শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

একটি জাতির না বলা কান্না

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫, ২:১১ পিএম | 383 বার পড়া হয়েছে
একটি জাতির না বলা কান্না

তিনি ছিলেন এক সুশৃঙ্খল সেনানায়ক, এক সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, এক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি। যিনি যু*দ্ধ করেছিলেন অ*স্ত্র হাতে, আর শান্তি এনেছিলেন কলম হাতে। যিনি ১৯৭১ সালে রেডিওতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, আজ ইতিহাসের পাতায় তাঁর নামটি মুছে ফেলার চক্রান্ত চলে!
১৯৮১ সালের ২৯ মে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয়, জনগণের নেতা হিসেবে তিনি পা রাখলেন চট্টগ্রামের মাটিতে। তাঁর নিজের গো*য়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই তাঁকে আগেই সতর্ক করেছিল, সেখানে ষ*ড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, নিজের ওপর, নিজের সহযোদ্ধাদের ওপর, নিজের দেশের ওপর।
তিনি প্রটোকল নেননি, কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল, যদি একজন নেতা নিজের জনগণের মধ্যে নিরাপদ না থাকেন, তবে সে নেতৃত্বের কোনো মূল্য নেই। এই বিশ্বাসই তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল সেই অন্ধকার রাতের দিকে, যেখানে অপেক্ষা করছিল বিশ্বাসঘাত*কতা, ষ*ড়যন্ত্র আর মৃত্যু।
জেনারেল আবুল মনজুর, যিনি ছিলেন তাঁরই নিযুক্ত, তাঁরই আস্থাভাজন, তাঁরই কাঁধে রাষ্ট্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই মনজুরই এক ভয়ঙ্কর চক্রে জড়িয়ে ষ*ড়যন্ত্র করেন। যে চক্রে নেতৃত্ব দিয়েছিল এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী, যার হাতে গ*ণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জিয়া নিজেই। তিনি বোঝেননি, যাদের তিনি জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, তারাই একদিন তাঁর জীবন কেড়ে নেবে।
সেই রাতেই বজ্রঝড়ের মধ্যে তিনি শেষবারের মতো ফোন করেন তাঁর স্ত্রী, প্রিয়তমা বেগম খা*লেদা জি*য়াকে, যিনি আজ “গ*ণত*ন্ত্রের মা” হিসেবে পরিচিত। তিনি শুধু বলেছিলেন,
“আল্লাহ চায় তো সকালে চলে আসব।”
কিন্তু ভাগ্য তখনই হয়ত লিখে রেখেছিল তাঁর বিদায়ের প্রতিটি লাইন। সেটিই ছিল তাঁর জীবনের শেষ ফোনকল, শেষ বার্তা, একজন স্বামীর, একজন বাবার, একজন রাষ্ট্রপতির।
রাত আড়াইটায়, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হা*মলা হয়। রকেট ল*ঞ্চার, এস*এমজি, গ্রে*নেড, সবকিছু দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রেসিডেন্টের ঘুম ভাঙে বিস্ফো*রণের শব্দে। একে একে তাঁর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রাণ দেন। শেষ পর্যন্ত জি*য়াকে লক্ষ্য করে চালানো হয় একের পর এক গু*লি। হ*ত্যাকারী লে. কর্নেল মতিউর রহমান দুটি ম্যাগাজিন খালি করে দেয়, শরীর আর মুখ একেবারে গু*লিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। একজন রাষ্ট্রপতির দেহ নয়, বাংলাদেশের আত্মাকেই যেন গু*লি করে ছিন্নভিন্ন করা হয়েছিল।

সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও মানবতার প্রতীক আলহাজ্ব এম. এ. হাশেম রাজুর জন্মদিন উদযাপন

বিশেষ প্রতিনিধি আহমদ রেজা : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৮ পিএম
সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও মানবতার প্রতীক আলহাজ্ব এম. এ. হাশেম রাজুর জন্মদিন উদযাপন

দেশব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে মানবাধিকার সংগঠক ও রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব এম. এ. হাশেম রাজুর জন্মদিন। এ উপলক্ষে আজ বিভিন্ন স্থানে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে বক্তারা তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মানবাধিকার রক্ষায় সংগ্রাম এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। মানবতার কল্যাণে তাঁর নিরলস পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
এদিকে জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম ও বন্ধু শক্তি-২০০০ টীম আলহাজ্ব এম. এ. হাশেমকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তাঁরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের ঢাকা জেলার উপদেষ্টা, ছোট মান্না খ্যাত জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী অশ্রু বড়ুয়া সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যা উপস্থিত অতিথিদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।
শুভ জন্মদিন—আলহাজ্ব এম. এ. হাশেম রাজু।

তাড়াশের তালম সাহেব বাজারে  ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক ২ জন

জহুরুল ইসলাম তাড়াশ  প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
তাড়াশের তালম সাহেব বাজারে  ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক ২ জন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম সাহেব বাজার এলাকায়  ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের তাড়াশ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে  (বৃহস্পতিবার)  তালম সাহেব বাজার এলাকায় স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে  ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটককৃত ব্যক্তিদের  হেফাজতে নেয়।

আটককৃতরা হলেন—তাড়াশ পৌরসভার সদর ওয়াবদা বাঁধ এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে বাবু (৪৫) এবং মৃত বাবলু হোসেনের ছেলে বিদ্যুৎ (৩৮)।

এ বিষয়ে তাড়াশ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল জনতার এই উদ্যোগকে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

নরসিংদীতে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
নরসিংদীতে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নরসিংদীর পলাশে গাছ থেকে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র মামুন মিয়া নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এই হত্যা ঘটনা ঘটে।নিহত মামুন মিয়া গালিমপুর গ্রামের মোমেন মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত দুই দিন আগে প্রতিবেশি ইসমাঈলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের কয়েকটি ডাব গাছ থেকে ডাব পাড়ায়। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে তা নিয়ে আজিজুরের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গতকাল এ নিয়ে সামাজিক ভাবে আপোস মিমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ আজিজুর। পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের লোকেরা দা,ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

error: Content is protected !!