উলিপুরে ফার্স্ট ডিজিটাল মাদ্রাসা ও এম এ মডেল ইংলিশ ভার্সন স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামের উলিপুরে অবস্থিত ফার্স্ট ডিজিটাল মাদ্রাসা (নার্সারি থেকে নবম শ্রেণি), উলিপুর ইসলামিয়া ক্যাডেট দাখিল মাদ্রাসা এবং এম এ মডেল ইংলিশ ভার্সন স্কুলে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও স্কুল প্রাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নার্সারি থেকে শুরু করে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তি ইচ্ছুক বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করে। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এ সময় পরীক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে শিক্ষকবৃন্দ ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
ভর্তি পরীক্ষা শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “উলিপুর ইসলামিয়া ক্যাডেট দাখিল মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের আলাদা করে প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজন হয় না। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই সম্পূর্ণ করানো হয়, ফলে বাসায় পড়ালেখার অতিরিক্ত চাপ থাকে না। আনন্দমুখর পরিবেশে পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা হয়।”
তিনি আরও জানান, মাত্র ১৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, “এই প্রতিষ্ঠানে আরবি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সব দিক থেকেই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।”
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, সুশৃঙ্খল পরিবেশ, অভিজ্ঞ শিক্ষক ও মানসম্মত শিক্ষার কারণে তারা তাদের সন্তানদের এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে আগ্রহী।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে এবং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।











