রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

ব্রেকাপ আর ডিভোর্সের পার্থক্যটা কী?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১২:২০ পিএম | 209 বার পড়া হয়েছে
ব্রেকাপ আর ডিভোর্সের পার্থক্যটা কী?

প্রেম করে ছাড়াছাড়ি হ’লে তাকে বলে ব্রেকাপ। বিয়ের পর ছাড়াছাড়ি হলে সেটা নাকি ডিভোর্স। অদ্ভুত ব্যাপার, ব্রেকাপে মানুষ নাক সিটকায় না, অথচ ডিভোর্স হলে? তখন নানান সমালোচনা, নানান বাজে কথা। আর সে যদি মেয়ে হয়, তাহলে তো আর দেখতে নেই। সে একেবারেই অচ্ছুত।

কিন্তু কেন? ব্রেকাপ আর ডিভোর্সের পার্থক্যটা কী? একটু ভাবুন। দুটোই তো বিচ্ছেদ। পাঁচবার প্রেম করে, সেখান থেকে ব্রেকাপ করে আসা মেয়েটাকে বা ছেলেটাকে কাছের করে নেয় কত সহজেই, তার অতীত জেনেও। পাঁচ দশটা প্রেম করে, ফূর্তি আনন্দ করে, বিছানা শেয়ার করেও কেউ যদি ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে যায়, তাহলে বিয়ের পর ছাড়াছাড়ি হলে সেটাতেই কেন সীলমোহর পড়বে? আসলে সেটাতেই তখন স্ট্যাম্প পড়ে। তখন সে হয়ে যায় ডিভোর্সী। বাহ রে বাহ!

অথচ এও জানি তিন তিনটে ব্রেকাপের পর, ফিজিক্যাল রিলেশনে ছিল জেনেও সেই মেয়েটির সাথে সুন্দর ভাবে প্রেম করছে ছেলেটি। অথচ ডিভোর্সী মেয়েটা? তার নতুন কোনো সম্পর্ক তৈরি করতে চাইলে সে নাকি চরিত্রহীন। তার সাথে প্রেম নয়, বরং ছল ছুঁতো করে সুযোগ নেওয়া যেতে পারে, তার থেকে সুবিধা নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু কোনো মতেই সম্পর্ক তৈরি করা যাবে না। সম্পর্কে যেতে বললেই নৈব নৈব চ‌।

হ্যাঁ এটাই হয়। দশ বার প্রেম করে দশ বার ছেড়ে দেওয়া যায়, মনোরঞ্জনের জন্য সব কিছু করা যায়, ইচ্ছে হলে থাকা যায়, ইচ্ছে হলে ছাড়া যায়, একজনের সাথে প্রেম করতে করতে অন্য এক জনের সাথেও সম্পর্ক রাখা যায়, ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যে বলা যায়, ইচ্ছে মত ঘুরে বেড়ানো যায়, নতুন নতুন মানুষের সাথে নতুন নতুন মজা নেওয়ার জন্য ওয়ো বুক করা যায়, আজ এর প্রেমিক হিসেবে, কাল ওর প্রেমিকা হিসেবে, ভাবা যায়? কত অপশন। এসব করে ছাড়াছাড়ি হলে সেটাকে শুধু বলে ব্রেকাপ।তারপর গঙ্গার জল ছিটিয়ে নিজেকে শুদ্ধ করে নেওয়া। আহা কি অপূর্ব ঘটনা। ডিভোর্স তো নয়, ব্রেকাপ তো! আবার নতুন সাথী খোঁজো। ব্রেকাপের তো কোনো দাগ হয় না। ডিভোর্স মানেই দাগী। তখন তুমি আসামী। লোকে বলবে, তুমি না ডিভোর্সী?

বিবাহ বিচ্ছেদ তো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দুজনের মুক্তি। কিন্তু প্রেমের বিচ্ছেদে একজনের ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা, আর অন্য জনের কেটে পড়া, সেটাই তো হয় বেশি। দায় নিতে হয় না বলেই, সমাজে জবাব দিহি করতে হয় না বলেই, যা খুশী করা যায়। আসলে বিচ্ছেদ মানে বিচ্ছেদই। বিয়ে ভাঙলে যেমন আদালতে যেতে হয়, তেমনি প্রেম ভাঙতে গেলে যদি আইন আদালতের সাহায্য নিতে হত মানুষ তাহলে দশবার ভাবত। সেটা নেই বলেই কত সহজে নিজেকে শুদ্ধ করে নেওয়া যায়। বিয়ে ভাঙার নাম যদি ডিভোর্স হয়, তাহলে প্রেম ভাঙার নামও ডিভোর্স হোক। সহজেই ছেড়ে দিতে পারে বলেই আজকাল প্রেম ভীষণ সস্তা।

 

ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে স্বাগতিকদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা বাংলাদেশ এবার নেপালকে পেল সেমিফাইনালেই। এবারও ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ। অপরাজিত হয়ে সেমিতে উঠলেও মার্ক কক্সের শিষ্যরা ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছেন। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বাংলাদেশ। অপর গ্রুপ (‘এ’ গ্রুপ) থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নেপাল সেমিতে উঠেছে। সেমিফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে জোরকদমে। আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার বিশ্বাস খেলোয়াড়রা সেরাটা দিয়ে সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠব।’

বাংলাদেশ-নেপাল সেমিফাইনাল হবে ১ এপ্রিল মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে। নকআউট পর্বের ম্যাচ সামনে রেখে আজ রিকভারি সেশন করেছে দল। মূলত নেপাল ম্যাচ সামনে রেখে ফুটবলারদের উজ্জীবিত রাখতেই এমন কিছু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। বাফুফের ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক বলেন, ‘গত দুটি ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে অনেক বড় ম্যাচ খেলেছি। ফুটবলারদের ওপর ধকল গেছে। এখন আমরা রিকভারি ট্রেনিং করছি সুইমিংপুলে এসে। স্ট্রেসিং ছিল। সামনে সেমিফাইনালের মতো অনেক বড় একটা ম্যাচ। দলকে ভালো একটা অবস্থায় আনার চেষ্টা করছি। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতে প্রত্যেক মুহূর্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নেপাল ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছে সেমিফাইনালে। ভুটান-শ্রীলঙ্কাকে হারানো নেপাল ড্র করেছে মালদ্বীপের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নেপাল দিয়েছে চার গোল এবং দুই গোল হজম করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও ফাইনালে ওঠার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলার ডেকলান সুলিভান। বাফুফের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘দলের সঙ্গে রিকভারি সেশন মাত্র শেষ হলো। সেশনটা ভালো ছিল। আমরা এখানেই থামব না। পরের ম্যাচে আমাদের জিততেই হবে।’

অনূর্ধ্ব-২০ সাফ শুরুর আগেই আলোচনায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই যমজ রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। রোনান পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ডেকলান দুই ম্যাচের একটিতেও খেলার সুযোগ পাননি। ১ এপ্রিল আরেক সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-ভুটান। ভারত-বাংলাদেশ দুই দলের পয়েন্ট চার। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। গতকাল ১-১ গোলে ড্র হওয়া বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে দেখা গেছে জোড়া লাল কার্ড।

 

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে জাসাস নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

‎গত ১৯ মার্চ বিকেলে ফুলছড়ি ইউনিয়নে জাসাসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার আসামি মোহাম্মদ আলী ও তার সশস্ত্র বাহিনী এ হামলার নেতৃত্ব দেয়।

‎ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও ছাত্র হত্যা দায়ে ঢাকা উত্তরা থানার মামলার আসামি শুকুর আলী ফিরোজের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই নৃশংস হামলা সংঘটিত হয়েছে। বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে হামলার ছক কষা হলেও ঘটনাস্থলে লোকজন থাকায় আগুন দিতে ব্যর্থ হয়ে হামলাকারীরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

‎এ সময় ফরহাদ হোসেনের বাবা জামাল বাদশাসহ অন্তত ১৩ জনকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। গুরুতর আহতদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন—কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

‎আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। যেকোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলছেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নইলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

‎ফুলছড়ি থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন ৫১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়ে তুলনামূলক বেশি বক্তব্য রেখেছেন আমিনুল হক। সংসদ অধিবেশনে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে থাকল বিসিবি।

সংসদ অধিবেশনে আজ প্রশ্নোত্তর পর্বে আমিনুলের কাছে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন জিজ্ঞেস করেন, বিসিবি নিয়ে কী ভাবছেন তিনি। উত্তরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল, তাঁরা বিগত সময়ে যে ভোটের অধিকার হরণ করতে একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের অপকর্ম করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরে এই বোর্ডের যাঁরা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সেই সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আমাদের সবশেষ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। আমাদের যে দুদকের মহাপরিচালক রয়েছেন, তাঁর কাছে আহ্বান করব এই বিষয়ে কোনো তদন্ত বা কিছু থাকলে যেন আমাদের জানান এবং সেগুলো যেন জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়।’

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। সংসদ সদস্য মোশাররফ আওয়ামী শাসনামলে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে জানতে চাইলে আমিনুল বলেন, ‘আপনারা সকলেই জানেন যে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ডসহ দলীয়করণ এবং রাজনীতিকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে স্থবিরতা নিয়ে এসেছিল এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন যেভাবে ধ্বংসের পথে চলে গেছে, সেই ধ্বংসস্তূপ ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে দলীয়করণমুক্ত, রাজনীতিকরণমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি। ২০০৮ সাল থেকে যারা এই দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে যারা অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, সে সব আমরা দ্রুতই তদন্ত কমিটি করে কারা জড়িত ছিল, ইনশা আল্লাহ জাতির সামনে নিয়ে আসব।’

জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। কেন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারল না একটা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সেটার কারণ অনুসন্ধানের ঘোষণা ঈদের ছুটির আগে দিয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে বিসিবির গত বছরের ৬ অক্টোবরের নির্বাচন নিয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

error: Content is protected !!