সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

স্বামী-স্ত্রী মনের বনিবনা না হওয়ার অন্যতম কারণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ২:২৩ পিএম | 165 বার পড়া হয়েছে
স্বামী-স্ত্রী মনের বনিবনা না হওয়ার অন্যতম কারণ

দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রী মনের বনিবনা না হওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে, কেউ কারো পছন্দ-অপছন্দ এবং ইচ্ছের গুরুত্ব না দেয়া। সঙ্গী যখন আপনার পছন্দের ব্যাপারে গুরুত্ব দিবে, আপনার ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিবে, তখন তাকে ঠিক মনের মতো সঙ্গীই মনে হবে।
একইভাবে আপনি যখন সঙ্গীর পছন্দের ব্যাপারে যত্নবান হবেন, তার ইচ্ছেকে গুরুত্ব দিবেন, সেও আপনাকে তার মনের মতোই ভাবতে শুরু করবে। দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর পছন্দের প্রতি সম্মান এবং তার ইচ্ছের প্রতি গুরুত্ব থাকাটা খুবই জরুরী বিষয়।
খেয়াল করে দেখবেন, দাম্পত্য জীবন ঠিক তাদের কাছেই তিক্ততার হয়ে দাঁড়ায়, যারা সঙ্গীর পছন্দ -অপছন্দকে সম্মান করে না, গুরুত্ব দেয় না। সঙ্গীর চাওয়া-পাওয়ার মূল্য যার কাছে নেই, সে কখনোই মনের মতো হতে পারে না।
সঙ্গীর পছন্দকে সম্মান করা মানে, নিজের পছন্দ তার উপর চাপিয়ে না দেয়া। বরং পরস্পর যদি পরস্পরের পছন্দের প্রতি সম্মান রাখে, তবে সংসারের যাবতীয় বিষয় দু’জনের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হতে পারে খুব দারুণ ভাবে। যেখানে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই দু’জনের ব্যাপারে যত্নশীল ভূমিকা রাখতে পারে।
আপনি যখন সঙ্গীর ব্যাপারে সবসময় যত্নশীল আচরণ করবেন, ঠিক তখন তার কাছে আপনি মনের মতো সঙ্গী হতে পারবেন। ঠিক একইভাবে সেও যখন আপনার সব ব্যাপারে যত্নশীল আচরণ করবে, তখন তাকে মনের মতো সঙ্গী মনে হবে।
আসলে সঙ্গীর সাথে মনের বনিবনা ব্যাপারটা মানুষ সহজে এড়িয়ে যায় বলেই দাম্পত্য জীবন সুখের চাইতে বেশি যন্ত্রণার মনে হয়! পরস্পর পরস্পরের চাহিদা, চাওয়া-পাওয়া, পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান না করলে সংসারে আদৌ সুখ আসতে পারবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলার চন্দ্রা, মৌচাক, কোনাবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য তেল পাওয়া গেলেও সেখানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পাম্পে তেলের মজুত শেষ হয়ে গেছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, আগাম অর্থ জমা দিলেও সময়মতো তেল সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ করার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে, যা কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

জ্বালানি সংকটের কারণে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেক যানবাহন তেল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

error: Content is protected !!