বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

৩০০ কোটি সম্পত্তির মালিক কপিল শর্মা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২৯ এএম | 92 বার পড়া হয়েছে
৩০০ কোটি সম্পত্তির মালিক কপিল শর্মা

ভারতের ছোটপর্দার জনপ্রিয়তম সঞ্চালক কপিল শর্মা। হাস্যকৌতুক আর নিজস্ব ঢঙের মাধ্যমে তিনি কেবল দর্শকদের মন জয় করেননি, উপার্জনের নিরিখেও ছোটপর্দার প্রায় সব অভিনেতা-অভিনেত্রীকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। পাঞ্জাব থেকে সামান্য পুঁজি নিয়ে মুম্বাইয়ে আসা এই মানুষটির প্রথম জীবনের আয় ছিল মাত্র ৫০০ টাকা।

সেখান থেকে আজ দেশ-বিদেশে বাড়ি, সিনেমা, ব্যবসা মিলিয়ে তিনি ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক! কপিলের এই অবিশ্বাস্য উত্থানের পেছনের রহস্য কী? ২০০৭ সালে তিনি একটি ‘কমেডি শো’-এর প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শুধু বিজয়ীই হননি, পুরস্কার হিসেবে জিতে নেন ১০ লাখ টাকা।

এই জয় রাতারাতি তাকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়। এরপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন কমেডি প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি প্রতিটি প্রতিযোগিতাতেই বিজয়ীর মুকুট ছিনিয়ে নেন।

 

উলিপুরে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বণ্টনে অনিয়ম

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম
উলিপুরে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বণ্টনে অনিয়ম

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বণ্টনে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতিমা তোকদারের নেতৃত্বে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান এবং শিক্ষা অফিসের সদ‌্য সা‌বেক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক হাবিবুর রহমানের সহায়তায় ভাতা বণ্টনের নামে অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। অভিযোগে স্বজনপ্রীতি, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ আত্মসাত ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি উঠে এসেছে।

জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকজন শিক্ষক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ‌্যাকাউন্টসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শিক্ষক সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে প্রায় এক কোটি টাকা শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বরাদ্দ পেলেও তা যথাযথভাবে শিক্ষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। বরং অর্থের একটি অংশ ফেরত পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে।

পরবর্তীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পুনরায় প্রায় একই পরিমাণ বরাদ্দ এলে তা বণ্টনের ক্ষেত্রে অসংগতি ও অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, কোনো শিক্ষককে মূল বেতনের চেয়ে বেশি, কাউকে কম এবং কাউকে একই ভাতা দুইবার দেখিয়ে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে একই স্মারক নম্বর (১০০১) ব্যবহার করে ২৬৮ জন শিক্ষকের জন্য ৬২ লাখ ১১ হাজার ১৬০ টাকার বিল পাস করিয়ে সোনালী ব্যাংক (পিএলসি), উলিপুর শাখায় পাঠানো হয়। একই তারিখে ১০০২ নম্বর স্মারকে ৩৭ জন শিক্ষকের জন্য ৮ লাখ ৩ হাজার ৯৮০ টাকার বিল করা হলেও সংশ্লিষ্ট নথি অদৃশ্য রয়েছে।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, পশ্চিম নাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আলমগীর হোসেনকে ২০ হাজার ৪২০ টাকা করে দুইবার ভাতা প্রদান করা হয়েছে। হারুনেফরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রওশন আক্তারকে তিন বছর পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও ২০ হাজার ৮১০ টাকা প্রদান করা হয়েছে, যা তার মূল বেতনের তুলনায় ১ হাজার ৪৪০ টাকা কম।

এছাড়া, উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী হাবিবুর রহমানের স্ত্রী হোকডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আইরিন বেগমসহ ১৬ জন শিক্ষককে প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি ভাতা প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে, সাতদরগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাছিমা আফরোজসহ ১২ জন শিক্ষককে মূল বেতনের চেয়ে কম ভাতা দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, একই তারিখ ও স্মারক নম্বর ব্যবহার করে দ্বৈত বিল পাস করা রহস্যজনক এবং এতে অর্থ আত্মসাতের আশঙ্কা রয়েছে। তারা আরও জানান, প্রাপ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষক এই ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতিমা তোকদার হলেন এই বিষয়ের আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তা তিনি সকল দায়-দায়িত্ব বহন করেছেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতিমা তোকদার বলেন, ‘ভুলবশত কোনো শিক্ষককে বেশি বা দ্বৈত ভাতা প্রদান হয়ে থাকলে ট্রেজারির মাধ্যমে তা ফেরত নেওয়া হবে। আর যাদের কম দেওয়া হয়েছে, তাদের সমন্বয় করে দেওয়া হবে।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, ভাতা বণ্টনে অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিখোঁজ সংবাদ

মো. আরফান আলী প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ পিএম
নিখোঁজ সংবাদ

মোছাঃ রসনা আক্তার (৬৫), ১৮ মার্চ ২০২৬, আনুমানিক রাত ৩টার দিকে টঙ্গী এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি।

পরিচিতি:
বয়স: ৬৫ বছর
গায়ের রং: শ্যামলা
উচ্চতা: প্রায় ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি
শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ।

যদি কোনো সহৃদয় বান ব্যক্তি তাকে কোথাও দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত নিচের নম্বরে যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ:
মোবাইল: 01736584759
বিকল্প: 01773777687

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, মানুষের মনে জাগিয়েছেন আশার আলো

অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৪ পিএম
অকুতোভয় কলমযোদ্ধা ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: নোয়াখালী সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

সাংবাদিকতা মানেই সত্যের সন্ধান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আর সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ। সেই আদর্শকে বুকে ধারণ করে নোয়াখালী জেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। তিনি বর্তমানে সেনবাগ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, সেনবাগ উপজেলা শাখার সভাপতি, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির যুগ্ম আহবায়ক, ন্যাশনাল রিপোর্টার্স ইউনিটি ফোরাম এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং দৈনিক উপকন্ঠ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাতীয় দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। বিভিন্ন দৈনিক প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় তাঁর প্রেরিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার হওয়ায় দৃষ্টি নন্দন কয়েকটি ভাইরাল নিউজ মানুষের মাঝে আশার আলো জুগিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নির্ভীক ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তাঁর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সমাজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে।

সাংবাদিকতায় তাঁর এই সাহসী পদচারণা তাকে নোয়াখালীর গণমাধ্যম অঙ্গনে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘অকুতোভয় কলমযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। সত্য প্রকাশে তিনি কখনোই আপোস করেননি—যা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, ড. আবু নাছেরের মতো সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের হাত ধরেই সমাজে ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাঁর প্রতিটি প্রতিবেদন শুধু সংবাদ নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের একেকটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

এদিকে, তাঁর এই অবদানের জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশংসা ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একইভাবে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। সাংবাদিকতার অঙ্গনে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের শুধু একটি নাম নয়, বরং একটি সাহস, একটি আদর্শ এবং একটি পরিবর্তনের প্রতীক।

error: Content is protected !!