সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

দেববংশ, দামোদরদেব ও দনুজমাধবের বিস্মৃত ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ এএম | 76 বার পড়া হয়েছে
দেববংশ, দামোদরদেব ও দনুজমাধবের বিস্মৃত ইতিহাস

সেনবংশের শেষ স্বাধীন রাজা লক্ষ্মণসেনের রাজত্বের অন্তিম পর্বে যখন গৌড় রাজ্য মুসলমান আক্রমণের চাপে ভেঙে পড়ছে, তখন বাংলার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বিস্মৃত অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই সময়েই মেঘনার পূর্বতীরে এক স্বাধীন হিন্দু রাজশক্তির উত্থান ঘটে, যাকে আমরা ইতিহাসে দেববংশ নামে চিনি। সাধারণভাবে মনে করা হয় সেনদের পতনের পর বাংলা সম্পূর্ণভাবে মুসলমান শাসনের অধীনে চলে গিয়েছিল, কিন্তু দেববংশীয় রাজাদের উত্থান সেই ধারণাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।
এই দেববংশের প্রথম পরিচিত পুরুষ হলেন পুরুষোত্তম। তাঁকে তাম্রশাসনে ‘দেবান্বয়-গ্রামণী’, অর্থাৎ দেববংশের প্রধান বলা হয়েছে, কিন্তু কোথাও তাঁকে রাজা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এর থেকেই অনুমান করা যায়, তিনি হয়তো ছিলেন বংশনেতা বা সামন্তশক্তির প্রধান, পূর্ণ সার্বভৌম শাসক নন। তাঁর পুত্র মধুমথনদেবের নামেই প্রথম এক স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠার কথা জানা যায়। তবে আশ্চর্যের বিষয়, মধুমথনদেব ও তাঁর পুত্র বাসুদেব—এই দুই প্রজন্ম সম্পর্কে ইতিহাস প্রায় সম্পূর্ণ নীরব। তাঁদের শাসনকাল, যুদ্ধ কিংবা প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
দেববংশের ইতিহাসে প্রথম স্পষ্ট আলো পড়ে বাসুদেবের পুত্র দামোদরদেবের সময়ে। তাঁর নামে প্রাপ্ত দুইখানি তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে তিনি ১২৩১ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং অন্তত ১২৪৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। এই তাম্রশাসনগুলির ভিত্তিতে অনুমান করা যায় যে তাঁর রাজ্য বর্তমান ত্রিপুরা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তিনি নিজেকে ‘সকল ভূপাল-চক্রবর্ত্তী’ ও ‘অরিরাজ-চাণুর-মাধব’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন, যা তাঁর সামরিক শক্তি ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিচয় বহন করে। সম্ভবত সেনবংশীয় রাজা বিশ্বরূপসেনের মৃত্যুর পর উদ্ভূত রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে দামোদরদেব তাঁর পৈতৃক রাজ্যের সীমা আরও বিস্তার করতে সক্ষম হন।
দামোদরদেবের মৃত্যুর পর এই দেববংশীয় রাজ্যের ভবিষ্যৎ কী হয়েছিল, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ঢাকা জেলার আদাবাড়ী থেকে প্রাপ্ত একখানি জীর্ণ তাম্রশাসন আমাদের সামনে আর এক শক্তিশালী দেববংশীয় শাসকের নাম উপস্থিত করে—দশরথদেব। এই তাম্রশাসনে তাঁর পূর্ণ উপাধি দেওয়া হয়েছে ‘পরমেশ্বর পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ অরিরাজ-দনুজমাধব দশরথদেব’। তিনি বিক্রমপুরকে রাজধানী করে শাসন করতেন এবং কেশবসেন ও বিশ্বরূপসেনের অনুকরণে অশ্বপতি, গজপতি, নরপতি ও রাজত্রয়াধিপতি উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। সেনরাজাদের পরিচিত ‘সেনকুল-কমল-বিকাস-ভাস্কর’ উপাধির পরিবর্তে তাঁর শাসনে ব্যবহৃত হয় ‘দেবাম্বয়-কমল-বিকাস-ভাস্কর’, যা তাঁকে দেববংশীয় শাসক হিসেবে নির্দেশ করে।
তাঁর তাম্রশাসনে উল্লেখ রয়েছে যে নারায়ণের কৃপায় তিনি গৌড় রাজ্য লাভ করেছিলেন। মুসলমান ঐতিহাসিকদের বিবরণ অনুযায়ী এই সময়ে গৌড় তুর্কি শাসনের অধীন ছিল। কিন্তু বাস্তবে বাংলায় তুর্কি প্রভুত্ব সুদৃঢ় হতে বহু বছর সময় লেগেছিল। এই দীর্ঘ অস্থিরতার সময়ে হিন্দু রাজারা বারবার হারানো রাজ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেছিলেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আংশিকভাবে সফলও হয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে দশরথদেবের গৌড়ের কিছু অংশ অধিকার করা একেবারে অসম্ভব বা কল্পনাপ্রসূত বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এই দশরথদেবকে অনেক ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বার্ণীর বিবৃত ‘সোনারগাঁয়ের রাজা দনুজরায়’-এর সঙ্গে এক করে দেখেন। বার্ণীর মতে, দিল্লির সুলতান গিয়াসুদ্দিন বলবন যখন ১২৮৩ খ্রিস্টাব্দে তুঘরিল খানের বিদ্রোহ দমনে বঙ্গদেশে অভিযান করেন, তখন সোনারগাঁয়ের রাজা দনুজরায় তাঁর সঙ্গে একটি রাজনৈতিক চুক্তিতে আবদ্ধ হন।
সোনারগাঁ ও বিক্রমপুর—উভয় অঞ্চলই ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তী হওয়ায় বিক্রমপুরের ‘অরিরাজ-দনুজমাধব’ বিদেশি ঐতিহাসিকদের চোখে ‘দনুজরায়’ নামে পরিচিত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বাংলার কুলজী গ্রন্থেও কেশবসেনের কিছুদিন পর দনুজমাধব নামে এক রাজার উল্লেখ পাওয়া যায়। এই সব সূত্র মিলিয়ে বিচার করলে অনুমান করা যায় যে দশরথদেব বলবনের অভিযানের সময়, অর্থাৎ ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে রাজত্ব করছিলেন।
দেববংশের আর একটি শাখার পরিচয় পাওয়া যায় শ্রীহট্ট অঞ্চলে। শ্রীহট্টের নিকটবর্তী ভাটেরা গ্রামে প্রাপ্ত দুইখানি তাম্রশাসন থেকে খরবাণ, গোকুলদেব, নারায়ণদেব, কেশবসেন, ঈশানদেব ও কেশবদেব—এই ধারাবাহিক রাজাদের নাম জানা যায়। এই বংশের কেশবদেব একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ছিলেন এবং তিনি তুলাপুরুষ যজ্ঞ সম্পাদন করেছিলেন। ঈশানদেব অন্তত সতেরো বছর রাজত্ব করেছিলেন। লিপির অক্ষরবিন্যাস বিচার করে অনুমান করা হয় যে এই রাজারা ত্রয়োদশ অথবা চতুর্দশ শতাব্দীতে শাসন করতেন। দেব উপাধির ভিত্তিতে তাঁদের দেববংশীয় বলে মনে করা হলেও, পূর্বোক্ত দেববংশের সঙ্গে তাঁদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করা যায় না।
শ্রীহট্ট অঞ্চলের লোককথা ও “হট্টনাথের পাঁচালী” নামক পুঁথিতে উল্লেখ রয়েছে যে এই অঞ্চলের এক রাজা গৌরগোবিন্দ সুফি সাধক শাহজালালের হাতে পরাজিত হন, যার তারিখ ধরা হয় ১২৫৭ খ্রিস্টাব্দ। কেশবদেবের একটি উপাধি ছিল ‘রিপুরাজ গোপী-গোবিন্দ’। এই কারণেই অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, কিংবদন্তির গৌরগোবিন্দ ও এই কেশবদেব সম্ভবত একই ব্যক্তি।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সেনরাজ্যের পতনের পর বাংলায় হিন্দু রাজশক্তি সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। দেববংশীয় রাজারা নানা অঞ্চলে স্বাধীনতা রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন, কখনো আঞ্চলিক সাফল্যও অর্জন করেছিলেন। খণ্ডিত তাম্রশাসন, বিদেশি ঐতিহাসিকদের বিবরণ ও লোককথার মধ্যে ছড়িয়ে থাকা এই ইতিহাস বাংলার মধ্যযুগীয় রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। দেববংশের এই বিস্মৃত অধ্যায় তাই শুধু একটি রাজবংশের ইতিহাস নয়, বরং বাংলার শেষ স্বাধীনতার দীর্ঘ ও জটিল সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!