বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

বন্ধুত্বের স্মৃতি ও তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে মুখরিত হীরক জয়ন্তী উৎসব

লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৬০ বছর পূর্তি উদযাপন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১৬ এএম | 156 বার পড়া হয়েছে
লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৬০ বছর পূর্তি উদযাপন

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৬০ বছর পূর্তি ও হীরক জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে দিনব্যাপী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় মুখর হয়ে ওঠে। “বন্ধুত্বের স্মৃতি, তারুণ্যের উচ্ছ্বাস”—এই শ্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে ছিল হাসি, কান্না আর শৈশব-কৈশোরের মধুর স্মৃতিচারণ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা মোরশেদ মিল্টন। তিনি বলেন, লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি এই অঞ্চলের আলোকবর্তিকা। ৬০ বছরের গৌরবময় ইতিহাসে এই প্রতিষ্ঠান অসংখ্য সুনাগরিক উপহার দিয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা প্রমাণ করে, লাঠিগঞ্জ কেবল শিক্ষার নয়—মানবতার প্রতীক।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন। তিনি বলেন, লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ আমাদের হৃদয়ের অংশ। শৈশব ও কৈশোরের প্রতিটি স্মৃতি এই প্রাঙ্গণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আজ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই মিলনমেলা আমাদের ঐক্য ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রুস্তম আলী। তিনি বলেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আমাদের গর্ব। তাদের সফলতা, ভালোবাসা ও অবদানই আমাদের ভবিষ্যতের অনুপ্রেরণা।

অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদত হোসেন খান সাগর। বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন লাঠিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ মিনহাজুল ইসলাম।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম আর ইসলাম রিপন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল হাসান রুহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মহব্বত আলী ও মশিউর রহমান সুমন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, সদস্য সুমন তরফদার, উপজেলা যুবদলের নির্বাহী সদস্যবৃন্দ সোহানুর রহমান সোহাগ, আবুল বাসার, গোলাম রাব্বি, আহসানুল হক, আনোয়ার, উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা ও গাবতলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিলন প্রমুখ।

পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থী মতিউর রহমান বলেন, এই মাঠে আমরা খেলেছি, ক্লাস করেছি, স্বপ্ন দেখেছি। আজ আবার সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শৈশবের দিনগুলো ফিরে পেলাম।প্রাক্তন ছাত্রী রুনু আক্তার বলেন,ছোটবেলার বন্ধুরা ও প্রিয় শিক্ষকদের দেখা পেয়ে মনটা ভরে গেছে। লাঠিগঞ্জ আমাদের জীবনের আবেগের নাম।প্রাক্তন শিক্ষার্থী উজ্জ্বল বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণই আমাদের জীবনের প্রকৃত দিশারি। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরা এক হয়েছি।

দিনব্যাপী উৎসবে সকাল থেকে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণ সভা, আলোচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। সন্ধ্যায় হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাচ, গান ও কবিতা পরিবেশনায় অংশ নেন মতিউর রহমান, মেহেদী হাসান মানিক, সিয়াম, সালমান, সাদ্দাম, সানি, সুজন, হাকিম, লিটন, রুনু, রাজ্জাক, কাফি, উজ্জ্বল, বাবু, রতন, আরিফ, রেজাউল, সাজাদুল, ইমদাদুল, রনি প্রমুখসহ নাম না জানা অসংখ্য প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী।

পুরো অনুষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ছিল প্রশংসনীয়। দিনশেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ মুখরিত হয় স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও ছবি তোলার উৎসবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন—লাঠিগঞ্জের এই বন্ধন আগামী প্রজন্মেও টিকে থাকবে ঐক্য, ভালোবাসা ও গৌরবের প্রতীক হয়ে।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!