মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩

যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪০ এএম | 51 বার পড়া হয়েছে
যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে

বাংলাদেশের জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাই গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দিনটি আমাদের জীবনে প্রতিবছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে; নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।’

আগামীকাল মঙ্গলবার ‘পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ’ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের সঙ্গে আমাদের এই অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সম্পর্ক নিবিড়। তথ্যপ্রযুক্তির এই সুবর্ণ সময়েও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কৃষক তাঁর ফসল উৎপাদনের দিনক্ষণ ঠিক করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পয়লা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশাখী মেলা, বৈশাখী শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরে এবং আমাদের ঐক্যবোধে উজ্জীবিত করে। বাংলা নববর্ষ আমাদের সামনে এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির নবজাগরণ আর মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলেমিশে সৃষ্টি করে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে যাত্রা শুরু করে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার। দায়িত্ব নিয়েই এই সরকার রাষ্ট্র ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনের মানোন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। কৃষক, কৃষি ও কৃষি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচি। আগামী দিনগুলোয় এই কৃষক কার্ড বাংলাদেশের কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে, বাংলা নববর্ষে এটিই হোক সবার প্রত্যয় ও প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। দেশবাসীকে তিনি আবারও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে বিসমিল্লাহ বলে ল্যাপটপের সুইচ চেপে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের আরও ১০টি উপজেলায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

কৃষকদের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেবেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিশ্বখাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াকুন শি। এ সময় কৃষক কবির হোসেন ও কিষানি জুলেখা বেগমও বক্তব্য দেবেন।

ভাষণ শেষে পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। দুপুরের পর তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন।

এদিকে, এই কর্মসূচি ঘিরে টাঙ্গাইল শহরে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। তাঁর আগমণ ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

সর্বপ্রথম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ পূর্বপাড়া ব্লকের ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত এই কৃষকদের মধ্যে ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড তুলে দেন।

 

খুশকির জন্য প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ পিএম
খুশকির জন্য প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট

প্রশ্ন: আমি প্রচুর ঘামি। কীভাবে এই গরমে অফিসে সারা দিন তরতাজা থাকতে পারব?

লীনা আফরোজ, ঢাকা

উত্তর: প্রথমে ভালোভাবে বডি সোপ বা শাওয়ার জেল দিয়ে বডি ওয়াশ করে নিতে হবে। এরপর টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে শরীর মুছে বগলে ডিওডোরেন্ট রোল ওন, ডিও স্টিক লাগাতে হবে। বডির সব জয়েন্টে ডিও স্প্রে লাগাতে হবে পায়ের পাতাসহ। এরপর পরিষ্কার কাপড় ও জুতা পরলে সারা দিন থাকবেন ফ্রেশ। পরিষ্কার কাপড় প্রথম ব্যবহারের সময় ভালো পারফিউম লাগালে ফ্রেশ থাকে ঘামের পরেও।

প্রশ্ন: চুল শ্যাম্পু করার পরও মাথার ত্বক চুলকায় এবং নখে সাদা সাদা ময়লা উঠে আসে। করণীয় কী?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, চট্টগ্রাম

উত্তর: এটা এই সময়ে সাধারণ সমস্যা। অনেকে এই প্রশ্ন করেন। খুব সম্ভবত এটা খুশকি। এর প্রফেশনাল ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পর ভালো মানের অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু নিয়মিত ব্যবহার করলে একেবারে এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। মাথার ত্বক অনেক শুষ্ক হলে শ্যাম্পু করার আগে খাঁটি নারকেল বা জলপাই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করে নিতে পারেন।

চুলের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বলতা ফেরাবে গ্লিসারিন

প্রশ্ন: চুল রং করার পর রুক্ষ হয়ে গেলে কী করণীয়?

দীপা আক্তার, বরগুনা

উত্তর: ব্লিচ দিয়ে কালার করার পর ডিপোজিট কালার ব্যবহার না করে ছেড়ে দেওয়া হলে এ রকম হতে পারে। এ ক্ষেত্রে পারলারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট নিতে হবে। তা ছাড়া ঘরে টক দই দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেললেও কিছুটা উপকার পাওয়া যাবে।

পরামর্শ দিয়েছেন: শোভন সাহা, কসমেটোলজিস্ট ও স্বত্বাধিকারী শোভন মেকওভার

প্রাচীন পানীয়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
প্রাচীন পানীয়

কথায় কথায় আমরা বলি, আমাদের নিজস্ব পানীয় নেই। কিন্তু এই গ্রীষ্মের জন্য নিজস্ব পানীয় আছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে সেগুলোর উল্লেখ পাওয়া যায় কখনো ‘আমের পানা’ কিংবা কখনো ‘বেলের পানা’ নামে। মূলত ‘পানা’ শব্দটি দিয়ে পানীয় বোঝানো হতো। পরবর্তী সময়ে মোগল প্রভাবে সেগুলোই হয়ে গেছে শরবত; যেমন আম পোড়ার শরবত বা বেলের শরবত। কিন্তু রেসিপিতে খুব বেশি পার্থক্য হয়নি। আমাদের গ্রীষ্মকালের দুটি পানীয়র সহজ রেসিপি রইল এখানে।

আম পোড়ার শরবত

উপকরণ

কাঁচা আম ছয়টি, জিরাগুঁড়া এক চা-চামচ, মৌরিগুঁড়া আধা চা-চামচ, শুকনা মরিচগুঁড়া তিনটি, কালো গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, বিট লবণ এক চা-চামচ, চিনি এক কাপ, চাট মসলা এক চা-চামচ, আমচুর পাউডার এক চা-চামচ, কাঁচা মরিচ তিন থেকে চারটি, পুদিনাপাতা আধা কাপ, বরফকুচি স্বাদমতো, লেবুর রস আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো এবং আদাকুচি আধা চা-চামচ।

প্রণালি

খোসাসহ আম চুলায় পুড়ে নিন। এবার বরফকুচি ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ডারে ভালোভাবে পেস্ট করে ছেঁকে নিন। সবশেষে গ্লাসে বরফকুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

error: Content is protected !!