মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

নিউজ নাইন

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ নাইন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩১ পিএম | 316 বার পড়া হয়েছে
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ  নাইন

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, আরব আমিরাত

শারজাহ্ এয়ারপোর্ট আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার ঘোষণা

মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, আরব আমিরাত প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
শারজাহ্ এয়ারপোর্ট আংশিকভাবে খুলে দেওয়ার ঘোষণা

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, শারজাহ্ আজ থেকে শারজাহ্ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সীমিত আকারে ফ্লাইট পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে।

শারজাহ্ মিডিয়া ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এই পদক্ষেপটি একটি নির্ধারিত কর্মসূচীর অধীনে এবং বিমান সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সাথে সমন্বয় করে পরিচালিত হবে।

যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে তাদের বিমান সংস্থাগুলির সাথে যোগাযোগ করে প্রস্থানের সময় নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বিমানবন্দর প্রশাসন যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসাবে বজায় রেখে, সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে, মসৃণ কার্যক্রম এবং দক্ষ পরিষেবা প্রদান নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছে।

কবি ও সাংবাদিক জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর

শরিফ ওসমান হাদি : এক অদম্য উচ্চারণ

কবি ও সাংবাদিক জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৩ পিএম
শরিফ ওসমান হাদি : এক অদম্য উচ্চারণ

নলছিটির ভোরের আলোয় যে শিশুর প্রথম কান্না,
কে জানত সেই কণ্ঠ একদিন হয়ে উঠবে জনতার ডাক।
ঝালকাঠির নদী-হাওয়ায় বড় হওয়া সেই তরুণ
বুকের ভেতর লালন করত এক অদম্য স্বপ্নের আগুন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে
তিনি শুধু পাঠ নেননি—
রাষ্ট্র, ন্যায় আর মানুষের অধিকারের মানে
নিজের ভেতর গেঁথে নিয়েছিলেন শপথের মতো।
শ্রেণিকক্ষে ছিলেন শান্ত, যুক্তির দীপ্তিতে উজ্জ্বল,
কিন্তু রাজপথে ছিলেন বজ্রকণ্ঠ—
অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করার
এক দৃপ্ত প্রতিজ্ঞা।
জুলাইয়ের উত্তাল দুপুরে
যখন শহর জেগে উঠেছিল প্রতিবাদের ঢেউয়ে,
তিনি দাঁড়িয়েছিলেন সামনের সারিতে—
চোখে আগুন, কণ্ঠে অদম্য সাহস।
তিনি বলেছিলেন,
মানুষের অধিকার কোনো দয়া নয়,
এটা জন্মগত—
এটা কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।
ইনকিলাবের পতাকা উড়িয়ে
তরুণদের ডেকেছিলেন জাগরণের পথে,
বৈষম্যের দেয়ালে লিখেছিলেন প্রশ্ন—
“কেন নয় সমতা, কেন নয় ন্যায়?”
তারপর একদিন—
পল্টনের ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ গুলির শব্দ।
রক্তে ভিজে গেল স্বপ্নের শার্ট,
নীরব হয়ে গেল এক জাগ্রত কণ্ঠ।
দূরদেশের হাসপাতালের শীতল কক্ষে
১৮ ডিসেম্বর থেমে গেল হৃদস্পন্দন,
কিন্তু থামেনি উচ্চারণ—
শহরের বাতাসে আজও তা প্রতিধ্বনি তোলে।
শাহবাগের পথে, মিছিলের ভিড়ে,
বিচারের দাবিতে কাঁপা স্লোগানে
তিনি ফিরে আসেন বারবার—
রক্তমাখা জুলাইয়ের প্রতিটি স্মৃতিতে।
মৃত্যু তাঁকে নিভিয়ে দিতে পারেনি,
বরং ছড়িয়ে দিয়েছে অগণিত হৃদয়ে।
তিনি এখন এক প্রজন্মের সাহস,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর নাম।
শরিফ ওসমান হাদি—
তুমি কেবল একজন মানুষ নও,
তুমি এক সময়ের জ্বালা,
একটি জাতির বিবেকের রক্তাক্ত উচ্চারণ।

জেমস আব্দুর রহিম রানা কবি ও সাংবাদিক, মণিরামপুর, যশোর

ভবদহের কথকতা

জেমস আব্দুর রহিম রানা কবি ও সাংবাদিক, মণিরামপুর, যশোর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩০ পিএম
ভবদহের কথকতা

রাস্তা দিয়ে নৌকা চলে
নদীতে নাই জল,
খেলার মাঠে মাছ ধরে সব
ভাসে শেওলা দল।
বলতে পার গল্প এসব
কেমন করে হয় ?
নদীর বুকে গরু চরে
পথে নৌকা বায় !
হ্যা-রে ভাই ! সত্যি এসব
দেখতে যদি চাও-
বাংলাদেশে যশোর জেলার
ছিয়ানব্বই যাও।
দেখবে সেথায় মানুষগুলো
আধেক মরে গেছে
সব হারিয়ে শুন্যপ্রাণে
কেবল বেঁচে আছে।
স্রোতের ভাঙন, বন্যা প্লাবন
সেসব কিছু নয়
বৃষ্টির জল জমে জমে
ঘটছে বিপর্যয়।
পলিমাটির উজান স্রোতে
ভবদহের বুক
ভরাট হয়ে নিলো কেড়ে
ছিয়ানব্ব‌ই এর সুখ।
নদীতে তাই সবুজ ডাঙা
গরু বাছুর চরে,
বর্ষা এলে কোমর জল হয়
চলার পথের পরে।
জল সরেনা সাতাশ বিলের
মাঠের ফসল নাই
গাছ গাছালি উজাড় হলো
দেনার দায়ে তাই।
গবাদিসব পশুগুলো
হাড় চামড়া সার
জলের দামে বেচতে হলো
রাখবে কোথায় আর ?
দুমুঠো ভাত, গরুর খাবার
পানের শুদ্ধ জল
অভাব সবি, নাইকো জাগি
একটি টিউবয়েল।
বুকটা সমান ডুবে আছে
কোথাও পানির নীচে,
সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালাতে হয়
তুলসী পিড়ি সেঁচে।
শিশুর মুখে বাড়তি খাবার
একটু গরুর দুধ
কে জোগাবে, কোথায় পাবে?
নেই সে সুযোগটুক।
কেউ বেচে খায় শাপলা শালুক
কেউবা শামুক খোটে-
বস্তা টেনে কেউ খেটে খায়
নওয়াপাড়ার ঘাটে।
মাছ ধরা এক কমোন পেশা
বউ বেটাতে মিলে
সারাটা রাত বশা ফেলে
কাটাতে হয় বিলে।
পুষ্টিহীনা মায়ের কোলে
রুগ্ন ছেলে কাঁদে
পেটে যে তার রয়ে গেছে
আজন্মের খিদে।
মেটেনা তার পেটের ক্ষুধা
শুকনো বক্ষ চুষে,
ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে
মায়ের বক্ষদেশে।
চালের গুড়ো গুলে তাহার
হতভাগ্য মা
বুকের দুধের অভাব মিটায়,
তৃষ্ণা মিটেনা।
পাখীর কুজন যায়না শোনা
বাড়ির আঙিনায়
এ যেন কোন বিরান ভূমি
শ্যামল শোভা নাই।
স্বাস্থ্যহীন ঐ কুকুরগুলো
দল বাধিয়া চলে
ক্ষুধার লাগি মাছ ধরে খায়
ঝাপ মারিয়া জলে।
বাশের সাঁকো প্রতিবাড়ি
খাটের পায়া জলে
মাচা বেধে কেউবা থাকে
পলিথিনের তলে।
তালের ডোঙা আছে বাধা
ঘরের খুটির সাথে
যোগাযোগের একটা বাহন
দিবস, মধ্য রাতে।
শিশুর মাজায় আঁচল বেধে
ঘুমায় রাতে মা,
চমকে উঠে থেকে থেকে
ঘুমতো আসে না।
এই বুঝি তার কোলের ছেলে
পড়লো না কি জলে
থেকে থেকে চমকে উঠে
মাছে পাখাল দিলে।
বৃদ্ধ, শিশু এক বিছানায়
কাটায় রাত্রিদিন
জন্ম -মৃত্যু খাটের পরে
দুঃখ সীমাহীন।
প্রসব ব্যথায় কাতর মাতা
সেইসে খাটের পরে,
বৃদ্ধ শ্বশুর শুয়ে আছে
যাহার একটি ধারে।
রান্না বান্না এক খাটেতে
পূঁজা-ভেলার পর,
শ্রাদ্ধ -বিয়ে স্কুল ছাদে
উপায় কি বা আর।
খেজুরভাঙা হয়না হেথায়,
রথযাত্রার মেলা
পোষ পাবনে পিঠা-পুলি
সখের যাত্রাপালা।
বিদ্যাদেবীর মন উচাটন
লক্ষ্মী তাহার সাথে,
বাস্তদেবীর চোখ ভরা জল-
উঠতে হবে পথে।
সাপের কামড়, পোকা মাকড়
করোনার নেই ভয়,
মরণ দিয়ে মরনভীতি
করছে এরা জয়।
শুন্য গোয়াল, দেবমন্দির
দেবতা সেই সাথে-
নিত্যপূঁজার কাঁসর ঘন্টা
নিথর হয়ে গেছে।
শ্মশান ঘাটে উঠেছে জল
বিদ্যালয়ের দ্বার
আধেক বছর বন্ধ থাকে
দেখবে কেবা আর?
পদ্মা নদীর উপর দিয়ে
রেলগাড়ি যায় চলে,
আমরা কি সব ভাসবো জলে
ছিয়ানব্বই বলে ?
এই পরিবেশ আর ক’বছর
থাকলে বহমান,
কালের খাতায় রইবে শুধু
ছিয়ানব্ব‌ই এর নাম।
স্তব্ধ হবে এই জনপদ
উজাড় হবে গাঁ
পেটের দায়ে ছাড়তে হবে
জন্মভূমির মায়া।
এরই মধ্যে কয়েক হাজার
গিয়েছে দেশ ছেড়ে
বাকীরা সেই পথ ধরেছে
যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
কতরাজা এলো গেলো
প্রতিশ্রুতি সার-
ভবদহ তেমনি আছে
হয়নি সংস্কার।
…. ….

(ছিয়ানব্বই, এক বর্ধিষ্ণু জনপদের নাম।বাংলাদেশের যশোর- খুলনা জেলার সীমান্তবর্তী পাশাপাশি ৯৬ টি হিন্দু অধ‍্যুষিত গ্রাম মিলে এই জনপদের ধারণা প্রতিষ্ঠিত । শিক্ষা সংস্কৃতির অগ্রগতির জন্য দেশ বিদেশের অনেকের কাছেও ছিয়ানব্বই নামটি খুবই পরিচিত। বিগত১৯৮৮ সাল থেকে কৃত্রিম জলাবদ্ধতায় এই বিস্তৃত এলাকার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করে যাচ্ছে। )

লেখক: জেমস আব্দুর রহিম রানা
সিনিয়র গণমাধ্যমকর্মী, সাহিত্যিক ও কলামিস্ট।

error: Content is protected !!