মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

নওগাঁয় বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের মালিক পলাতক আসামী নাজিম উদ্দিন তনু গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩২ এএম | 218 বার পড়া হয়েছে
নওগাঁয় বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের মালিক পলাতক আসামী নাজিম উদ্দিন তনু গ্রেফতার

অতিরিক্ত মুনাফার লোভ দেখিয়ে বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ৬‘শ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি বৃহৎ প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. নাজিম উদ্দিন তনু (৩৭)। তিনি নওগাঁ জেলার জগৎসিংহপুর এলাকার বাসিন্দা এবং ‘বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশন’ নামের কথিত এনজিওর পরিচালক হিসেবে পরিচিত।

সিআইডির এলআইসি ইউনিট আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য বিশ্লেষণ ও ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তনুর অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদরের অফিসপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশন’ (রেজি. নং রাজ–৩৭০)-এ শত শত গ্রাহক সঞ্চয় জমা, মাসিক ডিপিএস এবং এককালীন ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিবন্ধন করেছিলেন। অনেকে এককালীন আমানত হিসেবেও জমা দেন লাখ লাখ টাকা।

গ্রাহকদের লভ্যাংশের প্রলোভন হিসেবে বলা হতো, প্রতি ১ লাখ টাকার বিপরীতে মাসে ২ হাজার টাকা লভ্যাংশ। বাদীর নিজস্ব আমানত ছিল ২০ লাখ টাকা। দাবি করা হয়, প্রতিষ্ঠানে মোট প্রায় ১৫০ কোটি টাকার আমানত ছিল বিভিন্ন গ্রাহকের।

তদন্তে উঠে এসেছে, শুরুতে পরিচালনা পরিষদ নিজেদের মনোনীত কিছু গ্রাহককে নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটির প্রতি জনআস্থা তৈরি করে। সেই আস্থার সুযোগ নিয়েই প্রতারক চক্রটি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সঞ্চিত অর্থ হাতিয়ে নেয়। ২০২৪ সালের আগস্টের পর প্রতিষ্ঠানটির লেনদেনে অস্বচ্ছতা দেখা দেয়। গ্রাহকরা আমানতের হিসাব পাচ্ছিলেন না, উত্তোলনেও নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছিল।

অভিযোগ পাওয়া সত্ত্বেও পরিচালক নাজিম উদ্দিন আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন। একপর্যায়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে গ্রাহকরা নওগাঁ অফিসে অর্থ ফেরতের দাবি জানাতে গেলে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তাদের কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। পরে গ্রাহকদের জোর করে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর এক ভুক্তভোগী ১২ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে নওগাঁ সদর থানায় মামলা (নং–২০) দায়ের করেন। এতে পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। প্রাথমিক তদন্তে এখন পর্যন্ত ৮০০-র বেশি গ্রাহকের কাছ থেকে পাঁচ শতাধিক কোটি টাকা আত্মসাৎ করার তথ্য সিআইডি পেয়েছে, যা আরও বাড়তে পারে।

মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির নওগাঁ জেলা ইউনিট। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এখন পর্যন্ত নাজিম উদ্দিন তনুসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্তকরণ, অবৈধ অর্থপ্রবাহ উদঘাটন এবং আদায় হওয়া অর্থ আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নওগাঁ সদর থানার ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী জানান বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশন নওগাঁর পরিচালক নাজিম উদ্দিন তনুর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ৬‘শ কোটি টাকা আত্মসাতের কয়েকটি মামলা চলমান তার বিরুদ্ধে থানায় গ্রেপ্তারী পরয়ানা আছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে চেকের মামলা সহ সিইডিতে মামলা চলমান এই মামলায় তাকে ঢাকা হতে সিআইডির একটি গয়েন্দা টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে আটক করে।

বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশনের গ্রাহকদের মধ্যে একটি মামলার বাদী সুলতানপুর গ্রামের তানজিলা আক্তারমুক্তা ৪কোটি ৭২ লক্ষ্য ৮ হাজার ৮শ দুই টাকা দাবি করে ৪০/৫০ জন গ্রহকের পক্ষে নওগাঁ সদর থানায় মামলা করে। মামলায় চার্জসিট প্রদান করা হয়েছে। মামলায় বন্ধু মিতালী ফাউন্ডেশন নওগাঁর পরিচালক নাজিম উদ্দিন তনু ও মামুনুর রশিদ মামুন সহ ১৩ জনের নামে মামলা করলে থানা পুলিশ মামুনুর রশিদ মামুন আটক করলেও পালাতক ছিলেন নাজিম উদ্দিন তনু ।

অপর এক মামলার বাদী মাহিমা বানু লাকি নিজের ২০ লক্ষ্য টাকা সহ প্রায় দেড় থেকে দুইশ গ্রহকের দুই তিন শ টাকা দাবি করে নওগাঁ সদর থানায় মামলা করে।

নতুন এক প্রজন্ম — “জিলেনিয়াল”

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
নতুন এক প্রজন্ম — “জিলেনিয়াল”

বর্তমান সময়ে প্রজন্মভিত্তিক আলোচনা খুবই জনপ্রিয়। আমরা প্রায়ই শুনি মিলেনিয়াল (Millennials) বা জেন–জি (Gen Z) সম্পর্কে। কিন্তু এই দুই প্রজন্মের মাঝখানে থাকা এক বিশেষ গোষ্ঠী আছে — যাদের বলা হয় “জিলেনিয়াল (Zillennials)”। 🤔
📌 জিলেনিয়াল কারা?
জিলেনিয়ালরা সাধারণত ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মানুষদের বোঝায়। তারা এমন এক সময় বড় হয়েছে, যখন পৃথিবী এনালগ থেকে ডিজিটাল যুগে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল।
📱 তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?
✅ শৈশব কেটেছে ক্যাসেট, সিডি, ডায়াল-আপ ইন্টারনেটের যুগে
✅ কৈশোরে পেয়েছে স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্ফোরণ
✅ প্রযুক্তির সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বেশি
✅ মিলেনিয়ালদের মতো বাস্তববাদী, আবার জেন–জির মতো ট্রেন্ড সচেতন
💡 কেন তারা আলাদা?
জিলেনিয়ালরা দুই প্রজন্মেরই ভালো দিকগুলো ধারণ করে। তারা একদিকে নস্টালজিক — পুরনো দিনের স্মৃতি ধরে রাখতে ভালোবাসে 🎞️, অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইলও দ্রুত গ্রহণ করে 🚀।
🌐 কর্মক্ষেত্র, সামাজিক যোগাযোগ, এমনকি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তারা ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করে। তাই অনেক গবেষক মনে করেন — ভবিষ্যতের নেতৃত্বে এই প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সোনাগাজীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলে ক্লাসরুম সংস্কার কাজের উদ্বোধন

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
সোনাগাজীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলে ক্লাসরুম সংস্কার কাজের উদ্বোধন

সোশ্যাল এইড-এর বাস্তবায়নে ও কারামা সলিডারিটি-এর অর্থায়নে শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ; শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত

সোনাগাজী উপজেলা-এর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে একটি ক্লাসরুম সংস্কার প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোশ্যাল এইড-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নে এবং কারামা সলিডারিটি-এর অর্থায়নে ভোর বাজার অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে এই সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
গত ৬ এপ্রিল বিদ্যালয়ের ডাঃ মাহবুব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোশ্যাল এইড-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম. নাছির উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন সোনাগাজী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আমিন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হক খান সজীব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারামা সলিডারিটির কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মোহাম্মদ আলী সোহেল, সোশ্যাল এইড-এর নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার বাবুল আকতার, প্রজেক্ট প্ল্যানিং ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা ইসহাক এম. সোহেল এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোশ্যাল এইড-এর ডকুমেন্টেশন ও কমিউনিকেশন অফিসার বায়েজীদ আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও কৃষকদল নেতা মনির আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা।
সংস্কার কাজের বিস্তারিত
এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়ে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
৩টি ক্লাসরুমের সংস্কার ও রং করা
একটি গার্লস কর্নার ও তার সিলিং নির্মাণ
বারান্দার ফ্লোর ঢালাই ও নেট ফিনিশিং
নতুন ইলেকট্রিক ওয়্যারিং ও ৬টি সিলিং ফ্যান সংযোজন
৪০ জোড়া নতুন ছাত্র বেঞ্চ সরবরাহ
৪৬ জোড়া বেঞ্চ মেরামত ও বার্নিশিং
৮টি টিচার্স টেবিল ও ৮টি চেয়ার
১টি নতুন দরজা এবং ৮টি দরজা সংস্কার
১৮টি জানালার সংস্কার
১টি কেবিনেট, খাট, তোশক, বালিশ ও বিছানার চাদর
নিরাপদ পানির জন্য ফিল্টার
ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত স্যানিটারি ও হাইজিন পণ্য
শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস
সংস্কারকৃত আধুনিক ও সুন্দর পরিবেশে ক্লাস করতে পেরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছে। শিক্ষক ও অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেছেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও স্থানীয় জনগণ সোশ্যাল এইড-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সোশ্যাল এইড ইতোমধ্যে সোনাগাজী উপজেলায় মোট সাতটি স্কুলের সংস্কার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে, যা শিক্ষা খাতে একটি প্রশংসনীয় অবদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই উদ্যোগ শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

error: Content is protected !!