সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

অভিমান অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ৪:০৪ পিএম | 366 বার পড়া হয়েছে
অভিমান অভিযোগ

আজকাল স্ত্রী আর প্রেমিকা নিয়ে অনেক পোস্ট দেখছি, স্ত্রীরা বিয়ের পর তাদের কষ্টের কথা, বরের বাইরের সম্পর্কের কথা নিয়ে অনেক অভিমান অভিযোগ এনে বোঝাতে চেয়েছেন….স্ত্রীরা যে মানুষটাকে ভালোবাসে তার ভালো থাকার জন্যই সংসারের জোয়াল টেনে তার নিজের প্রতি আর খেয়াল রাখার সময় থাকেনা। কেন স্বামী এটা বোঝে না। কেন তার এতো ত্যাগ করা সত্ত্বেও স্বামীরা বাইরের অন্য মেয়ে বৌ দের জন্য পাগল হয়ে পরকীয়া শুরু করে!! বিভিন্ন জন নিজের ক্ষোভ বিভিন্ন রকম ভাবে উদাহরণ দিয়ে প্রকাশ করছে। বারবার বোঝাতে চাইছে, স্ত্রী ডাল ভাত, এতেই সুন্দর করে সারাজীবন অতিবাহিত করা যায়, বাইরের পরকীয়া করা মেয়েরা বিরিয়ানি সমান, বিরিয়ানি রোজ রোজ খেলে বদহজম হবে… etc etc…অনেক ভাবে ছেলেদের মানে স্বামীদের স্ত্রীরা ফেবু জুড়ে পোস্ট করে বোঝাতে চেয়েছে, ” আমাদের ভালোবাসো, ওদের নয়। আমরা তোমার জন্য ত্যাগ করছি, সবকিছু, তারপরে ও তুমি কেন মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছ!!” এইসব।
আমার প্রশ্ন কেন নিজেকে ছোট করে এইভাবে রিকোয়েস্ট করছেন?? এইযে এতো বলছেন বোঝাচ্ছেন যাকে, তিনি আদৌ বুঝতে পারছে কি?
আপনারা কি জানেননা, এইসব মানুষদের অপূর্ণ আত্মা কখনো পরিপূর্ণ হবে না।
এরা শুধু নিজের কমতি ঢাকতে বউদের দোষ খুজে বেড়ায়। আর কিছুই না! দেখুন যে বা যাদের বাইরের দিকে তাকানো অভ্যেস তারা কখনো আপনার ত্যাগ দেখবেনা। যতই করুন একটুও সহানুভূতি দেখাবেনা। বিশ্বাস করুন, আপনি এখন জাস্ট টেকেন ফর গ্র্যান্টেড হয়ে গেছেন, ওরা জানে যতই লাথি ঝ্যাটা, মুখ ঝামটা, এমনকি মারধর… যাই হোক না কেন, আপনি থেকে যাবেন। কাঁদবেন, সারাদিন ছটফট করবেন, সারারাত ঘুমাবেননা, কিন্তু পরেরদিন আবার সকালে উঠে ঠিক রান্না করে মুখের কাছে সবটুকু গুছিয়ে দেবেন। যাতে সে টিপ টপ বাবুটি হয়ে বাইরে অন্য মেয়েদের কাছে ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে পারে, “জানোতো আমার বৌটা না একদম ভালো নয়। সারাদিন….etc etc…”
আসলে ওরা বুঝে যায়, আপনি করবেনই….
কি!!!!! ত্যাগ, ওই মানুষটার জন্য, ছেলেমেয়েদের জন্য, সংসারের জন্য।
তাই বলি কি, ওনাকে নয়, নিজেকে পরিবর্তন করুন। সবার প্রথমে কান্না কাটি মন খারাপ করা বন্ধ করুন। তারপরে ওনাকে একদম পাত্তা দেওয়া বন্ধ করুন। তারপরে ওনাকে কোনোভাবে সাহায্য করা বন্ধ করুন। লক্ষ্মী বৌ এর মত মুখের ধারে আগ বাড়িয়ে সবকিছু হাতের নাগালের মধ্যে দেওয়া বন্ধ করুন। তার বাবা মাকে দেখা দায়িত্ব আপনাদের দুইজনের। সে না দায় নিলে আপনিও নেবেননা। সংসারের ব্যাপারে নিজে সব কাজ কাঁধে নিয়ে তাকে গা এলিয়ে ভাসতে দেবেননা। সব কাজ দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে তিনি গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বেড়িয়ে অন্য মেয়েদের দিকে ভালোবেসে ঘরে এসে বৌকে অসহ্য লাগা, এসব আদৌ হতে দেবেননা।
জানি অনেকেই বলবেন “সম্ভব কি!! ”
বিশ্বাস করুন সম্ভব। প্রথম প্রথম নিজেকে পরিবর্তন করতে ভীষণ সমস্যা হয়। কিন্তু একবার মনের জোরে নিজেকে পাল্টে দেখুন অনেকটা কষ্ট গায়েব হয়ে যাবে। নইলে তো কষ্টই পাচ্ছেন, মন মরে গেলে মানুষ কি নিয়ে বাঁচে?? এইভাবে মরে বেঁচে থেকে কি পাচ্ছেন!! কেউ আপনার ত্যাগের দাম দেবেনা। বরং নিজেকে ভালো রাখুন, একটু সুন্দর করে নিজের জন্য সাজুন, নিজেকে ভালোবাসুন, বাইরের মানুষদের সাথে কথা বলুন। প্রথম প্রথম অসুবিধা হবে। কিন্তু পরে ঠিক পারবেন। মনের জোড় রাখুন। নিজেকে ভালো রাখাটা প্রয়োজন আগে।
এর পরে আরেকটা কথা বলবো, কোনো মানুষ কিছুই পারিনা এটা হতে পারেনা। প্রত্যেকের ভিতরে কিছু না কিছু ট্যালেন্ট আছে, সেইটা কাজে লাগান, যেকরেই হোক জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়ান, বাইরে বের হন, কাজ করুন, বাইরের বাতাস আপনার গায়েও লাগুক, ভালোলাগা ছড়িয়ে পড়ুক মাসের শেষে নিজে রোজগার করে। আত্মবিশ্বাস বারুক আপনার। এবারে মন থেকে তৈরি হন পরিস্থিতি সামলাতে। নিজের মনকে শক্ত করুন, রোজ রোজ অপমানে মরে যাওয়ার থেকে প্রতিবাদ করুন। আর ওনাকে বুঝিয়ে দিন উনি দাম না দিলেও দাম দেওয়ার মত অনেক মানুষ আছে এই পৃথিবীতে।
ফেবুতে ইনিয়ে বিনিয়ে পোস্ট করে প্রেমিকার থেকে বৌ ভালো প্রচার করে লাভ নেই, বৌ কত ভয়ঙ্কর হতে পারে সেটাও দেখিয়ে দিন মাঝে মাঝে। মেয়েরা কিন্তু মেয়েদের শত্রু হয় বেশি, মেয়েরাই মেয়েদের ঘর ভাঙে বেশি।
(এটা শুধু মেয়েদের জন্য বললাম তা নয়, অনেক ছেলেরাও স্ত্রীর পরকীয়ায় মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে যান। তাদের জন্য ও বলছি, তবে হ্যাঁ যারা ভাবেন সংসার ঘর আর পরকীয়া বারান্দার মিষ্টি হাওয়া, তাদেরকে বলি ওই মিষ্টি হাওয়ার স্বাদ যদি আপনার পার্টনার পেতে চায় মানতে পারবেন তো!! আমার এই পোস্ট হয়তো কিছু বিশেষ জনের খারাপ লাগবে। ইগনোর করবেন খারাপ লাগলে। ওই অসহায় মন থেকে মরে যাওয়া মানুষ গুলোর জন্য পোস্ট করতে ইচ্ছে হলো। ভালো থাকুন সবাই, মেয়েরা মেয়েদের শত্রু নাইবা হলেন। হয়তো তাদের বিবাহিত সম্পর্কটা ঠিক হয়ে যেত যদি আপনি মাঝে এসে নিজের এক্সট্রাঅর্ডিনারি ক্রেডিট না দেখাতেন, অথচ দেখবেন ওনার সাথে ঘর করলে দুইদিন পরে আপনিও কেমন একঘেয়ে হয়ে গেছেন, দূর থেকে সব জিনিস খুব সুন্দর মনে হয়। ভেবে দেখবেন, কারোর দীর্ঘ শ্বাসের কারণ হওয়াটা কিন্তু কোনো ক্রেডিট নয়, এটা খুব খারাপ বলেই জানি, কর্মফল ফেরত আসবেই, তখন সামলাতে পারলেই হলো।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
কালিয়াকৈরে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেলের সংকট। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যানবাহন চালক, পরিবহন শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলার চন্দ্রা, মৌচাক, কোনাবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন চালকরা। অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সামান্য তেল পাওয়া গেলেও সেখানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ পাম্পে তেলের মজুত শেষ হয়ে গেছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, আগাম অর্থ জমা দিলেও সময়মতো তেল সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তেল মজুদ করার অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে, যা কৃত্রিম সংকটের ইঙ্গিত দেয়।

জ্বালানি সংকটের কারণে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে। অনেক যানবাহন তেল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

error: Content is protected !!