শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

টঙ্গীতে নেতা নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫, ২:০৪ পিএম | 84 বার পড়া হয়েছে
টঙ্গীতে নেতা নয় জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে সেই ছোটবেলা থেকেই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি র রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন টঙ্গী ৫৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দার ও বিএনপি’র পরিবারের সন্তান শাহাবুদ্দিন।

গাজীপুর মহানগর ৫৭ নং ওয়ার্ড হাজী নগর ইউনিট এলাকার জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের মুখে মুখে রব উঠেছে একটিই নাম সেটি হলো ভরাণ মাজার হাজী নগর ইউনিট যুবদলের  সফল সভাপতি, বিএনপি র পরিবারের সন্তান ও তরুণ প্রজন্মের আইকন শাহাবুদ্দিন।

টঙ্গী ৫৭ ওয়ার্ড হাজী নগর ইউনিট জনমত জরিপে দেখা গেছে, উক্ত ওয়ার্ডের কয়েকজন জন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থীর মধ্যে তিনি সর্বপ্রথমে রয়েছেন বলে এলাকাবাসী এছাড়াও শাহাবুদ্দিন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা, প্রতিবেদককে জানান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে চলতে হবে। কী পেলাম আর কী পেলাম না এ নিয়ে ভাববার সময় এখন নয়।

এখন আমাদের প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে বিএনপির ৩১ দফার কথা এবং আমাদের অহংকার তারেক রহমানের আহ্বানের কথা পৌঁছিয়ে দিতে হবে।

দলের দুর্দিনে যারা রাজপথে ছিলেন, নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,দল নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই তাদের মূল্যায়ন করবে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার রহমানের কর্মকাণ্ডকে মূল্যায়ন করেই আমাদের সামনের দিনগুলোকে এগিয়ে নিতে হবে।

তবে গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা দীর্ঘ ১৭বছর পর মুক্ত বাতাসে কথা বলার যে স্বাধীনতা পেয়েছি, সেটি পূর্ণতা পাবে,আর যদি কথিত ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করি এবং দলের আদর্শ না মানি তবেু আমাদের ভাগ্যে এর চেয়েও খারাপ কিছু লেখা হবে।

তিনি দলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি ৫৬ নং ওয়ার্ড হাজী নগর ইউনিটে যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী অংশ নেন ,দলীয় সিদ্ধান্ত মতে

বিএনপি’র আদর্শকে বুকে লালন করে তবুও তিনি বিএনপি’র রাজনীতির হাল ছাড়েননি। তিনি জীবনটাকে বিএনপির রাজনীতি বুকে আঁকড়ে ধরে আছেন দীর্ঘদিন ধরে।

তার রাজনৈতিক বর্ণাঢ্য জীবনে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি,এজন্যই টঙ্গী ভরাণ মাজার হাজী নগর ইউনিট এলাকার সাধারণ জণগণ
তাকে এবার ভরান হাজী নগর ইউনিট যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেন।

তবে শাহাবুদ্দিন ইতিমধ্যে তরুণ প্রজন্মের কাছে একটি আইকন হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী, ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার তিনি আরও বলেন আমি ছোট বেলা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে।

কতিপয় ফ্যাসিবাদ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন আমাকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করেন তবে রাখে আল্লাহ মারে কে আল্লাহ পাক আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন।

আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার রহমানে আদর্শের সৈনিক হিসেবে নেতা হয়ে নয় জনগণের সেবক হিসেবে পাশে থেকে কাজ করতে চাই বলে শাহাবুদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন।

তিনি এটাও বলেন আমি এই ইউনিটের যুবদলের সভাপতি না হয়েও ইউনিটবাসীর জন্য সময়ে অসময়ে ও করোনাকালীন সময়ে যে সাহায্য-সহযোগিতা জনগণের মাঝে করেছি তা জনগণ কখনই ভুলবেন না আশাকরেন ব্যাখ্যা করেন।

আমি সভাপতি হতে পারলে টঙ্গী ভরাণ মাজার হাজী নগর ইউনিটকে নতুন করে সাজাবো সেই সাথে একটি দুর্নীতিমুক্ত ইউনিট গঠন করবো।

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!