মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩

মোঃ সোহরাব হোসেন বরগুনা

উৎসবে মেতে উঠল বরগুনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম | 63 বার পড়া হয়েছে
উৎসবে মেতে উঠল বরগুনা

নানান বর্ণিল আয়োজন, আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর উৎসবের আমেজে বরগুনায় উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। “নববর্ষে ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনর্গঠন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ শোভাযাত্রা ও দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই উৎসবের আবহে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বরগুনা শহর। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। রঙিন পোশাক, মুখোশ, প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন এই আনন্দযাত্রায়।
জেলা প্রশাসক জনাব তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা (পিপিএম-সেবা), স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আর. এম. সেলিম শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ ইব্রাহিম এবং এডিএম ও পৌর প্রশাসক সজল চন্দ্র শীল।
এছাড়াও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এ উৎসব সকল ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে। তারা নতুন বছরে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শোভাযাত্রা শেষে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ মেলা ও গ্রামীণ খেলাধুলা। এসব আয়োজন ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়, যা নববর্ষ উদযাপনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
আনন্দ, ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বরগুনার এই নববর্ষ উদযাপন যেন নতুন বছরে একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক সূচনা হয়ে থাকল।

 

দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে বিসমিল্লাহ বলে ল্যাপটপের সুইচ চেপে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের আরও ১০টি উপজেলায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

কৃষকদের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেবেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিশ্বখাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াকুন শি। এ সময় কৃষক কবির হোসেন ও কিষানি জুলেখা বেগমও বক্তব্য দেবেন।

ভাষণ শেষে পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। দুপুরের পর তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন।

এদিকে, এই কর্মসূচি ঘিরে টাঙ্গাইল শহরে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। তাঁর আগমণ ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

সর্বপ্রথম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ পূর্বপাড়া ব্লকের ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত এই কৃষকদের মধ্যে ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড তুলে দেন।

 

খুশকির জন্য প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ পিএম
খুশকির জন্য প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট

প্রশ্ন: আমি প্রচুর ঘামি। কীভাবে এই গরমে অফিসে সারা দিন তরতাজা থাকতে পারব?

লীনা আফরোজ, ঢাকা

উত্তর: প্রথমে ভালোভাবে বডি সোপ বা শাওয়ার জেল দিয়ে বডি ওয়াশ করে নিতে হবে। এরপর টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে শরীর মুছে বগলে ডিওডোরেন্ট রোল ওন, ডিও স্টিক লাগাতে হবে। বডির সব জয়েন্টে ডিও স্প্রে লাগাতে হবে পায়ের পাতাসহ। এরপর পরিষ্কার কাপড় ও জুতা পরলে সারা দিন থাকবেন ফ্রেশ। পরিষ্কার কাপড় প্রথম ব্যবহারের সময় ভালো পারফিউম লাগালে ফ্রেশ থাকে ঘামের পরেও।

প্রশ্ন: চুল শ্যাম্পু করার পরও মাথার ত্বক চুলকায় এবং নখে সাদা সাদা ময়লা উঠে আসে। করণীয় কী?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, চট্টগ্রাম

উত্তর: এটা এই সময়ে সাধারণ সমস্যা। অনেকে এই প্রশ্ন করেন। খুব সম্ভবত এটা খুশকি। এর প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর ভালো মানের অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু নিয়মিত ব্যবহার করলে একেবারে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। মাথার ত্বক অনেক শুষ্ক হলে শ্যাম্পু করার আগে খাঁটি নারকেল বা জলপাই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন।

চুলের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বলতা ফেরাবে গ্লিসারিন

প্রশ্ন: চুল রং করার পর রুক্ষ হয়ে গেলে কী করণীয়?

দীপা আক্তার, বরগুনা

উত্তর: ব্লিচ দিয়ে কালার করার পর ডিপোজিট কালার ব্যবহার না করে ছেড়ে দেওয়া হলে এ রকম হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পারলারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। তা ছাড়া ঘরে টক দই দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেললেও কিছুটা উপকার পাওয়া যাবে।

পরামর্শ দিয়েছেন: শোভন সাহা, কসমেটোলজিস্ট ও স্বত্বাধিকারী শোভন মেকওভার

প্রাচীন পানীয়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
প্রাচীন পানীয়

কথায় কথায় আমরা বলি, আমাদের নিজস্ব পানীয় নেই। কিন্তু এই গ্রীষ্মের জন্য নিজস্ব পানীয় আছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে সেগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায় কখনো ‘আমের পানা’ কিংবা কখনো ‘বেলের পানা’ নামে। মূলত ‘পানা’ শব্দটি দিয়ে পানীয় বোঝানো হতো। পরবর্তী সময়ে মোগল প্রভাবে সেগুলোই হয়ে গেছে শরবত; যেমন আম পোড়ার শরবত বা বেলের শরবত। কিন্তু রেসিপিতে খুব বেশি পার্থক্য হয়নি। আমাদের গ্রীষ্মকালের দুটি পানীয়র সহজ রেসিপি রইল এখানে।

আম পোড়ার শরবত

উপকরণ

কাঁচা আম ছয়টি, জিরাগুঁড়া এক চা-চামচ, মৌরিগুঁড়া আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচগুঁড়া তিনটি, কালো গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, বিট লবণ এক চা-চামচ, চিনি এক কাপ, চাট মসলা এক চা-চামচ, আমচুর পাউডার এক চা-চামচ, কাঁচা মরিচ তিন থেকে চারটি, পুদিনাপাতা আধা কাপ, বরফকুচি স্বাদমতো, লেবুর রস আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো এবং আদাকুচি আধা চা-চামচ।

প্রণালি

খোসাসহ আম চুলায় পুড়ে নিন। এবার বরফকুচি ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে পেস্ট করে ছেঁকে নিন। সবশেষে গ্লাসে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

error: Content is protected !!