মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ এখন

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে ফেনীতে সচেতনতার জোয়ার

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:২৯ পিএম | 95 বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে ফেনীতে সচেতনতার জোয়ার

মানবাধিকার সুরক্ষায় ঘরে ঘরে সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর CEHRLA; মাঠপর্যায়ের নেতৃত্বে অনন্য ভূমিকা রাখছেন আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ—চট্টগ্রাম বিভাগে বিস্তৃত কার্যক্রমের অঙ্গীকার আবুল কাশেমের
ফেনীতে মানবাধিকারের আলো ছড়িয়ে দিতে CEHRLA-এর অদম্য প্রচেষ্টা
আজ ১০ ডিসেম্বর—আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। মানব মর্যাদা, স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও সমতার প্রতি বিশ্বের সার্বজনীন অঙ্গীকারকে স্মরণে রাখতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য—“আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ এখন”—মানবাধিকারের সুরক্ষা ও প্রয়োগে নতুন করে দৃষ্টি দিতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানায়।

এই উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা CEHRLA ফেনীতে ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নেয়। সংগঠনের ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ মানবাধিকার সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

“ফেনীর প্রতিটি ঘরেই মানবাধিকার সেবা পৌঁছে দেবে CEHRLA”—পরিচালক হানিফের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি
বক্তব্যে তিনি বলেন,
“ফেনী জেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কার্যক্রম পৌঁছে দিতে পারলেই আমাদের কাজের সার্থকতা আসবে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা কোনো বিলাসিতা নয়; এটি মানুষের জন্মগত অধিকার।”

তিনি আরও জানান, আগামী বছরে CEHRLA তৃণমূল পর্যায়ে জরুরি আইনি সেবা, নির্যাতিত নারী–শিশুর সুরক্ষা এবং মানবপাচার প্রতিরোধে নতুন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী বাড়ানো হবে।

চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মাহমুদের মানবিক নেতৃত্বের প্রশংসা
পরিচালক হানিফ গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন—
“এই মহান পেশায় আমাকে সম্পৃক্ত করার জন্য এবং মানবসেবার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাহমুদুল হাসান মাহমুদ স্যারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁর মানবিক নেতৃত্ব, দূরদর্শী দিকনির্দেশনা ও ত্যাগী ভাবনা আমাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করেছে।”

তিনি উল্লেখ করেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন আজ বৈশ্বিক উদ্বেগের অন্যতম প্রধান কারণ। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, মানবপাচার, বৈষম্য এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা—এই সবকিছু মোকাবিলায় সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।

“মানবাধিকার রক্ষা আমাদের সবার দায়িত্ব”—সমাজের শক্তিকে এক মঞ্চে আনার আহ্বান
তিনি বলেন—
“রাষ্ট্র, সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় মানবাধিকার সুরক্ষা সম্ভব। কেউ একা পুরো সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না; সবাই মিলে এগিয়ে এলে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।”

তিনি সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, শিক্ষক, আইনজীবী, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ নাগরিকদের একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম বিভাগে কার্যক্রম বিস্তারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি—বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম এক বিবৃতিতে বলেন—
“আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার সম্মানিত কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান জনাব মাহমুদুল হাসান মাহমুদ সাহেব আমাকে যেই গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তা সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করব। চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি উপজেলায় CEHRLA’র কার্যক্রম পৌঁছে দিতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তিনি জানান, বিভাগে মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে জরুরি আইনি সেবা, নারী–শিশু সুরক্ষা সেল এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি নতুন মাত্রায় পরিচালিত হবে।

ফেনীতে কর্মসূচির জোয়ার—তৃণমূল মানুষের জন্য সেবার দরজা উন্মুক্ত
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে CEHRLA ফেনী আঞ্চলিক কার্যালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—

নারী ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতা ক্যাম্প
আইনি পরামর্শ বুথ
মানবপাচার প্রতিরোধ প্রচারণা
স্কুল–কলেজে মানবাধিকার শিক্ষা সেশন
জনসচেতনতা র‌্যালি
পরিচালক হানিফ বলেন—
“মানবাধিকারের আলো সমাজের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে দিতে হবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গড়াই হোক আমাদের আজীবনের অঙ্গীকার।”

উপসংহার
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি মানবতার প্রতি দায়বদ্ধতার নতুন শপথ। ফেনী ও চট্টগ্রাম বিভাগে CEHRLA-এর কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হলে দেশে মানবাধিকার সুরক্ষার নতুন অধ্যায় সূচিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!