সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

কাপুরুষতা না রাজনৈতিক বাস্তবতা?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৫ এএম | 76 বার পড়া হয়েছে
কাপুরুষতা না রাজনৈতিক বাস্তবতা?

বাংলায় তুর্কি বিজয়ের সর্বপ্রাচীন বিবরণ পাওয়া যায় মীনহাজুদ্দিন সিরাজ রচিত তবাকাত-ই-নাসিরী গ্রন্থে। এই গ্রন্থের উপর নির্ভর করেই বখতিয়ার খিলজি কর্তৃক মগধ ও গৌড় জয়ের প্রায় সকল প্রচলিত ধারণা গড়ে উঠেছে। কিন্তু গ্রন্থটির উৎস, রচনাকাল ও তথ্যসংগ্রহের পদ্ধতি বিচার করলে স্পষ্ট হয়—এই বিবরণ নিখুঁত সমসাময়িক ইতিহাস নয়, বরং অনেকাংশেই বহু বছর পর সংগৃহীত লোকমুখে শোনা স্মৃতিকথা।
মীনহাজুদ্দিন দিল্লির সুলতানের অধীনে উচ্চ রাজকার্যে নিযুক্ত ছিলেন এবং আনুমানিক ১২৬০ খ্রিস্টাব্দের কিছু পরে তিনি এই ইতিহাস রচনা করেন। মগধ জয়ের প্রায় চল্লিশ বছর পরে লক্ষ্মণাবতীতে তিনি দুইজন বৃদ্ধ সৈনিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যাঁরা সেই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মুখে শোনা কাহিনির উপর ভিত্তি করেই তিনি মগধ জয়ের বিবরণ লিখেছেন। গৌড় বা নদীয়া অভিযানে অংশগ্রহণকারী কোনো ব্যক্তির প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ তাঁর হয়নি; সেখানে তিনি কেবল “বিশ্বাসযোগ্য লোকদের কাছ থেকে শোনা” কাহিনির উল্লেখ করেছেন। ফলে এই বিবরণকে সম্পূর্ণ নির্ভুল ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যায় না, যদিও এটি আমাদের একমাত্র প্রাচীন সূত্র।
মীনহাজের বর্ণনা অনুযায়ী, মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি প্রথমে মহম্মদ ঘোরী ও কুতবুদ্দিন আইবকের দরবারে আশ্রয় পেতে ব্যর্থ হন। পরে অযোধ্যায় মালিক হুসামুদ্দিনের অনুগ্রহে তিনি চুনারগড়ের নিকট দুইটি পরগণা জায়গির লাভ করেন। এখান থেকেই তিনি প্রায় দুই বছর ধরে মগধ অঞ্চলে লুণ্ঠন চালিয়ে ধনসম্পদ, সৈন্য ও অস্ত্র সংগ্রহ করেন। এই শক্তির উপর ভর করেই তিনি হঠাৎ আক্রমণে ‘কিল্লা বিহার’ অধিকার করেন। আক্রমণের পরেই তুর্কি সৈন্যরা বুঝতে পারে—এটি আসলে কোনো দুর্গ নয়, বরং একটি শিক্ষাকেন্দ্র, যাকে হিন্দুরা ‘বিহার’ বলে।
বিহার জয়ের পরে বখতিয়ার দিল্লিতে গিয়ে কুতবুদ্দিন আইবকের কাছ থেকে সম্মান লাভ করেন এবং ফিরে এসে সমগ্র বিহার অঞ্চলে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। এই সময়ে সেনরাজ লক্ষ্মণসেন রাজধানী নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। মীনহাজ তাঁর জন্ম ও দীর্ঘ রাজত্ব নিয়ে এক অলৌকিক কাহিনি উল্লেখ করেছেন—যা স্পষ্টতই ঐতিহাসিকের চেয়ে কিংবদন্তির কাছাকাছি।
বখতিয়ারের বিহার জয়ের সংবাদ নদীয়ায় পৌঁছালে দৈবজ্ঞ ও ব্রাহ্মণরা শাস্ত্রের দোহাই দিয়ে রাজাকে সতর্ক করেন যে তুর্কিদের হাতে এই দেশের পতন অবশ্যম্ভাবী। অনেক ব্রাহ্মণ ও বণিক নগর ত্যাগ করলেও লক্ষ্মণসেন প্রথমে রাজধানী ছাড়তে অস্বীকার করেন। পরের বছর বখতিয়ার দ্রুতগতিতে বিহার থেকে অগ্রসর হন। এই অভিযানের নাটকীয় অংশটি এখানেই—নদীয়ায় পৌঁছানোর মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে ছিল মাত্র আঠারো জন অশ্বারোহী, বাকিরা পশ্চাতে আসছিল।
এই তথ্য থেকেই পরবর্তীকালে প্রচলিত হয়েছে—“সপ্তদশ বা আঠারো অশ্বারোহীর ভয়ে লক্ষ্মণসেন পালিয়ে গিয়েছিলেন।” কিন্তু মীনহাজের নিজের বিবরণ গভীরভাবে পড়লে এই ধারণা ভেঙে যায়। বখতিয়ার যখন রাজপ্রাসাদে পৌঁছান, তখন নগরের ভেতরে ইতিমধ্যেই তাঁর বহু সৈন্য ঢুকে পড়েছিল। শহরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হত্যার শব্দ রাজপ্রাসাদে পৌঁছে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতেই লক্ষ্মণসেন পশ্চাৎদ্বার দিয়ে নৌকায় পলায়ন করেন। অর্থাৎ, তিনি কেবল আঠারো জন অশ্বারোহী দেখে নয়, বরং নগরে প্রবেশ করা তুর্কি বাহিনীর বাস্তব উপস্থিতির কারণেই রাজধানী ত্যাগ করেন।
এই অভিযানে বখতিয়ার কেবল নদীয়া নগরী দখল করেন—সমগ্র গৌড় বা বাংলা এক দিনে বিজিত হয়নি। পরে তিনি ধ্বংসপ্রায় নদীয়া ত্যাগ করে লক্ষ্মণাবতীতে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন। লক্ষ্মণসেন কিছুদিন পরে বঙ্গ অঞ্চলে তাঁর রাজ্য হারান, যদিও সেনবংশের শাসন বঙ্গদেশে আরও কিছু সময় বজায় ছিল।
সুতরাং বখতিয়ার খিলজির বাংলা বিজয় নিয়ে প্রচলিত রোমান্টিক ও নিন্দামূলক উভয় ধারণাই তবাকাত-ই-নাসিরী-র অপাঠ্য বা একপাক্ষিক পাঠের ফল। ইতিহাস বলছে—এটি ছিল ধীরে ধীরে বিস্তারমান সামরিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, কোনো একদিনে “সোনার বাংলা” হঠাৎ হারিয়ে যাওয়ার কাহিনি নয়।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!