রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

অঞ্জনা

অঞ্জনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:২১ পিএম | 130 বার পড়া হয়েছে
অঞ্জনা

অঞ্জনা দেবী, বয়স এখন ছেচল্লিশ। এক সময় সংসারে হাসি ছিল, স্বামী ছিলেন পাশে, মেয়েটা ছোট ছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন এক্সিডেন্টে স্বামী চলে গেলেন চিরদিনের মতো। তারপর থেকেই জীবনের গতি যেন থেমে গিয়েছিল। অফিসের ছোট চাকরি, সংসারের টানাপোড়েন, আর চারপাশের মানুষের ফিসফিসানি—সব মিলিয়ে অঞ্জনার দিনগুলো শুকনো, একঘেয়ে আর নিঃসঙ্গ হয়ে গিয়েছিল।
এক বিকেলে ক্লান্ত মনে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন কাছের লেকে। সূর্য তখন ডুবতে বসেছে। হঠাৎ এক তরুণ এগিয়ে এসে বলল,
“মাসিমা, আপনার ব্যাগটা খুলে যাচ্ছিল, তাই বন্ধ করে দিলাম।”
অঞ্জনা তাকালেন—মিষ্টি মুখ, সরল চোখ, বয়স আনুমানিক পঁচিশ। ছেলেটির নাম সৌরভ।
এরপর থেকে প্রায়ই দেখা হতে লাগল দু’জনের। কেউ কিছু বলেনি, তবু প্রতিবার দেখা হলে মনে হতো, কথাগুলো নিজের থেকেই বেরিয়ে আসে। বইয়ের দোকান, কফিশপ, লেকের ধারে—যেখানেই হোক, সৌরভ যেন একটা শান্তির আবহ নিয়ে আসে। বয়সের পার্থক্যটা যেন ধীরে ধীরে গলে যাচ্ছিল প্রতিটা কথায়, প্রতিটা হাসিতে।
অঞ্জনা ভাবতেন, “এ ছেলেটা এত কম বয়সে এত বোঝে কেমন করে?”
তার মনের ভেতর জমে থাকা ভয়, নিঃসঙ্গতা, একাকীত্ব—সব কিছু যেন ওর কাছে খোলামেলা হয়ে যেত।
একদিন সৌরভ হঠাৎ বলল,
“অঞ্জনা, আমি আর নিজেকে আটকাতে পারছি না। তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। আমি চাই, তুমি আমার জীবনসঙ্গী হও।”
অঞ্জনা অবাক। সমাজ কী বলবে? মেয়ে কী ভাববে? নিজের বয়সের সঙ্গে ওর বয়সের তুলনা করে মনে একরাশ প্রশ্নের ঝড় উঠল। কিন্তু হৃদয়ের ভেতর থেকে একটা মৃদু কণ্ঠ যেন বলল—“তুমি তো এত বছর শুধু বেঁচে আছো, এবার একটু বাঁচো।”
সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ এলো মেয়ের মুখে—
“মা, তুমি যদি সুখী হও, আমিও সুখী হবো। এই মানুষটা তোমার পাশে থাকতে চায়, ওকে হারিও না।”
তারপর একদিন, নিঃশব্দে, খুব সাধারণ আয়োজনের মধ্যেই তাদের বিয়ে হল। কেউ ঢাকঢোল পেটাল না, কিন্তু ভালোবাসার গন্ধে বাতাস ভরে গিয়েছিল।
আজ অঞ্জনা হেসে বলেন,
“ভালোবাসা বয়স মানে না। এটা সময়ের হিসেব নয়, এটা দুইটা হৃদয়ের মিলনের গল্প।”

শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

নিজের সন্তানকে সফল হিসেবে দেখতে কে না চায়? বিষয়টি কঠিন কিছু নয় বলে জানাচ্ছেন গবেষকেরা।

গবেষণা থেকে জানা যায়, ঘরের কাজ করতে জানা শিশুদের জীবনে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শৈশব মানে শুধু খেলাধুলা বা পড়াশোনা নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গড়ার উপযুক্ত সময়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা, বিশেষ করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের একটি গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে একটি ভিন্ন সম্ভাবনার কথা। গবেষণার ফলাফলে দাবি করা হয়েছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে ঘরের কাজে অংশ নেয়, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ঘরের ছোট ছোট কাজ শিশুদের মধ্যে এমন কিছু গুণ তৈরি করে, যা কোনো পাঠ্যবই শেখাতে পারে না। বৈজ্ঞানিক গবেষণার আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শৈশবের ছোট ছোট দায়িত্ব একটি শিশুকে মানসিকভাবে পরিপক্ব ও স্বাবলম্বী করে তোলে।

গবেষণা যা বলছে

হার্ভার্ড স্টাডি: ১৯৩৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে, সফল ব্যক্তিদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল, তাঁরা ছোটবেলায় নিয়মিত ঘরের কাজ করতেন। এটি তাঁদের মধ্যে শক্তিশালী ওয়ার্ক এথিকস বা কাজের প্রতি নিষ্ঠা তৈরি করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য: ২০১৯ সালের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, যেসব শিশু কিন্ডারগার্টেন থেকে ঘরের কাজে যুক্ত থাকে, পরবর্তী জীবনে তাদের গণিতের নম্বর এবং আত্মবিশ্বাস অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি হয়।

সঠিক সময়: মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণামতে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়সে শিশুকে ছোট কাজে যুক্ত করা ভালো। ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সে শুরু করলে তার প্রভাব ততটা কার্যকর হয় না।

আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ

গবেষণা বলছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে নিজের খেলনা গোছানো বা ঘর পরিষ্কারের মতো কাজে অংশ নেয়, তাদের মধ্যে একধরনের আত্মকার্যকারিতা তৈরি হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের এক বিখ্যাত গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে ঘরের কাজ করা শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় পেশাগত জীবনে অনেক বেশি সফল হয়। এর কারণ হলো, তারা খুব অল্প বয়স থেকে একটি কাজ শুরু করে তা শেষ করার আনন্দ ও তৃপ্তি অনুভব করতে শেখে। এই অভ্যাসের ফলে তারা বড় হয়ে যেকোনো কঠিন কাজকে ভয় না পেয়ে বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

সময় ব্যবস্থাপনা ও কর্মনিষ্ঠা

সাফল্যের একটি বড় শর্ত হলো সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করা। ঘরের কাজে নিয়োজিত থাকলে শিশুরা বুঝতে পারে, পৃথিবী শুধু তাদের ইচ্ছেমতো চলে না। তারা বুঝতে শেখে, পৃথিবীতে কিছু কাজ রুটিনমাফিক করতে হয়। পড়াশোনার ফাঁকে বা খেলার আগে নিজের কাপড় ভাঁজ করা বা থালাবাসন ধোয়ার মাধ্যমে তারা কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ করতে শেখে। এই অভ্যাস বড় হয়ে কর্মক্ষেত্রে তাদের সময়ানুবর্তী এবং অত্যন্ত নিষ্ঠাবান করে গড়ে তোলে।

সহমর্মিতা ও সামাজিক দক্ষতা

একটি শিশু যখন ঘরের কাজে হাত লাগায়, তখন সে পরোক্ষভাবে তার বাবা-মায়ের পরিশ্রমের মূল্য বুঝতে পারে। এটি তাদের মধ্যে গভীর সহমর্মিতা তৈরি করে। তারা বুঝতে শেখে যে একটি সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে পরিবারের সবার অবদান প্রয়োজন। এই টিমওয়ার্ক বা দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা তাদের সামাজিক সম্পর্কগুলোকে মজবুত করে এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজ করা শিশুরা অন্যদের চেয়ে বেশি বন্ধুবৎসল এবং পরোপকারী হয়।

স্বনির্ভরতা বনাম পরনির্ভরশীলতা

অনেক সময় অভিভাবকেরা ভালোবেসে শিশুদের সব কাজ নিজে করে দেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এটি শিশুদের জন্য আসলে ক্ষতিকর। এতে তারা পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং নতুন কিছু করার সাহস হারায়। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়স থেকে শিশুকে ছোট ছোট কাজে উৎসাহিত করলে তারা স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারে, নিজের যত্ন এবং নিজের চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্বটি একান্তই তাদের। এই স্বনির্ভরতা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে একাকী যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্য করে।

বয়স অনুযায়ী কিছু সহজ কাজের তালিকা

৩ থেকে ৫ বছরের শিশুদের খেলনা গুছিয়ে রাখা, ময়লা জামাকাপড় ঝুড়িতে রাখা, পোষা প্রাণীকে খাবার দেওয়ার মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত রাখতে পারেন। ৬ থেকে ৯ বছরের শিশুদের খাবার টেবিল গোছানো, নিজের বিছানা ঠিক করা, বাগান করা বা গাছে পানি দেওয়ার মতো কাজ করাতে পারেন। আর ১০ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের দিয়ে কাপড় ভাঁজ করা, ঘর মোছা বা ঝাড়ু দেওয়া, হালকা রান্না বা খাবার পরিবেশন করাতে পারেন।

নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই

একটি শিশু যখন প্রথমবার ঘর কিংবা থালাবাসন পরিষ্কার করবে, তা হয়তো নিখুঁত হবে না। কিন্তু অভিভাবক হিসেবে আপনার কাজ হলো তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করা। শিশুদের কাজ করে দিলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ হারাবে। মনে রাখতে হবে, আজকের ছোট ছোট কাজই ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্বশীল ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। শিশুদের ঘরের কাজ করানো মানে তাদের শৈশব কেড়ে নেওয়া নয়, বরং তাদের জীবনের বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা। এটি তাদের সৃজনশীলতা বাড়ায়, যুক্তি দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে শেখায় এবং সর্বোপরি একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তাই শিশুদের কাজ করতে দেওয়া শুধু ঘরের পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, বরং তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

সূত্র: সাইকোলজি টুডে

সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে সেনাবাহিনীর প্রধান

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম
সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে সেনাবাহিনীর প্রধান

সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) এই সফরে যান তিনি। আজ রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সফরকালে সেনাবাহিনীর প্রধান জর্জিয়া স্টেট ক্যাপিটলের উদ্যোগে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি সম্মাননা প্রস্তাব গ্রহণ এবং সিনেট চেম্বারে একটি বিশেষ লেকচার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়াও সেনাপ্রধানের যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

অফিসার ক্যাডেট পদে বিমানবাহিনীতে চাকরি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫১ পিএম
অফিসার ক্যাডেট পদে বিমানবাহিনীতে চাকরি

সম্প্রতি অফিসার ক্যাডেট পদে যোগদানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। ৯৪ বিএএফএ কোর্সে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: অফিসার ক্যাডেট।

পদসংখ্যা: অনির্ধারিত

শিক্ষাগত যোগ্যতা

জিডি (পি): মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক/সমমান উভয় পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ এবং পদার্থ ও গণিতে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘এ’ থাকতে হবে। জিসিই ‘ও’ লেভেলে পদার্থ, গণিতসহ কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘বি’ এবং ‘এ’ লেভেলে পদার্থ ও গণিতে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘বি’।

এটিসি/এডিডব্লিউসি: উভয় পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ এবং পদার্থ ও গণিতে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘এ’। ‘ও’ লেভেলে পদার্থ, গণিতসহ কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘বি’ এবং ‘এ’ লেভেলে পদার্থ ও গণিতে ন্যূনতম লেটার গ্রেড ‘বি’। এটিসি/এডিডব্লিউসি প্রার্থীদের শাখা এক বছর প্রশিক্ষণ শেষে নির্ধারণ করা হবে।

অন্যান্য যোগ্যতা

নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত/অবিবাহিতা

বয়সসীমা:

১৬ বছর ৬ মাস থেকে ২২ বছর (২৩ জুন

২০২৬ তারিখে), বয়সের ক্ষেত্রে হলফনামা গ্রহণযোগ্য নয়।

উচ্চতা: পুরুষ প্রার্থীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬৪ ইঞ্চি।

মহিলা প্রার্থীর ক্ষেত্রে জিডি (পি): কমপক্ষে ৬৪ ইঞ্চি, অন্যান্য শাখা: কমপক্ষে ৬২ ইঞ্চি।

বুকের মাপ: পুরুষ প্রার্থীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩২ ইঞ্চি, প্রসারণ: ২ ইঞ্চি। মহিলা প্রার্থীর ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২৮ ইঞ্চি, প্রসারণ: ২ ইঞ্চি।

ওজন: বয়স ও উচ্চতানুযায়ী।

সুযোগ-সুবিধা

প্রশিক্ষণকালীন অফিসার ক্যাডেটদের মাসিক ১০,০০০ টাকা বেতন পাবেন। প্রশিক্ষণ শেষে পদবি অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বেতন ও ভাতাদি প্রাপ্ত হবেন। এ ছাড়া দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ এবং সপরিবারে যাতায়াত ও সুচিকিৎসার বিশেষ সুবিধা রয়েছে।

নির্বাচনপদ্ধতি

প্রথমে প্রাথমিক লিখিত পরীক্ষায় আইকিউ, ইংরেজি, গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অংশ নিতে হবে। এরপর প্রাথমিক ডাক্তারি পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা এবং সর্বশেষ আন্তবাহিনী নির্বাচন পর্ষদ (আইএসএসবি) পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে।

আবেদনের নিয়ম

আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা লিঙ্কে প্রবেশ করে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত তথ্য জানুন এখানে

পরীক্ষা কেন্দ্র

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তথ্য ও নির্বাচনী কেন্দ্র, পুরাতন বিমানবন্দর, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।

আবেদনের শেষ সময়: আগামী ২৫ এপ্রিল ২০২৬।

সূত্র: বিজ্ঞপ্তি

error: Content is protected !!