সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

বিয়ে: ভাগ্যের খেলা, ভালোবাসার যুদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ৪:০৩ পিএম | 310 বার পড়া হয়েছে
বিয়ে: ভাগ্যের খেলা, ভালোবাসার যুদ্ধ

বিয়ে মানে কেবল একটা অনুষ্ঠানের নাম না। বিয়ে মানে একজন অপরিচিত মানুষকে হঠাৎ করে নিজের সবচেয়ে ব্যক্তিগত জায়গাটায় ঢুকতে দেওয়া। একসাথে ঘুমানো, জাগা, ভালো লাগা— এমনকি কষ্টগুলো পর্যন্ত ভাগ করে নেওয়া।
আমার পরিচিত এক আপুর গল্প মনে পড়ে।
ছোটবেলা থেকেই খুব মিষ্টি আর ভদ্র মেয়ে ছিলেন। স্বপ্ন ছিল— জীবনসঙ্গী হবে একজন বুঝদার মানুষ, যার চোখে থাকবে সম্মান, কথায় থাকবে শ্রদ্ধা, আর আচরণে থাকবে নিরাপত্তা। পরিবারের কথায় হঠাৎ করেই বিয়ের প্রস্তাব আসে এক সুপাঠ্য, স্থিতিশীল পরিবার থেকে। ছেলেটার সাথে তেমন বেশি কথাও হয়নি। কিন্তু মা-বাবার মতামতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাজি হয়ে গেলেন।
বিয়ের প্রথম কয়েক মাস ঠিকই চললো। হাসি, ঘোরাঘুরি, ছবি তোলা— বাইরের দুনিয়ার চোখে পারফেক্ট একটা দম্পতি।
কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝতে পারলেন— ছেলেটি খুব ভালো একজন ‘ছেলে’ হলেও, খুব খারাপ একজন ‘জীবনসঙ্গী’।
সে কথা শুনে না, অনুভূতি বোঝে না, রেগে গেলে গায়ে হাত তোলে না ঠিকই—but তার শব্দ দিয়ে শরীর না, আত্মা কেঁপে ওঠে।
মেয়েটি চুপ থাকে। বলে, “সব ঠিক হয়ে যাবে সময়ের সঙ্গে।”
কিন্তু সময় তো কেবল মানুষকে মানিয়ে নেওয়ার শিক্ষা দেয়, সমাধান নয়।
একদিন আমি তাকে বলেছিলাম,
“চলে আয় আপু। এই জীবন তোর একার না, তুই তোর ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য।”
সে হেসে বলল,
“ভাই, আমি এখন বুঝি— দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে বিয়ে।
ভাগ্য করে যদি ঠিক মানুষটা মেলে, তাহলে জীবনটা স্বর্গ।
আর যদি ভুল মানুষ হয়, তাহলে সেটা কবর পর্যন্ত নিয়ে যায়।
তখন ভালোবাসা না, ‘সহ্য’ হয়ে ওঠে সম্পর্কের ভিত্তি।
আর মেয়েরা? তারা তখন শুধু সবকিছুতে মানিয়ে নিতে শিখে যায়… কাঁদতে কাঁদতে হাসতে শিখে যায়…”
এই গল্পটা শুধু একজনের না— এমন হাজারো মেয়ে, ছেলে আছেন এই সমাজে, যারা ভদ্রতা, মান-ইজ্জত, পরিবারের চাপ, কিংবা ‘সমাজ কী বলবে’ ভয় পেয়ে প্রতিদিন নিজের ভালোবাসার স্বপ্নগুলোকে কবর দেয়।
তবুও, কেউ কেউ এখনো বিশ্বাস রাখে— একদিন ঠিক সেই মানুষটা আসবে, যার সাথে জীবনটা সত্যিই “জীবন” হয়ে উঠবে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলার চন্দ্রা, মৌচাক, কোনাবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য তেল পাওয়া গেলেও সেখানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পাম্পে তেলের মজুত শেষ হয়ে গেছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, আগাম অর্থ জমা দিলেও সময়মতো তেল সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ করার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে, যা কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

জ্বালানি সংকটের কারণে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেক যানবাহন তেল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

error: Content is protected !!