বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

এক কালজয়ী আড্ডার উপাখ্যান

বটতলার ঝংকার: নওগাঁর অলংকার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২১ এএম | 89 বার পড়া হয়েছে
বটতলার ঝংকার: নওগাঁর অলংকার

নওগাঁ বাজারের হৃৎপিণ্ডে, যেখানে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া চারটি থানার সীমানা মিলেমিশে একাকার, সেখানে এক শতবর্ষী বটবৃক্ষ তার মহিমান্বিত শিখর ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে—যার নাম ঝংকার বটতলা।
১৩ নভেম্বর, সকালে মর্নিং ওয়াক সেরে আউয়াল মামার চায়ের আড্ডায় যখন মুন্নু, শিশির, বাবু, শিমুল, আলিম এবং আরিফ একসাথে বসেছিলেন, তখনই আব্দুল আলিম মাস্টার ছন্দে ছন্দে বলে উঠলেন: “বটতলার ঝংকার – নওগাঁর অলংকার।” এই কথাটিই যেন অতলান্ত স্মৃতিকে টেনে আনল, আর সেই ধারাবাহিকতায় লেখা হলো এই কালজয়ী আড্ডার উপাখ্যান।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তীর্থক্ষেত্র ও ‘নিলাঞ্জন নাট্যগোষ্ঠীর জয়’ ঝংকার বটতলা কেবল একটি স্থান নয়, এটি যেন নওগাঁর সাংস্কৃতিক ইতিহাসের স্পন্দন, শিল্প, সাহিত্য আর উচ্চ চিন্তার এক অমর আড্ডাস্থল। ৯০-এর দশক এবং তারও আগের স্মৃতিতে, এই বটতলা ছিল ঝংকার নবীন সংঘের প্রাণকেন্দ্র। এই সংঘের সদস্যরা ছিলেন শিল্প-সংস্কৃতির নিরলস সাধক। ঝংকার ক্লাবের ঘরে বসেই এদতাঅঞ্চলের জাতীয় পর্যায়ের নাট্যকর্মীরা তাদের স্বপ্ন বুনতেন। নিলাঞ্জন নাট্যগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নাট্যদল—যারা সমাজ ও সময়ের নানা অনিয়মকে মঞ্চে তুলে ধরতেন—তাদের আস্তানা ছিল এই ঝংকার নবীন সংঘ। মিচমেথুইর, করতকান্দি, বৃরায়নগর, নওগাঁ তেলিপাড়ার হিন্দু-মুসলিম সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল এই চত্বর। তাদের মঞ্চ নাটকগুলো তৎকালীন সমাজে শিক্ষা ও শিল্পকলার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
​স্মরণ করা যাক সেই সময়ের এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। একদা চারণ কবি মোনাজাত উদ্দিন এই পশ্চাদপদ চলনবিলের অমসৃণ মেঠো পথ পেরিয়ে অজপাড়া গাঁ মিচমেথুইর ও করতকান্দি গ্রামে এসেছিলেন। বৃন্দাবন দাস সহ অন্যান্য নাট্য ব্যক্তিত্বদের সাথে তিনি নিরঞ্জন নাট্যগোষ্ঠীর মঞ্চ নাটক দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তাদের সেই শিল্পকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ, পরবর্তীতে ঢাকার টিএসসি মুক্ত মঞ্চে এই শিল্পী গোষ্ঠী “এ সমাজ ভাঙলো যারা” নাটকটি মঞ্চস্থ করে সংস্কৃতি অঙ্গনে বেশ সুনাম কুড়িয়েছিল। সেই সফল নাট্যযাত্রার শুরুটা হয়েছিল এই ঝংকার বটতলার নবীন সংঘ থেকেই।
​এই গোষ্ঠীটির নেতৃত্বেই একসময় নওগাঁ বাজারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল দুটি ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল—’সোনালী সিনেমা হল’ এবং ‘সৈকত সিনেমা হল’।’
যাত্রাপালার মঞ্চ সমাজ বদলের মন্ত্র’ ঝংকার নবীন সংঘের পরিচালনায় এখানে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা। এই যাত্রাপালাগুলো কেবল বিনোদন ছিল না, ছিল সমাজকে বদলানোর এক শৈল্পিক প্রচেষ্টা। নবাব সিরাজদৌলা, লাইলি মজনুর প্রেম, শিরি ফরহাদ, সাগর ভাসা, বেদের মেয়ে জোসনার মতো অমর কাহিনিগুলো সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর আনন্দ ও চিন্তার খোরাক যোগাত। বর্তমানের আড্ডা, অতীতের স্মৃতি বর্তমানে এই ঝংকার বটতলা নওগাঁর প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। শতবর্ষী বটগাছটি আর তার সুবিশাল ছায়া যেন সকল সময়ের সাক্ষী। এর নিচে প্রতিদিনই বসে নানা পেশা, নানা চিন্তাধারার মানুষের চায়ের আড্ডা। শামসুলের কড়া চা আর সাহাদের সুগন্ধি খিলি পান—এই দুইয়ের মিশেলে আড্ডার মেজাজ আরোও জমে ওঠে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত কবি, লেখক-সাহিত্যিকরা আজও এই বটতলা থেকে আপ্যায়ন গ্রহণ করেন।
​তবে কালের বিবর্তনে, সেই সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব মানুষগুলি আজ বয়সের ভারে হাতে লাঠি, চোখে চশমা; কেউ কেউ পাড়ি জমিয়েছেন না-ফেরার দেশে। যেখানে একদিন শিল্প-সাহিত্যর গুঞ্জন ছিল, আজ সেখানে রাজনীতির হাওয়া। বর্তমান নেতারা এই আড্ডার জায়গাটিকেই নিজেদেরকে নেতা হিসেবে জাহির করার মঞ্চ করে তুলেছেন।
​করতোয়ার শাখা নদীর তীরে ঘেঁষে অবস্থিত এই ঝংকার বটতলাটি, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, বগুড়া, নর্থ বেঙ্গল এবং এমনকি রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত যাওয়ার পথের প্রবেশদ্বার।
​ঝংকার বটতলা তার অতীতের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ঝংকারকে তার ঐতিহ্য বহন করে; এটি বর্তমানের আড্ডা আর রাজনীতিকে ধারণ করে, এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক কালজয়ী সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আসন্ন ঈদুল উল ফিতর কে সামনে রেখে

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৭ এএম
ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কড়া নজরদারি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আসন্ন ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে ঈশ্বরদী এসপি সার্কেল প্রণব কুমার ও ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোমিনুজ্জামান এর নেতৃত্বে পুরো ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।

ঈশ্বরদীতে মাদক-জুয়া/অনলাইন জুয়া, বাজিতে লুডু খেলা, রাত ৮ টার পর মহল্লার অলিগলিতে কিশোর স্কুল পড়ুয়া উঠতি বয়সের ছেলেদের চায়ের দোকানে আড্ডা রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ নজরদারি জোরদার করেছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর ঈদের আগে আপনার এলাকায় বহিরাগত সন্দেহ জনক লোকের আনাগোনা দেখতে পেলে থানা পুলিশকে অবহিত করুন। ঈদে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের একাধিক টহল টিম রাত্রিকালীন পেট্রোলিং কার্যক্রম চালু করেছে। শিল্প নগরীর ৭ টি ইউনিয়ন, ১টি পৌর শহর ও হাইওয়ে মহাসড়কে টহল জোরদার করেছে। আপনারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে পুলিশ কে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
ঈশ্বরদী বাসীদের উদ্দেশ্যে সকল প্রকার সহযোগিতার জন্য উদাত্ত আহ্বান করেছেন।

 

উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৩ এএম
উখিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

(১১মার্চ) রোজ বুধবার উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার সভাপতিত্বে মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদারকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমার নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পিত শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
এসময় উপজেলা পর্য্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।মাসিক সাধারণ সভায় উখিয়া উপজেলার সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও জনকল্যাণমুখী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এহেচান উল্লাহ সিকদার। মাসিক সাধারণ সভার সভাপতি উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা তার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে জানান উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য বিভাগের সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে সাধারণ মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য সেবা পাই সেদিন কড়া নজরদারি রাখা হবে।

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ এএম
নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

নরসিংদীর জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি গত ৫ আগস্টের পরে চেয়ারম্যান পালিয়ে যাওয়ার পর ইউনিয়ন বাসিকে নিয়ে কাজ করছেন সুনাম ও দক্ষতার সাথে।
পুটিয়া ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে প্রতিটি এলাকার যে কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন অবিরত। এদিকে বিভিন্ন সেবা জয়িতা এসে সচিব আলতাফ হোসেন কে সাধুবাদ জানাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাতে পুটিয়া ইউনিয়ন বাসী গর্বিত।
সরকারি কর্মকর্তা হয়েও পুটিয়া বাসীর কাছে তিনি মানবিক জনসেবক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আলতাব হোসেন জানান পুটিয়া ইউনিয়ন এর উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আমার তীক্ষ্ণ নজরদারিতে সঠিক ও স্বচ্ছতা সবসময়। বিগত সময়ের নির্বাচিত চেয়ারম্যানদের তুলনায় বর্তমানে পুটিয়া ইউনিয়নে অনেক বেশি উন্নয়ন মুলক কাজ শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে। আমাল লক্ষ্য উদ্দেশ্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যদের নিয়ে পুটিয়া ইউনিয়ন কে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য সফল করতে, ইউনিয়নবাসী পাশে থাকলে পুটিয়া ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ।

error: Content is protected !!