রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

অন্তর বাস

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫, ৯:২১ এএম | 161 বার পড়া হয়েছে
অন্তর বাস

সবার জীবনে একটা সীমারেখা নির্দিষ্ট করা থাকে। কিন্তু সুমার জীবনে এরকম নির্দিষ্ট করা ছিলো। ছিলো না আধুনিক শাসন, বারণ। তবে স্বাধীনতা থাকলেও নিজের থেকে সে ছিলো পরাধীন। মা বাবার দু সন্তানের মধ্যে ছিলো সে ছোট, বড় বোনের ভালোবাসায় আর মা বাবার আদরে সন্তান ছিলো। শহর থেকে বহু দুরে এক প্রত্যান্চল সোনালীপুর গ্রামে মধ্যবিত্ব পরিবারে তার জন্ম।
খুব ডানপিটে মেয়ে এই সুমা। যেটা ভাবা সেটা করা।খেলা ধুলায় পারদর্শী ছিলো তার। লেখা পড়ায় বেশ মনোযোগী, ভালো রেজাল্ট করা তার দৃঢ়বিশ্বাস।
বন্ধু বান্ধব প্রিয় ছিলো সুমা।
কিশোরীতে প্রাইমারি পাশ করে সেকেন্ডারি পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগ দিলো সে। মাধ্যমিক পাশ করে, কলেজে ভর্তি হলো। দিন দিন বাড়তে থাকে বন্ধু বান্ধব।
তবে তার ইচ্ছা সাধারণ মানুষের সেবামূলক কাজ করে পাশে দাড়াবে। সেই লক্ষে সে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মুলক কাজে জড়িত হয়। মানুষ তাকে প্রচুর ভালোবাসে।
অন্তহীন ভালোবাসা, সবার কাছে সে হয়ে গেলো অন্তহীন রাণী।।
মানুষের উপকার করতে হলে কিন্তু একা একা কিছুই করা যায়না। তার জন্য ব্যক্তিগত ভাবে আপনজনের সংস্পর্শ থাকতে হয়৷
সুমার নিজের কোনো ভাই না থাকায় একটি প্রিয় ভাই পেলেন।
দু ভাই বোন এবাড়ি ও বাড়ি ছোটাছুটি, মানুষের সেবাকরা সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করে বেড়ায়।
একদিন সুমা তার ভাইকে বললো –
সুমা: আমার পথ চলার পথে সকল বাঁধা উপেক্ষা করে সাহস যগিয়েছিস। এই ভাবে আমাদের ভাই বোনের ভালোবাসা কত দিন থাকবে??
ভাই : সারাজীবন, তুই তো আমার একমাত্র বোন।তুই জানিস না? একদিন আমাদের বাড়িতে না এলে বাবা মা কেমন করে? বোকা বোন আমার।তোকে কি আমি কখনো ভুলতে পারি?
(সুমা এটাও জানে যে তার কাকিমা অনেক অনেক ভালোবাসে।কাকিমার সাথে তার পাড়ার আর মহিলাদের সাথে তেমন গল্প হয়না।তবু মাঝে মাঝে সুমাকে নিয়ে অনেক প্রসংশা করে।যেমনি কাকি মা ভালোবাসে তেমনি কাকা বাবু সুমা কে ভালোবাসে।)
এভাবে সুমা ২৩ বছর বয়স পার হলো। কখনো কেউ এখনো বিয়ের সম্মন্ধ নিয়ে আসিনি সুমার বাড়িতে। একদিন সুমার কাকা বাবু সুমাকে বললো মারে অনেক লেখা পড়া করেছো বয়স হয়েছে, এবার দেখে শুনে একটা ভালো পাত্র দেখে তোমার বিয়ে দেবো।
সুমা সাফ সাফ জানিয়ে দিলো, আমি নিজের পায়ে না দাড়িয়ে বিয়েতে বসতে পারবো না।
কাকি এরকম মনস্থির করার কারণে সুমা তার কাকিমার উপর একদিন রাগ করেছিলো। সেই থেকে আর কেও বিয়ের কথা বলেনা।
এভাবে দুরন্ত জীবন নিয়ে ভাই বোনের মানুষের সেবা সহ নানান কাজ করতে লাগলো। আর সুমা তার লেখা পড়া চালিয়ে যেতে লাগলো।
সুমার সেই প্রিয় ভাইটা ও আর সেই মাধ্যমিকে পড়া বালক নেই। সেও বড় হয়েছে। তার সাথে অনেক মেয়ে ছেলের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। এরি মধ্যে সুমার সেই আদরের ভাইটি একটি সুন্দরী মেয়ের ভালোবাসায় আসক্ত হয়েছে। টানা বছর খানেক তাদের সম্পর্ক। সুমার ভাইয়ের বাসায় সেই মেয়েটি মাঝে মধ্যে যাতায়াত করে।
সে ঘটনা সুমার কাকা,কাকি সবাই জানে। এবং সেই মেয়েও জানে সুমা হলো তার হবু স্বামীর নিজের বোন নয়। এলাকার বোন হিসাবে জানে।
হিংসাত্মক বেড়ে গেলো সুমার উপর। প্রতিনিয়ত সুমার ভাইকে বলে থাকে ও তোমার কেমন বোন, কেনো রোজ রোজ তোমাদের বাড়িতে যায়।
কিন্ত সুমার ভাই কিছুই বলতে পারেনা সুমাকে। কারণ একদিন কথা দিয়েছিলো সুমাকে যে বিপদে আপদে তার পাশে থাকবে, সুমা তার নিজের বোন বলে সকলের সাথে বলে বেড়াতো। তাকে কি করে নিষেধ করবে।
এমনটা দেখে একদিন সুমার ভাইয়ের ভালোবাসার মানুষটি সুমা কে বললো।
কিরে? তুই কেমন মেয়ে, এতো করে বলি তবুও তুই আমার শশুর বাড়ি কি করতে যাস? লজ্জা করেনা তোর? আর কখনো তুই আমার শশুর বাড়িতে যাবিনা বলে দিলাম।
হঠাৎ এমন কথা শুনে সুমা যেনো গাছ থেকে পড়লো। প্রতিবাদের ভাষা হরিয়ে ফেললো সে।
সুমা ছিলো বুদ্ধিমান মানুষ তাই তার সাথে ঝামেলা না করে তার ভাই কে সব কথা শেয়ার করলো।
একদিন দুইদিন এভাবে মাস পার হলো। আদরের ভাই কোনো দিন তার প্রতিবাদ করেনি। সেই থেকে ভাই বোনের পবিত্র সম্পর্ক ছিদন হলো। সুমা আর তার কাকা কাকির বাড়িতে সময় পেলেও যায়না।ভাই ও আর যেতে বলেনা।যদি কেউ জিজ্ঞেস করে সুমা আর আসেনা কেনো? তখন ভাই বলে তার পড়ার চাপ রয়েছে তাই আসতে পারেনা। আরও কত কি বলে এড়িয়ে যায়।সেসব কথা এখন সুমা আর শুনতে চাই না। তবুও ভুলতে পারেনা ভাইটাকে। আজও
নিরব কান্না, হাহাকার রিদয় নিয়ে সুমা আজও বেঁচে আছে। দ্বিতীয় কারোর সাথে বিষয়টি বুঝতে দেয়নি যে তার ভাই আর তার ভাই নাই। শুধু ভাইয়ের স্মৃতি বিজড়িত দিন গুলি মনে করে অঝর ধারায় নিরব কান্নায় অন্তহীন রাণীর মতো আধারে আলো খোঁজে।

ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে স্বাগতিকদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা বাংলাদেশ এবার নেপালকে পেল সেমিফাইনালেই। এবারও ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ। অপরাজিত হয়ে সেমিতে উঠলেও মার্ক কক্সের শিষ্যরা ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছেন। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বাংলাদেশ। অপর গ্রুপ (‘এ’ গ্রুপ) থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নেপাল সেমিতে উঠেছে। সেমিফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে জোরকদমে। আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার বিশ্বাস খেলোয়াড়রা সেরাটা দিয়ে সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠব।’

বাংলাদেশ-নেপাল সেমিফাইনাল হবে ১ এপ্রিল মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে। নকআউট পর্বের ম্যাচ সামনে রেখে আজ রিকভারি সেশন করেছে দল। মূলত নেপাল ম্যাচ সামনে রেখে ফুটবলারদের উজ্জীবিত রাখতেই এমন কিছু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। বাফুফের ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক বলেন, ‘গত দুটি ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে অনেক বড় ম্যাচ খেলেছি। ফুটবলারদের ওপর ধকল গেছে। এখন আমরা রিকভারি ট্রেনিং করছি সুইমিংপুলে এসে। স্ট্রেসিং ছিল। সামনে সেমিফাইনালের মতো অনেক বড় একটা ম্যাচ। দলকে ভালো একটা অবস্থায় আনার চেষ্টা করছি। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতে প্রত্যেক মুহূর্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নেপাল ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছে সেমিফাইনালে। ভুটান-শ্রীলঙ্কাকে হারানো নেপাল ড্র করেছে মালদ্বীপের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নেপাল দিয়েছে চার গোল এবং দুই গোল হজম করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও ফাইনালে ওঠার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলার ডেকলান সুলিভান। বাফুফের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘দলের সঙ্গে রিকভারি সেশন মাত্র শেষ হলো। সেশনটা ভালো ছিল। আমরা এখানেই থামব না। পরের ম্যাচে আমাদের জিততেই হবে।’

অনূর্ধ্ব-২০ সাফ শুরুর আগেই আলোচনায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই যমজ রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। রোনান পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ডেকলান দুই ম্যাচের একটিতেও খেলার সুযোগ পাননি। ১ এপ্রিল আরেক সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-ভুটান। ভারত-বাংলাদেশ দুই দলের পয়েন্ট চার। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। গতকাল ১-১ গোলে ড্র হওয়া বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে দেখা গেছে জোড়া লাল কার্ড।

 

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে জাসাস নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

‎গত ১৯ মার্চ বিকেলে ফুলছড়ি ইউনিয়নে জাসাসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার আসামি মোহাম্মদ আলী ও তার সশস্ত্র বাহিনী এ হামলার নেতৃত্ব দেয়।

‎ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও ছাত্র হত্যা দায়ে ঢাকা উত্তরা থানার মামলার আসামি শুকুর আলী ফিরোজের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই নৃশংস হামলা সংঘটিত হয়েছে। বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে হামলার ছক কষা হলেও ঘটনাস্থলে লোকজন থাকায় আগুন দিতে ব্যর্থ হয়ে হামলাকারীরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

‎এ সময় ফরহাদ হোসেনের বাবা জামাল বাদশাসহ অন্তত ১৩ জনকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। গুরুতর আহতদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন—কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

‎আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। যেকোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলছেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নইলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

‎ফুলছড়ি থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন ৫১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
বিসিবিকে নিয়ে কী বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী?

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিয়ে তুলনামূলক বেশি বক্তব্য রেখেছেন আমিনুল হক। সংসদ অধিবেশনে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে থাকল বিসিবি।

সংসদ অধিবেশনে আজ প্রশ্নোত্তর পর্বে আমিনুলের কাছে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন জিজ্ঞেস করেন, বিসিবি নিয়ে কী ভাবছেন তিনি। উত্তরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল, তাঁরা বিগত সময়ে যে ভোটের অধিকার হরণ করতে একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের অপকর্ম করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরে এই বোর্ডের যাঁরা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সেই সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আমাদের সবশেষ ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। আমাদের যে দুদকের মহাপরিচালক রয়েছেন, তাঁর কাছে আহ্বান করব এই বিষয়ে কোনো তদন্ত বা কিছু থাকলে যেন আমাদের জানান এবং সেগুলো যেন জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়।’

২০০৯ সাল থেকে শুরু করে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। সংসদ সদস্য মোশাররফ আওয়ামী শাসনামলে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে জানতে চাইলে আমিনুল বলেন, ‘আপনারা সকলেই জানেন যে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ডসহ দলীয়করণ এবং রাজনীতিকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে যে স্থবিরতা নিয়ে এসেছিল এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন যেভাবে ধ্বংসের পথে চলে গেছে, সেই ধ্বংসস্তূপ ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে দলীয়করণমুক্ত, রাজনীতিকরণমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি। ২০০৮ সাল থেকে যারা এই দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে যারা অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, সে সব আমরা দ্রুতই তদন্ত কমিটি করে কারা জড়িত ছিল, ইনশা আল্লাহ জাতির সামনে নিয়ে আসব।’

জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। কেন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারল না একটা তদন্ত কমিটির মাধ্যমে সেটার কারণ অনুসন্ধানের ঘোষণা ঈদের ছুটির আগে দিয়েছিলেন তিনি। এরই মধ্যে বিসিবির গত বছরের ৬ অক্টোবরের নির্বাচন নিয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

error: Content is protected !!