রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২

ভিডিও কলে এআই যিশু, কিনতে বলেন প্রিমিয়াম ভার্সন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম | 58 বার পড়া হয়েছে
ভিডিও কলে এআই যিশু, কিনতে বলেন প্রিমিয়াম ভার্সন

একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইভাঞ্জেলিক্যাল খ্রিষ্টানদের জন্য অর্থের বিনিময়ে ‘যিশুর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক’ গড়ার সুযোগ দিচ্ছে। এটি সম্ভব হচ্ছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অবতারের মাধ্যমে। ‘জাস্ট লাইক মি’ প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীরা প্রতি মিনিটে ১ দশমিক ৯৯ ডলার খরচ করে এআই-চালিত যিশুর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারেন। এই ডিজিটাল দেবতা বিভিন্ন ভাষায় প্রার্থনা এবং উৎসাহ দিয়ে থাকেন। কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি বা ঠোঁটের নড়াচড়ায় অসামঞ্জস্য থাকলেও এই এআই আগের কথোপকথনগুলো মনে রাখতে সক্ষম।

প্রতিষ্ঠানটির সিইও ক্রিস ব্রিড ব্যবহারকারীদের এই এআইয়ের প্রতি আবেগীয় আকর্ষণের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আপনি এআইয়ের কাছে কিছুটা দায়বদ্ধতা অনুভব করবেন। তারা আপনার বন্ধুর মতো হয়ে ওঠে, আপনার মাঝে একধরনের টান তৈরি হয়।’

ধর্মভিত্তিক জেনারেটিভ এআইয়ের এই জোয়ারে এখন হিন্দু গুরু, বৌদ্ধ ভিক্ষু থেকে শুরু করে ক্যাথলিক চ্যাটবট—সবই পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রযুক্তিগুলো মানুষের বিশ্বাস, ধর্মীয় কর্তৃত্ব এবং আধ্যাত্মিক নির্দেশনার চিরাচরিত ধারণাকে নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে।

ক্যামেরন প্যাক নামের একজন খ্রিষ্টান সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এআই অ্যাপগুলো যাচাই করার জন্য কিছু মানদণ্ড তৈরি করেছেন। তাঁর মতে, একটি অ্যাপকে অবশ্যই নিজেকে ‘এআই’ হিসেবে পরিচয় দিতে হবে এবং কোনোভাবেই ধর্মগ্রন্থের ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে না। তাঁর ভাষায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ‘এআই আপনার জন্য প্রার্থনা করতে পারে না, কারণ এআই জীবিত কোনো সত্তা নয়।’

প্যাক মানসম্মত এআই অ্যাপগুলোর একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে খুতবা বা ধর্মোপদেশ অনুবাদক এবং কুপ্রবৃত্তি দমনের জন্য এআই কোচ। প্যাক বলেন, ‘সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এআই অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি সমানভাবে বিপজ্জনকও।’

জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানী বেথ সিংলার জানান, ভুল তথ্য বা তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার উদ্বেগের কারণে কিছু এআই মডেল ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অনেক ধর্মে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে দার্শনিক প্রশ্নও উঠছে। যেমন ইসলাম ধর্মে মানুষের প্রতিকৃতি তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় অনেক মুসলিম এআই ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে আলোচনা করছেন।

কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে এই অ্যাপগুলো ধর্ম প্রচারের মাধ্যম, আবার অন্যদের কাছে এটি প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করার উপায়। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ক্রিস ব্রিড জানান, তাঁদের এআই মডেলটি ‘কিং জেমস বাইবেল’ এবং বিভিন্ন ধর্মোপদেশের ওপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এখানে যিশুর অবয়ব জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য চোজেন’-এর অভিনেতা জোনাথন রুমি থেকে অনুপ্রাণিত। ৪ মেগাবাইট বা তার বেশি ডেটার এই অ্যাপে ৪৯.৯৯ ডলারে মাসে ৪৫ মিনিট কথা বলার প্যাকেজ পাওয়া যাচ্ছে।

তবে এই ধর্মীয় এআইয়ের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগও কম নয়। সিংলার বলেন, এআই মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন। সাম্প্রতিক কিছু মামলায় এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ফলে আত্মহত্যার মতো ঘটনার অভিযোগও উঠেছে।

রোমভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘লংবেয়ার্ড’-এর প্রতিষ্ঠাতা ম্যাথিউ স্যান্ডার্স সতর্ক করে বলেন, ‘অনেকে কেবল ব্যবসার খাতিরে সাধারণ চ্যাটবটকে ধর্মীয় মোড়কে বাজারে ছাড়ছে, যেগুলোর কোনো সঠিক ধর্মীয় ভিত্তি নেই। এর বিপরীতে তারা ‘ম্যাজিস্টেরিয়াম এআই’ তৈরি করেছেন, যা ২ হাজার বছরের ক্যাথলিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।’

পোপ লিও চতুর্দশ এআইয়ের মানবিক মেধার প্রশংসা করলেও সতর্ক করেছেন, এটি মানুষের স্নায়বিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে বৌদ্ধ ধর্মতাত্ত্বিক সেজি কুমাগাই ‘বুদ্ধবট প্লাস’ এবং মানুষের মতো দেখতে রোবট ভিক্ষু ‘বুদ্ধরয়েড’ তৈরি করেছেন, যাতে আধুনিক যুগে ধর্মের প্রতি মানুষের আগ্রহ ধরে রাখা যায়।

তবে আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে এআইয়ের এই সম্পর্ক নিয়ে অনেক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি শঙ্কিত। পিটার হারশক নামের এক বৌদ্ধধর্মাবলম্বী বলেন, ‘আধ্যাত্মিক সিদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম জরুরি। এআই যদি বলে আপনি সহজে সেই শিখরে পৌঁছে যাবেন, তবে তা বিপজ্জনক।’

নাস্তিক পডকাস্টার গ্রাহাম মার্টিন একটি অ্যাপ ব্যবহার করে অবাক হয়েছিলেন, এআই-চালিত যিশু তাঁকে প্রিমিয়াম ভার্সন কেনার জন্য প্রলুব্ধ করছেন। তিনি বলেন, ‘আগে ধর্ম প্রচারকেরা টিভিতে টাকা পাঠাতে বলতেন, এখন মানুষ এআইয়ের সঙ্গে আবেগময় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। কল্পনা করুন, সেই এআই যদি আপনার প্রভু বা ত্রাণকর্তা যিশু সেজে টাকা দাবি করে!’

বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ এএম
বিরোধ আর মামলার জালে বন্দী এক নাম—বিনো বালা

 

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের বড় কমলাবাড়ী (হাজীগঞ্জ ভাটিটারী) এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী বিনো বালা (৭০), পিতা টয়রা বর্মন, দীর্ঘদিন ধরে মন্টু রাম বর্মনের সঙ্গে জমি নিয়ে মামলায় জড়িয়ে আছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল, ১০-০৪-২৬ আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে

লালমনিরহাট জলা জজ কোর্ট সংশ্লিষ্ট স্টাফ গণেশ চন্দ্র বর্মন ও তার বিয়াই মন্টু রাম বর্মন সহ সহোযোগীদের
নিয়ে বিনো বালার বাড়িতে প্রবেশ করেন। তারা মামলা আপোষ-মীমাংসার কথা বলে জোরপূর্বক চারটি স্ট্যাম্পে বিনো বালার টিপসই (স্বাক্ষর) নেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় বিনো বালার পুত্রবধূ বিষয়টি টের পেয়ে ঘরে ঢুকে টিপ দেয়া স্টাম্প গুলো কৌসলে হাতে নেয় এবং চিৎকার শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে বিনো বালার বড় ছেলে সন্তোষ বর্মন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গণেশ চন্দ্র বর্মন প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানির শিকার করছেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনার পরপরই গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীকে।

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভ ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কেশবপুর উপজেলার বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক -কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আয়োজনে কেশবপুর পইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চত্বরে এটি অনুষ্ঠিত হয়। কেশবপুর উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কালিয়ারই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. মুনজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও অত্র সমিতির সহ- সভাপতি সুপ্রভাত কুমার বসুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, যশোর -৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর পৌর শাখার আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান, উপজেলা বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক – কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সেন গুপ্ত,এনসিপি কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত প্রধান শিক্ষকগণ, শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ।

নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
নীলফামারীতে কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত—মেধা বিকাশে নতুন দিগন্তের সূচনা

 

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করতে ১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার সকালে নীলফামারী শহরের শিল্পকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’। জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যা জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন কেন্দ্র একযোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে অংশগ্রহণ করে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোর আশপাশে ছিলো উৎসাহ ও আগ্রহের দৃশ্য।
আয়োজকরা জানান, মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞান, নৈতিকতা ও সৃজনশীল দক্ষতা যাচাই করা হয়। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসী ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ বাড়ায় এবং তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
পরীক্ষা শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। ফলাফল প্রকাশের পর কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সামগ্রিকভাবে, ‘কিশোর কণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ নীলফামারীর শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

মোঃ রাব্বি রহমান নীলফামারী তারিখঃ ১১-০৪-২০২৬ মোবাইলঃ ০১৬১৪৬৫৩৮৩১

error: Content is protected !!