রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২

এস এম সালমান হৃদয়, বগুড়া

রাজনীতিতে এক নিবেদিত প্রাণ সৈনিক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল করিম

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ১২:৪৫ পিএম | 206 বার পড়া হয়েছে
রাজনীতিতে এক নিবেদিত প্রাণ সৈনিক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল করিম

রাজনীতি তাঁর জন্য কোনো পেশা নয়, ছিল না কখনো ব্যক্তিস্বার্থের মাধ্যমও। বরং রাজনীতি তাঁর কাছে একটি ত্যাগের পথ, দেশের ও দলের জন্য নিবেদিত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান ব্রত। আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল করিম সেই বিরলপ্রজ নেতাদের একজন, যিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে এখন বিএনপির কাহালু উপজেলার শক্তিশালী ভিত্তির অন্যতম রূপকার। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কাহালু উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের প্রতিটি দুঃসময়ে তিনি ছিলেন অটল, কর্মীদের প্রেরণা দিয়ে সাহস জুগিয়েছেন মাটির কাছের ভাষায়, মাটির কাছের মানুষ হয়েই। ছাত্রজীবনে কাহালু হাই স্কুল থেকে শুরু করে সরকারি আজিজুল হক কলেজে পড়াকালীন সময়েই বিএনপির আদর্শে দীক্ষিত হয়ে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা তাঁকে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক দর্শনের ধারক করে গড়ে তুলেছে। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি একজন সৎ, দায়িত্বশীল এবং নিষ্ঠাবান শিক্ষক। বর্তমানে তিনি ডঃ আব্দুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষা অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, কাহালু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কাহালু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারি কল্যাণ সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষক সমাজ সংগঠিত হয়েছে, শক্তিশালী হয়েছে তাদের ন্যায্য দাবিতে। শুধু রাজনীতি ও শিক্ষকতাই নয়, ব্যবসায়িক সততাও তাঁর পরিচয়ের অংশ। তিনি মেসার্স এন.এস.পি ব্রিকস এবং সততা ট্রেডার্স এর সত্ত্বাধিকারী। ব্যবসায়িক অঙ্গনেও তিনি যেমন সৎ, তেমনি জনবান্ধব। কর্মীদের সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় পাশে থাকেন, মানবিক নেতৃত্বের পরিচয় দেন প্রতিটি পদক্ষেপে। এলাকাবাসী এবং কর্মীরা তাঁকে একজন সহজ-সরল, বিনয়ী এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে জানেন। তাঁর জনপ্রিয়তা কিংবা গ্রহণযোগ্যতা কখনো চিৎকারে তৈরি হয়নি, তৈরি হয়েছে নিরব সেবায়, অব্যাহত ত্যাগে এবং মানবিক সহমর্মিতায়। সাংবাদিকদের প্রতি রয়েছে তাঁর গভীর শ্রদ্ধা। সবসময় তিনি সংবাদকর্মীদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার পক্ষে থাকেন, যার ফলে তিনি সাংবাদিকবান্ধব নেতা হিসেবেও পরিচিত। রাজনীতি, শিক্ষা, ব্যবসা ও সমাজসেবার এই দুর্লভ সমন্বয়ে গঠিত মানুষটির নাম আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল করিম—যিনি আজ কাহালুর গর্ব, তৃণমূল বিএনপির আশার আলো, একজন আদর্শবান শিক্ষক ও মানবিক সংগঠক। সত্যিকার অর্থেই তিনি রাজনীতির ময়দানে এক নিবেদিত প্রাণ সৈনিক, যাঁর পথচলা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

লালমনিরহাট জেলা পুলিশের আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, নুরুজ্জামান আহমেদ। প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
লালমনিরহাট জেলা পুলিশের আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আজ ৫ এপ্রিল,রবিবার,২০২৬ ইং লালমনিরহাট জেলা পুলিশের আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন, শাহাদত হোসেন সুমা, বিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), লালমনিরহাট, জিন্নাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), লালমনিরহাট, এ কে এম ফজলুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল, লালমনিরহাট, জয়ন্ত কুমার সেন, সহকারী পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল, লালমনিরহাট, সালমান ফারুক, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ), লালমনিরহাট ‘সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ও লালমনিরহাট জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

উক্ত অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা, অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, সীমান্তে চোরাচালান রোধ, অস্ত্র উদ্ধার, গুরুত্বপূর্ণ মামলা, ওয়ারেন্টভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

নরসিংদীতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী গোসল না করায় শিশুকে পৈশাচিক মারধর শিক্ষক গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
নরসিংদীতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী গোসল না করায় শিশুকে পৈশাচিক মারধর শিক্ষক গ্রেফতার

নরসিংদীর শহরের ভেলানগর জেলখানা মোড় সংলগ্ন মাদ্রাসাতুল আবরার আরাবিয়্যাহ নামক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী গোসল না করার অজুহাতে মোজাহিদ নামের এক শিশুকে নির্মমভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত কাটা জখম করেছে এক কুলাঙ্গার শিক্ষক। এই ঘটনায় খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছেন নরসিংদীর মডেল থানার পুলিশ। বর্তমানে শিশুটি নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ভেলানগর জেলখানা মোড়ে অবস্থিত মাদরাসতুল আবরার আরাবিয়্যাহ নামক প্রতিষ্ঠানে এই অমানবিক ঘটনা পূর্বেও ঘটেছে । অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল ইসলাম তুচ্ছ কারণে শিশু মোজাহিদকে বেধড়ক মারপিট করে। নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।এই ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে শিক্ষার নামে কোনো সুস্থ্য মানুষ শিশুকে এভাবে অমানুষিক নির্যাতন করতে পারে না। নরসিংদী জেলা জুড়ে এখন নিন্দার ঝড় বইছে এবং সাধারণ মানুষ ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। বর্তমান অবস্থা

ভুক্তভোগী শিশুরটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল ইসলামকে গ্রেফতার করেন। পুলিশ জানায় শিশুদের ওপর এ ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং আইনের যথাযথ ধারায় তার বিচার নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষকের কাজ শিশুকে সঠিক শিক্ষা দান করা বেত্রাঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করা নয়। মোজাহিদের ওপর যে বর্বরতা চালানো হয়েছে নরসিংদী বাসী তার সর্বোচ্চ শাস্তি চান। বাংলাদেশের যাতে শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের এরকম মর্মান্তিক ঘটনার শিকার না হতে হয়।

নরসিংদীর পাঁচদোনা বাজারে গিরিশচন্দ্র সেনের ঐতিহাসিক বাড়ি বিলুপ্তির পথে

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি, নরসিংদী প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
নরসিংদীর পাঁচদোনা বাজারে গিরিশচন্দ্র সেনের ঐতিহাসিক বাড়ি বিলুপ্তির পথে

নরসিংদীর পাঁচদোনা বাজারে অবস্থিত উপমহাদেশের বিশিষ্ট মনীষী ভাই গিরিশচন্দ্র সেন-এর ঐতিহাসিক বাড়িটি আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটি বর্তমানে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িটির দেখভালের জন্য লোক নিয়োজিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যকর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। প্রতিবেদকের একাধিকবার সেখানে গিয়ে খোঁজ নেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি, যা এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ছিলেন এমন এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, যিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী হয়েও ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন শরীফ প্রথমবারের মতো বাংলায় অনুবাদ করেন। তাঁর এই অবদান শুধু ধর্মীয় সহনশীলতারই নয়, বরং মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে আজও সমাদৃত।
এমন একজন মহান ব্যক্তির স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি অবহেলায় ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাওয়া সত্যিই দুঃখজনক। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বাড়িটি সংরক্ষণ করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ঐতিহাসিক নিদর্শন থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ সংরক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমে গিরিশচন্দ্র সেনের স্মৃতিবিজড়িত এই বাড়িটি পুনরায় তার মর্যাদা ফিরে পাবে এবং ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে টিকে থাকবে।

error: Content is protected !!