বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

রাজধানীর বাজারে মাছের দাম চড়া

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম | 76 বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর বাজারে মাছের দাম চড়া

দেশজুড়ে তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে। নতুন বছরের শুরুতে মাছের বাজার বেশ চড়া থাকলেও সরজি- ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ক্রেতারা বলছেন, মাছের বাজারে দরদাম করার সুযোগ মিলছে না; অন্যদিকে সবজি ও ডিম দাম কমলেও তা এখনো পুরোপুরি নাগালের মধ্যে আসেনি। তবে দীর্ঘদিন পর সবজির দামে স্বস্তি ফিরে পাওয়ায় খুশি সাধারণ ক্রেতারা।

 

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মুগদা, মালিবাগ, রামপুরা ও খিলগাঁও এলাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দরের এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে সবজির দাম ওঠানামা করলেও মাছের দামে খুব একটা পরিবর্তন নেই, এর দাম সব সময় বাড়তিই থেকে যায়। ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে না। বাজারে প্রতি কেজি কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা ও আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং মাছের দাম কিছুটা কমে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় নেমেছে।

এছাড়া টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারে বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ছোট চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্য, ‘শীতে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বাড়তি, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।’

রামপুরা বাজারে মাছ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আল মামুন বলেন, ‘মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। গত সপ্তাহে যে রুই ৩০০ টাকায় পাওয়া যেত, আজ তা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে মুরগি ও ডিমে কিছুটা স্বস্তি আছে।’

মুগদা বাজারের ক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘মাছের দাম কমার লক্ষণ নেই। মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে থাকলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।’

এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, মুলা, টমেটো, পালংশাক, লালশাকসহ প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি সহজলভ্য। বেশির ভাগ সবজির কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। কিছু শাকসবজি তো আরও কম দামে মিলছে, যা স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য বাড়তি স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমাানে ফুলকপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শিম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ও মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং পালংশাক ও লালশাক প্রতি আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় অনেকটাই কম।

মালিবাগ বাজারের ক্রেতারা বলছেন, সারা বছর ধরে সবজির বাড়তি দাম তাদের বাজেটে বড় চাপ তৈরি করেছিল। শীত আসার ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও কমেছে। খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা গৃহিণী মাজেদা বেগম বলেন, আগে ২০০–৩০০ টাকায় অল্প কয়েকটা সবজি নিতে হতো। এখন একই টাকায় ব্যাগ ভরে সবজি পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের খাবারের মেনুতেও বৈচিত্র্য আসছে।

তবে বর্তমানে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, যা মাসখানেক আগেও ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিমের ডজন ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি এখন ১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় মিলছে। এক সপ্তাহ আগেও মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেশি ছিল।

এদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খামারিরা শীতে রোগবালাইয়ের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত মুরগি বিক্রি করে দেওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। তারা বলেন, ‘শীতে খামার থেকে দ্রুত মুরগি চলে আসে, চাহিদাও কিছুটা কম থাকে; তাই দাম কিছুটা কম রাখা যায়।’

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় কোনো বাধা না এলে শীতকালজুড়ে সবজির এই সহনীয় দাম বজায় থাকতে পারে।

তারা বলছেন, শীতের আগমনে রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির ভরপুর সরবরাহ ও তুলনামূলক কম দাম সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। নিত্যপণ্যের বাজারে এই ইতিবাচক ধারা কিছুদিন হলেও স্থায়ী থাকবে— এমনটাই প্রত্যাশা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের।

লেমুয়া বাজারে জামেয়া এমদাদুল উলুম মাদরাসার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম
লেমুয়া বাজারে জামেয়া এমদাদুল উলুম মাদরাসার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

রমজানের সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়াতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলা; দোয়া পরিচালনা করেন মোহতামিম মাওলানা জাফর আহমেদ

ফেনী জেলার লেমুয়া বাজারে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া এমদাদুল উলুম লেমুয়া মাদরাসার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরতে এবং সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ মাহফিলে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

রমজানের পবিত্র আবহে আয়োজিত এ ইফতার মাহফিলকে ঘিরে বিকেল থেকেই মাদরাসা প্রাঙ্গণে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মাদরাসার শিক্ষার্থীরা অতিথিদের বরণ করে নেন এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়।

ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অতিথিরা রমজানের শিক্ষা, দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব এবং সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদরাসার সম্মানিত মোহতামিম মাওলানা জাফর আহমেদ। দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করা হয়।

একই সঙ্গে মাদরাসার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং ভবিষ্যতে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন লেমুয়া ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন চম্পাকলির সাবেক সভাপতি শেখ ফরিদ, লেমুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কামরুল ইসলাম, দৈনিক প্রবাহন নিউ টিভির ফেনী জেলা স্টাফ রিপোর্টার আবু বক্কর ছিদ্দিক, দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ ফেনী জেলা প্রতিনিধি ও প্রবাহ নিউজ টিভির সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা জাফর আহমেদ বলেন, পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি, সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, “রমজান আমাদেরকে শুধু রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখে না; বরং এটি আমাদের আত্মিক উন্নয়ন ও নৈতিক চরিত্র গঠনের পথ দেখায়।

এই ধরনের ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হওয়ার সুযোগ পায়। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় হয়।”

তিনি আরও বলেন, মাদরাসাগুলো শুধু দ্বীনি শিক্ষাই প্রদান করে না, বরং সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

“আমরা চাই এই মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীরা দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক,”—যোগ করেন তিনি।

লেমুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কামরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, রমজান মাস মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, ত্যাগ ও আত্মসংযমের শিক্ষা দেয়।

তিনি বলেন, “এই মাস আমাদেরকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। সমাজে ন্যায়, শান্তি ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।

মাদরাসাগুলো আমাদের সমাজের নৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

সামাজিক সংগঠন চম্পাকলির সাবেক সভাপতি শেখ ফরিদ বলেন, সমাজের কল্যাণে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করে।

জামেয়া এমদাদুল উলুম লেমুয়া মাদরাসা যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।” তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিক আবু বক্কর ছিদ্দিক ও মোহাম্মদ হানিফ বলেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ধর্মীয় শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তারা বলেন, “দ্বীনি শিক্ষা মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে সহায়তা করে এবং সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।” তারা মাদরাসার উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসারে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান। অনেকেই বলেন, রমজান মাসে এ ধরনের আয়োজন মানুষকে একত্রিত করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে মাদরাসার পক্ষ থেকে সকল অতিথি ও উপস্থিতিদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

ইফতার শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শিবগঞ্জে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১

রিপন আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
শিবগঞ্জে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবি’র পৃথক দুইটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় মাদক সহ একজনকে আটক করা হয়েছে। ১১ মার্চ গভীর রাতে এ অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়। প্রথম অভিযানে সোনামসজিদ বিওপি’র একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর হঠাৎপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় শিবগঞ্জ উপজেলার আড়গাড়া চকসিরামপুর গ্রামের মোঃ খাইরুল ইসলামের ছেলে , মোঃ আলীম (৩২) কে ফেন্সিডিলের বিকল্প ৩৭৭ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসক্যাপ ডিএক্স সিরাপসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। অপর অভিযানে চকপাড়া বিওপি’র একটি টহল দল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের নামোচকপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে ফেন্সিডিলের বিকল্প ৫০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসক্যাপ ডিএক্স সিরাপ এবং ৩১৭০ পিস নেশাজাতীয় টেনসিউইন ট্যাবলেট জব্দ করে। তবে এ অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আটককৃত আসামি ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) গত তিন মাসে সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১১ জন আসামিসহ প্রায় ৪৬০০ বোতল ফেন্সিডিলের বিকল্প বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ করেছে।

এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দেশের যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মো: তরিকুল ইসলাম মহম্মদপুর (মাগুরা)

বিনোদপুরে অঙ্গাত কুকুরের আতঙ্ক

মো: তরিকুল ইসলাম মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
বিনোদপুরে অঙ্গাত কুকুরের আতঙ্ক

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিনোদপুর বি.কে. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশের এলাকায় একটি অঙ্গাত কুকুরের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

প্রতিদিন স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরটি বাজার ও স্কুলের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে কামড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মোমেন বলেন,
“কুকুরটা হঠাৎ করেই মানুষকে তেড়ে আসে। কয়েকজনকে কামড়ানোর ঘটনাও শুনেছি। স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা খুব ভয়ে থাকে।”

ভুক্তভোগী স্কুল মার্কেটের দোকানদার আরব আলী বলেন,
“প্রতিদিন বাজারে অনেক লোকজনের যাতায়াত থাকে। কুকুরটার কারণে সবাই আতঙ্কে থাকে। দ্রুত প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, না হলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

error: Content is protected !!