মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

মোঃ ওমর ফারুক (সানি), স্টাফ রিপোর্টার

চাটমোহরে হামলা, মারপিট ও ঘরবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

Md. Omar Faruk (Sunny)
Md. Omar Faruk (Sunny) - Staff Reporter, Pabna District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:০১ পিএম | 107 বার পড়া হয়েছে
চাটমোহরে হামলা, মারপিট ও ঘরবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের মারিয়াস্থল মৌজায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, মারপিট ও বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে ও বিকেলে। এ ঘটনায় তিনটি বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলা ও মারপিটে মারাত্মক আহত হয়েছেন দুইজন। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন আব্দুল মজিদের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও ইমদাদুল মাস্টারের ছেলে বাবলু হোসেন। মারিয়াস্থল গ্রামের আলমগীর গং ও রবিউল-আশরাফুল গং এর মধ্যে এই বিরোধ চলছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগে জানা গেল, মঙ্গলবার সকালে আশরাফুল গং এর লোকজন জমিতে সার ছিটাতে গেলে আলমগীর-শিমুল গং সশস্ত্র অবস্থায় তাদের উপর হামলা করে মারপিট করে। তাদের মারপিটে শরিফুল ও বাবলু মারাত্মক আহত হন। এদিন বিকেলে আশরাফুল গং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আলমগীর গং এর বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে বলে অভিযোগ। তারা হামলা চালিয়ে আলমগীর, শিমুল ও মজনুর বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করে। এসময় গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগী লুটপাট করা হয় বলেও অভিযোগ।

শিমুলের স্ত্রী শাপলা খাতুন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে আশরাফুল-নজরুল গং অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। আমাদের হত্যারও চেষ্টা করে। পুলিশের সাহায্য চেয়েও সময়মতো পাইনি যদিও আশরাফুল গং এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, নিজেরাই ভাংচুর করে আমাদের উপর মিথ্যে অভিযোগ করছে।

হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত হয়েছেন ২ জন। হারিয়ে যাওয়া গরু ও ছাগল উদ্ধার করে শিমুল গং কে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, হান্ডিয়াল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রবিউল করিম মাস্টার, তার ভাই আব্দর রহমান, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মজিদ, শামসুল আলম, নজরুল, নজির প্রামানিক গং ক্রয়সূত্রে মারিয়াস্থল মৌজার ৮ একরের বেশি জমির মালিক। দীর্ঘ প্রায় ৪ যুগ ধরে তারা এই জমি ভোগদখল করে আসছেন। এসএ রেকর্ড ও আরএস রেকর্ড তাদের অনুকূলে।

মারিয়াস্থল মৌজার ১১ একর ৬০ শতাংশ জমির ডিএস রেকর্ড অনুযায়ী মালিক নুরুল হক সরকার গং। ১৯৫১ সালে ওই জমি নিয়ে খাজনার মামলা করেন সরকার পক্ষ। মামলায় সমস্ত জমি সরকারি হয়ে যায়। পরবর্তীতে সরকার নিলামে ওই জমি বিক্রি করেন। এলাকার বাসিন্দা শশধর হলদার নিলামে জমি ক্রয় করেন। এরপর শশধর হলদারের নামে এস এ রেকর্ড হয়। এরপর রবিউল করিম-আঃ মজিদ গং ৮ একরের বেশি জমি ক্রয় করে ৪৫ বছর ধরে ভোগদখল করছেন। সম্প্রতি প্রতিপক্ষ আলমগীর হোসেন গং এই জমি নিজেদের দাবি করে জবরদখলের অপচেষ্টা করছেন। এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ইতোপূর্বে একাধিবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জমির ধান কেটে নেওয়াসহ বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙ্চুর হয়। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ একাধিবার বৈঠক করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের সিদ্ধান্ত দেন, দীর্ঘদিন ধরে এক পক্ষ জমি চাষাবাদ করছে,তাদের নামে এসএ ও আরএস রেকর্ড। আইনগতভাবে জমি তারাই পাবেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ আলমগীর গং এ সিদ্ধান্ত মানতে রাজি নন। তারা যেকোন মূল্যে জমির দখল চায়।

কাজিপুরে হৃদরোগে তেল ব্যবসায়ীর মৃত্যু, শোক প্রকাশ প্রেসক্লাবের

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫১ এএম
কাজিপুরে হৃদরোগে তেল ব্যবসায়ীর মৃত্যু, শোক প্রকাশ প্রেসক্লাবের

কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক সদস্য ও দৈনিক আজকের খবর কাজিপুর প্রতিনিধি এবং সিরাজগঞ্জ কণ্ঠ-এর স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মো লিমন খানের পিতা রফিকুল ইসলাম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

জানা যায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে চালিতাডাঙ্গা জামে মসজিদে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনরা তাকে কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। পরে সেখানে নেওয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬০ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন সুনামধন্য তেল ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন।

তার মৃত্যুতে কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

মরহুমের নামাজে জানাজা মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সিবি দুর্গতিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার

এনামুল হক রাশেদীঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম
কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার

বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে।

কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে।
১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে।
তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।

পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ

দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে।
তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।
মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল
বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় মো. খোকন (৩২) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশটি আগুনে পোড়ানো অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, গতকাল রোববার ৫ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে চাটখিল পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মন্ত্রী পোল সংলগ্ন ঝোঁপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত খোকন ওই এলাকার হোসেন আলী পাটোয়ারী বাড়ির মো. ফারুক হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, খোকন পেশায় একজন দিনমজুর ছিল। গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে খোকন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৯০) করা হয়।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দুর্বৃত্তরা অন্যত্র তাকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করে লাশ চাটখিল পৌরসভার দৌলতপুর গ্রামের মন্ত্রী পোল সংলগ্ন ঝোঁপের মধ্যে ফেলে যায়। পরে রোববার রাতে স্থানীয়রা ঝোঁপের মধ্যে অর্ধগলিত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ওসি আব্দুল মোন্নাফ আরও বলেন, লাশটি পোড়ানো মনে হচ্ছে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট না পেলে কিছু বলা যাচ্ছেনা। তবে এটি প্রাথমিক ভাবে হত্যাকান্ড বলে মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

error: Content is protected !!