সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

যত্ন যত মধুর হবে সম্পর্ক তত বঁধুর হবে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ১২:৪৮ পিএম | 274 বার পড়া হয়েছে
যত্ন যত মধুর হবে সম্পর্ক তত বঁধুর হবে

যে মানুষটি একান্তভাবে আপনার নিজস্ব মানুষ, যে মানুষটির সম্মান ও সুখ-দুঃখ আপনার আচরণ-বিশ্বাসের সাথে জড়িয়ে থাকে, তাকে মন ও মগজ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তার অপছন্দের ইশারা, মান-অভিমানের ভাষা এবং চাওয়া-পাওয়ার গভীরতা না বুঝলে তো সারাজীবন পস্তাতেই হবে। রাজ্যের সকল মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আপনার জন্য মুখ্য নয়, যদি প্রিয়জন গোমড়ামুখে দুঃখের নাটাইয়ে ক্ষোভের সুতা কাটে!

সারাজীবন বিশ্বাস অটুট রাখলে, আমানতের খেয়ানত না করলে এবং প্রতিশ্রুতি না ভুললে সে জীবন গোলাপের পাপড়ির মতো সৌন্দর্যে শোভিত হবে। আকাশের তারাদের মতো জ্বলজ্বল করবে। দুই পাঁচজন মানুষ সেই সম্পর্ক দেখে ঈর্ষায় জড়াবে।

জীবনকে সুন্দর করতে বিপুলা অর্থ-বিত্তের প্রাচুর্যে থাকতে হয় না বরং সুন্দর মন-মানসিকতা পুষতে হয়। নিজের পছন্দের বাইরেও যে অন্যের পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে— সে মতের প্রাধান্য দিতে হয়। ভরা জোছনা দেখার ইচ্ছা মরে গেলে, পূর্ণিমায় চাঁদের দিকে তাকাতে কৃপণতা করলে, হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির স্পর্শে অলসতা দেখালে, সুন্দর সুন্দর জায়গায় ঘুরতে বের না হলে কিংবা দুজনের একান্ত আলাপনে ইচ্ছা-অনিচ্ছা, স্বপ্ন-আশা এবং পছন্দ-অপছন্দের গল্প না জমলে ভালোবাসাবাসির আসর জমে না।

যে জীবন ক্ষণিকের সেখানে অভিমানে দমবন্ধ রাখলে, ক্রোধ-অহংকারে নিজেকে মনের আড়াল করলে সে শোক পরাবাস্তব জগৎ অবধি নাড়া দেয়! জীবন উপভোগ্য করে নানান আয়োজনের সমাহার হোক। বিস্মিত বিছানায় এক বালিশে এক ফালি চাঁদের কথা হোক!

সম্পর্কে প্রশংসা এবং মুগ্ধতার দৃঢ়তা শক্ত গাঁথুনির ভূমিকা নেয়। যে সম্পর্কে সম্মান থাকে না, অভিযোগে পাহাড় উঁচু হয় এবং জিম্মি দশায় স্বার্থ হাসিলের স্বার্থপরতা মাথাচাড়া দেয়, সে সম্পর্ক অবশেষে মরে যায়। সম্পর্কে যত্ন না থাকলে, বিশ্বাস বাঁচিয়ে না রাখলে মনের সাথে মনের যে দূরত্ব হয় তা বঙ্গোপসাগরের প্রশস্ততা দিয়েও মাপা যায় না।

দুজনার মধ্যে অবহেলা এবং অবিশ্বাসের দেয়াল মজবুত হলে দুজন দুই পারের অচেনা মানুষে বদলে যায়। তখন কণ্ঠ কর্কশ শোনায়, আচরণ বাঁকা দেখায় এবং ছায়াতেও বিষ ছড়ায়। দুজনের এক পৃথিবীতে অশুভের বহু পর্যায় এসে ভর করে। তখন ক্ষতির গতি উপকারের রেখা ছাপিয়ে যায়।

যখন সময়কে খুন করতে ইচ্ছা করে, তখন সে সম্পর্কের দাফন হয়ে গেছে। প্রচণ্ড ভালোবাসার মানুষটি একদিনে ব্যাপক অপছন্দে নিশ্চয়ই বদলে যায় না। সেখানে বিশ্বাসঘাতকতার বহু চিহ্ন থাকে, অবহেলার পুরু গল্প জমে কিংবা ইচ্ছা মূল্যায়নের মানসিকতায় ব্যাপক বৈপরীত্য আঁকে।

মনের যত্ন ছাড়া, ভরসার বাহু ছাড়া কিংবা বিশ্বাসের গভীরতা ছাড়া প্রিয়জনকে আগলে রাখা যায় না। অসংখ্য বৈপরীত্য সামলে নিয়েও, পছন্দের পার্থক্য সত্ত্বেও মিলেমিশে থাকা যায়। তবে অযত্ন আর অসত্যে মাখামাখিতে সে সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না; বরং ছিঁড়ে গেলেই দুজনেই বেঁচে যায়! দুজন দুদিকে হারিয়ে যায়।

যত্ন যত মধুর হবে সম্পর্ক তত বঁধুর হবে! যে মানুষটি সারাজীবন আপনাকে কেন্দ্র করে থাকবে, আপনাকে ভরসা করে বাঁচবে, তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে কেবল একটি সম্পর্কের যবনিকাপাত ঘটে না বরং একটি গোটা মানুষ মানসিকভাবে মৃত্যুবরণ করে। তখন দুঃস্বপ্ন ডালপালার গল্প হয়ে রটে।

সে মানুষ আর নতুন করে বাঁচার আশা পায় না। সমাজ তাকে অশুভ হাত ও ইশারায় ঝাপটে ধরে। কাউকে দ্বিতীয়বার বিশ্বাসের ভরসা হয় না। কারো সরল বিশ্বাস ভাঙার ক্ষতি তাকে খুন করার ক্ষতির চেয়েও অধিক।

মন যদি মরে যায়, ইচ্ছা যদি পুড়ে যায় কিংবা আশা যদি ফুরিয়ে যায়, তার বাঁচা-মরা সমান কথা! বুকের বাম পাশের ওজন আর কোনোদিন কমে না। বিশ্বাস হারিয়ে বেঁচে থাকে—কোনো এক জিন্দা লাশ!

ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মোঃমাহফুজুর রহমান বিপ্লব। প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০২ এএম
ফরিদপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে বিকাশ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর করেছে বলে জানাযায়।

আজ রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের সাতৈর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বিকাশ চন্দ্র কর্মকার বোয়ালমারী উপজেলার কামারহাটি গ্রামের নিতাই চন্দ্র কর্মকারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েক বছর আগে সাতৈর বাজারে স্বর্ণের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং দেনা পরিশোধ করতে জমিজমা বিক্রি করেন। প্রায় দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যায়। এরপর থেকে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
স্থানীয়দের ধারণা, ঋণগ্রস্ততা ও ব্যক্তিগত হতাশা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পদ বেঁচে নেয়।

জানাযায়, রাজশাহী থেকে গোপালগঞ্জগামী গামী ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

ফারুক হোসাইন, ব্যুরো প্রধান, রংপুর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০০ এএম
দীর্ঘ এক যুগ পর কোর্টের রায়, স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমি উদ্ধার

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের উত্তর ঘনেশ্যাম তুষভান্ডার বাজার এলাকায় ০৫-০৪-২৫ রোজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জমির মালিকানা ফিরে পেয়েছেন প্রকৃত মালিকরা। সিভিল জজ আদালতের মোকদ্দমা নম্বর ১২৩/১৫-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, তুষভান্ডার বাজার এলাকার ৪৮৩৪ দাগের ‘ক’ তফসিলে বর্ণিত প্রায় ৪০ শতক জমি দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন দেবদাস রায় মোহন, পিতা: যতীন্দ্র মোহন, উত্তর ঘনেশ্যাম। এ ঘটনায় শ্রী বিপিন চন্দ্র রায় ওরফে নূর মোহাম্মদ, পিতা: বিজন ভূষণ রায় বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি ও প্রমাণ উপস্থাপনের পর আদালত প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় প্রদান করেন।
রায় কার্যকর হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে এবং দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটে। স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রকৃত মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা জমি ফিরে পেয়ে খুশি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অন্যায়-জুলুম আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শ্রমিক দল। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অবরোধে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় যানজট। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

অবরোধ চলাকালে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ফকু, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুনান হক্কানি এবং জেলা যুবদলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নুর মোহাম্মদ প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কামালকে অবৈধভাবে বাফার গোডাউনে টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি সারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।

তারা আরও বলেন, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অপসারণ করা না হলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কর্মসূচি শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

error: Content is protected !!