শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

বাড়ির রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া

তাড়াশে ১৫ দিন ধরে অরুদ্ধ দু’টি পরিবার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৮ পিএম | 112 বার পড়া হয়েছে
তাড়াশে ১৫ দিন ধরে অরুদ্ধ দু’টি পরিবার

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে ১৫ দিন ধরে অরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে দু’টি পরিবারকে। ফলে ওই দু’টি পরিবারের স্কুলগামী ছেলে-মেয়েসহ অন্যান্য লোকজন একান্ত প্রয়োজনীয় কাজেও বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তালম ইউনিয়নের উপর সিলোট গ্রামে।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের সাইফুল ইসলামের নামে আইনুল হক মিথ্যা মামলা দায়ের করলে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। খলিলুর রহমান ও আব্দুল জলিল চাচাতো ভাই সাইফুলে পক্ষ অবলম্বন করে। এরই জের ধরে আইনুল তার ভাই ওর্য়াড আ’লীগের সভাপতি জয়নুলের পরামর্শে বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবেশি খলিলুর রহমান ও আব্দুল জলিল পরিবারকে অবরুদ্ধ করে। বিষয়টি একাদিকবার গ্রামে সালীশ বৈঠক হলেও তারা ওই দুই প্রতিবেশি পরিবারকে মুক্ত করে দেয়নি।
এ ব্যাপরে অবরুদ্ধ পরিবার প্রধান খলিলুর রহমান বলেন, আইনুল আমার চাচাতো ভাই সাইফুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিলে আমার সাইফুলের পক্ষ অবলম্বন করি। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে আইনুল আমাদের দ্’ুটি পরিবারকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ রেখেছে। পরিবারের ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। আমরাও একান্ত প্রয়োজনীয় কাজেও বাড়ির বাইরে যেতে পারছি না।
এ প্রসঙ্গে আইনুল হক বলেন, আমার জায়গার উপর দিয়ে ওদের চলাচলের পথ। সে পথ আমি বেড়া দিয়ে বন্ধ করেছি। এতে কার বাপের কি ? আমি বেড়া উঠাবো না।
তালম ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ নাজির উদ্দিন বলেন, ঘটনা স্থলে গ্রাম পুলিশ প্রধানকে পাঠিয়েছি। উভয় পক্ষকে নিয়ে সমস্য সমাধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তাড়াশ থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান বলেন, অবরুদ্ধ থাকা পরিবারের বিয়ষটি নিয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!