সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

গায়ে হলুদের রীতির প্রচলন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম | 127 বার পড়া হয়েছে
গায়ে হলুদের রীতির প্রচলন

বাঙালি বিয়েতে গায়ে হলুদের রীতিটি প্রাচীন, যা মূলত বর-কনের ত্বককে উজ্জ্বল করা, সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং শুভ ও মঙ্গলময় সূচনাকে প্রতীকায়িত করে; এটি বৈদিক যুগ থেকেই প্রচলিত এবং পুরাণ অনুসারে পার্বতীকে প্রথম হলুদ মাখানো হয়েছিল, যা থেকে এর প্রচলন হয়, তবে এর আধুনিক রূপটি মুঘল আমল থেকে পরিবর্তিত হয়েছে। এটি শুধু একটি প্রথা নয়, বরং পরিবার ও বন্ধুদের অংশগ্রহণে আনন্দ ও উল্লাসের একটি উৎসব, যা নবদম্পতির সুখ-শান্তি ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন কামনা করে পালিত হয় এবং অপশক্তি দূর করতে সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

ছবি: সংগৃহীত

 

ইতিহাস ও তাৎপর্য

প্রাচীন শিকড়: গায়ে হলুদের রীতি বৈদিক যুগ থেকেই ভারতীয় সমাজে প্রচলিত, যা “গাত্রহরিদ্রা” বা “অধিবাস” নামে পরিচিত ছিল।
পৌরাণিক উৎস: পুরাণ অনুযায়ী, বিয়ের আগে শিবরাত্রির আগে পার্বতীকে প্রথম হলুদ মাখানো হয়েছিল, যা এই প্রথার জন্ম দেয়।
বিশুদ্ধতা ও শুভতা: হলুদকে শুভ ও পবিত্র মনে করা হয়, যা বর-কনের নতুন জীবন শুরুর আগে তাদের শরীর ও মনকে শুদ্ধ করে।
সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য: হলুদ ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং সংক্রমণ থেকে বাঁচায়, যা বিয়ের আগে বর-কনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
অপশক্তি দূরীকরণ: এটি অশুভ শক্তি ও নজর থেকে নবদম্পতির দাম্পত্য জীবনকে রক্ষা করার একটি লোকাচার।
সাংস্কৃতিক বিবর্তন: মুঘল আমল থেকে এই রীতির কিছু পরিবর্তন এসেছে, এবং এখন এটি একটি আনন্দময় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে যেখানে সবাই অংশ নেয়।

ছবি: সংগৃহীত

বাঙালি বিয়ের আয়োজন মানেই মেহেন্দি, গায়েহলুদ, হলুদ গোসল, বিয়ে, বৌভাত। এসব রীতিনীতি আজকের নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিয়ের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে। বিভিন্ন অঞ্চল বা দেশ থেকে এসব রীতিনীতি বাংলায় এসেছে ব্রিটিশ, মিশর, পারস্যের মানুষদের হাত ধরে।

বিয়ের আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে গায়েহলুদ। নব্বই দশকে এই আয়োজন যেমন হতো তার থেকে এখন কিছুটা ভিন্ন। আগে বিয়েরদিন সকালেই বর-কনেকে যার যার বাড়িতে বাড়ির মা-চাচি, খালা, বোন, নানি-দাদিরা হলুদ গায়ে মেখে গোসল করাতেন। বিভিন্ন ধরনের গীত গাইতেন, নাচ-গান করতেন।

তবে এখন এই আয়োজন সাধারণত করা হয় সন্ধ্যার পর এবং বিয়ের এক বা দুদিন আগে। এখানে বর-কনেকে একসঙ্গে কিংবা আলাদাভাবে নিজ নিজ বাড়িতে হলুদ ছোঁয়ানো, খাওয়া-দাওয়া, নাচ-গান, ছবি তোলা, আড্ডা এসবের মধ্য দিয়ে আনন্দ করা হয়। এই যে নিয়ম বা আয়োজনের খানিকটা তফাত হলেও এর জনপ্রিয়তা এবং গুরুত্ব কোনোটিই কিন্তু এতটুকু কমেনি।

ছবি: সংগৃহীত

ইতিহাসে দেখা যায়, এই প্রথার মূল উৎস স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য সংক্রান্ত। প্রাচীনকাল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন সমাজে হলুদ বা হলুদ জাতীয় মসলা বিশেষ করে হালদি বা হলুদের ব্যবহার করা হতো ত্বক পরিষ্কার রাখা, ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া রোধ করা, এবং রোদে ও বাতাসে বের হওয়া দূষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য। তাই গায়েহলুদ কেবল আভিজাত্যপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়, বরং কনের ত্বকের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির জন্য প্রাচীন প্রথাগত চিকিৎসা ভাবনার প্রতিফলন।

সামাজিক দিক থেকেও গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এটি কনের ও বর পক্ষের পরিবারের মধ্যে মিলন ও আনন্দ উদযাপনের মাধ্যম। অনুষ্ঠানটি সাধারণত গান, নাচ, হাসি-ঠাট্টা এবং রঙিন সাজ-সজ্জার সঙ্গে পালিত হয়। পল্লী অঞ্চলে দেখা যায়, প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজন সকলে মিলে কনের হাতে হলুদের প্যাকেট ব্যবহার করে মাখন ও হলুদ মিশিয়ে তার ত্বককে উজ্জ্বল করার কাজ করেন। এই প্রথা কেবল আনন্দই দেয় না, বরং সামাজিক বন্ধন শক্ত করার একটি মাধ্যম হিসেবেও কাজ করে।গায়েহলুদ অনুষ্ঠানের নেপথ্যে একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার প্রতিফলনও রয়েছে। হলুদের হলুদ রংকে সততা, উজ্জ্বলতা এবং শুভতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। বিয়ের পূর্বে কনের শরীরে এই রঙের প্রয়োগ একরকম শুভ প্রেরণা ও সৌভাগ্যের আশ্বাস হিসেবে গণ্য হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানটি কনের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত, যাতে সে নতুন জীবনের শুরুতে আত্মবিশ্বাসী ও আনন্দময় থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, গায়েহলুদ প্রথা মূলত মুসলিম, হিন্দু এবং বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংমিশ্রিত সংস্কৃতির একটি ফলাফল। প্রাচীন হিন্দু বিয়ের প্রথায় হলুদ ব্যবহারের সূত্র ধরা যায়, যেখানে কনের ত্বক ও চেহারাকে শুভ রঙে আচ্ছাদিত করার রীতি ছিল। মুসলিম সমাজেও ধীরে ধীরে এই অনুষ্ঠান গ্রহণ করে, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রথার সঙ্গে মিলিত হয়ে তা আধুনিক বাঙালি গায়ের অনুষ্ঠানে পরিণত হয়।

বর্তমান কালে গায়েহলুদ শুধু স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য বা সামাজিক বন্ধনের মাধ্যমই নয়; এটি বাঙালি বিয়ের একটি আবেগপূর্ণ ও ভিজ্যুয়াল আকর্ষণও। কনের রঙিন সাজ, হলুদ-কমলা পোশাক, ফুলের মালা, গান এবং পারিবারিক মিলন সব মিলিয়ে এটি বাঙালি বিয়ের স্মরণীয় ও প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে ফটোশুট ও সামাজিক মাধ্যমে গায়েহলুদকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়।

গায়েহলুদ অনুষ্ঠান প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, সামাজিক বন্ধন এবং শুভতার প্রতীক হিসেবে বাঙালি বিয়ের অভিন্ন অংশ। এটি কেবল কনের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও জীবন্ত রাখে। প্রথাটি প্রমাণ করে যে, বাঙালি সমাজে বিয়ের আগের প্রস্তুতি শুধু আনুষ্ঠানিক নয়, বরং একটি আনন্দময়, সুস্থ ও মিলনমুখর সামাজিক রীতি হিসেবে গড়ে উঠেছে।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!