগে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলে নিলাম থেকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তবে রেকর্ড দামে বিক্রি হলেও এ বছরের ৩ জানুয়ারি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে তাঁকে বাদ দেয় কলকাতা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হয়নি মোস্তাফিজের।

আইপিএল থেকে বাদ পড়া মোস্তাফিজকে ৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে নিয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি লাহোর কালান্দার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। একই দলে এবার খেলবেন আরেক বাংলাদেশি পারভেজ হোসেন ইমন। পিএসএলে গত বছর এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই অভিষেকে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন রিশাদ। এবার তিনি খেলবেন পিন্ডিজ দলে। সবশেষ বিগ ব্যাশেও হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে রিশাদ দেখিয়েছেন তাঁর লেগস্পিনের ভেলকি।

মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াত আমির

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:১১ পিএম
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াত আমির

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে দেখতে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান জামায়াত আমির।

অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মির্জা আব্বাস, এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তিঅসুস্থ হয়ে পড়েছেন মির্জা আব্বাস, এ সময় শফিকুর রহমান মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের কাছে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। তিনি মির্জা আব্বাসের আরোগ্য কামনা করেন।

শফিকুর রহমানের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানার সভাপতি এসএম খালিদুজ্জামান।

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমল সোনার দাম

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমল সোনার দাম

দেশে সোনার দাম আবারও কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। নতুন এ দাম এদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

আজ শুক্রবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হবে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।

এখন পর্যন্ত চলতি দেশের বাজারে সোনার দাম ৪২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ১৬ বার।

এর আগে গতকাল ১২ মার্চ সকালে দেশের বাজারে ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৬ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

error: Content is protected !!