মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩১ চৈত্র ১৪৩৩

আমির হোসেন, ঝালকাঠিঃ

ঝালকাঠী জেলা পরিষদ প্রশাসক কে আইনজীবী সমিতি ও যুব রেড ক্রিসেন্টের ফুলেল শুভেচছা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম | 18 বার পড়া হয়েছে
ঝালকাঠী জেলা পরিষদ প্রশাসক কে আইনজীবী সমিতি ও যুব রেড ক্রিসেন্টের ফুলেল শুভেচছা

ঝালকাঠি জেলা পরিষদের নবনিয়গকৃত প্রশাসক আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাত হোসেন কে পৃথক ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বৃন্দ ও যুব রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল তিনটায় ঝালকাঠী জেলা পরিষদে প্রশাসকের কার্যালয়ে তাঁকে পৃথকভাবে সংগঠন দুটির প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাকে শুভেচ্ছা জানান। জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ হারুন আর রশিদ,সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ সোহেল আকন, যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. গোলাম সরোয়ার লিটন, যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. মোঃ মিজানুর রহমান মুবিন,ভিজিল্যান্স সদস্য এ্যাড. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, অর্থ সম্পাদক এ্যাড. মোঃ আরিফ হোসেন খান, ভর্তি সম্পাদক এ্যাড. মোঃ আমির হোসেন, লাইব্রেরি সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হোসেন, নির্বাহী সদস্য আক্কাস সিকদার এবং এ্যাড. মোবাশ্বের আলী ভুইয়া বাদশা সহ আইনজীবী সমিতির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রেড ক্রিসেন্ট যুব ইউনিটের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় কালে এডহক কমিটির সদস্য আক্কাস সিকদার ও জিয়াউল ইসলাম জুবায়ের সহ যুব ইউনিট কমিটির কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক পদাধিকার বলে রেডক্রিসেন্ট ইউনিটে চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়া সংক্রান্ত চিঠি প্রশাসকের হাতে তুলে দেন রেড ক্রিসেন্ট ঝালকাঠি ইউনিট লেভেল অফিসার মোঃ কাদের নুর ইসলাম। জেলা পরিষদ প্রশাসক জেলা আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিত্বের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে ঝালকাঠিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরে জেলার বিচার ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করার উপরে গুরুত্ব আরোপ করেন। একটি সেন্ড জিবি ইউনিটের সদস্যদের উদ্দেশ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বলেন আত্ম মানবতার সেবায় যুবদেরকে আরো বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি যেকোনো দুর্যোগে সবার আগে যুব ইউনিটের সদস্যরা যাহাতে উপস্থিত থাকে এবং তাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টাশ সংকট মোকাবিলা করে মানবতার কল্যাণ নিশ্চিত করার আহবান জানান। তিনি রেড ক্রিসেন্ট এর কার্যক্রম গতিশীল করার মাধ্যমে ঝালকাঠি জেলা ইউনিট কে মডেল ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সাথে এক যোগে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

মঙ্গল শোভাযাত্রা: বাঙালির গর্ব, বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
মঙ্গল শোভাযাত্রা: বাঙালির গর্ব, বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি

🌍✨ বাংলা নববর্ষ মানেই আনন্দ, রঙ আর উৎসবের ঢেউ! আর এই আনন্দকে সবচেয়ে বর্ণিলভাবে প্রকাশ করে মঙ্গল শোভাযাত্রা 🎭🎉
📅 ২০১৬ সালে, এই ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রাকে UNESCO “Intangible Cultural Heritage of Humanity” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো বাঙালি সংস্কৃতির জন্য এক বিশাল গর্বের মুহূর্ত 🇧🇩❤️
🌼 মঙ্গল শোভাযাত্রা কী?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা মূলত অন্যায়, অশুভ ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ। বিশাল মুখোশ, রঙিন পাখি, বাঘ, হাতি—সবকিছু মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক অনন্য শিল্পময় প্রতিবাদ 🎨🐯🕊️
🌏 কেন ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিল?
👉 এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতীক
👉 সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ
👉 বাঙালির ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা ও ঐক্যের প্রতিফলন
💫 এই স্বীকৃতির গুরুত্ব
✨ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সংস্কৃতির পরিচিতি বেড়েছে
✨ নতুন প্রজন্ম ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহী হচ্ছে
✨ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব বেড়েছে
🎊 আজ মঙ্গল শোভাযাত্রা শুধু একটি উৎসব নয়—এটি বাঙালির পরিচয়, প্রতিবাদ এবং ঐক্যের প্রতীক!
📣 আসুন, আমরা সবাই আমাদের এই ঐতিহ্যকে ভালোবাসি, সংরক্ষণ করি এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিই 🌍❤️

বৈশাখের প্রথম দিনে পান্তা-ইলিশের প্রচলন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
বৈশাখের প্রথম দিনে পান্তা-ইলিশের প্রচলন

🐟✨🎉 বাংলা নববর্ষ মানেই নতুন সূচনা, আনন্দ আর বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্য! আর এই দিনটিকে আরও বিশেষ করে তোলে এক প্লেট পান্তা-ইলিশ 🍚🐟
📜 ইতিহাসের গল্প
পান্তা ভাত খাওয়ার প্রচলন কিন্তু অনেক পুরনো! গ্রামবাংলার কৃষকরা গরমের দিনে ঠাণ্ডা ও সতেজ থাকতে আগের দিনের ভাত পানিতে ভিজিয়ে খেতেন। 🌾
এর সঙ্গে লবণ, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ ছিল তাদের প্রিয় সঙ্গী।
পরে ধীরে ধীরে শহরেও এই খাবার জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, বিশেষ করে নববর্ষের দিনে এটি হয়ে ওঠে এক প্রতীকী খাবার।
🐟 ইলিশ কেন যুক্ত হলো?
ইলিশ মাছ 🐟 বাঙালির কাছে শুধু খাবার নয়, এটি আবেগ!
বাংলা নববর্ষে ভালো কিছু খাওয়ার ঐতিহ্য থেকেই পান্তার সঙ্গে ইলিশ ভাজা যুক্ত হয়।
এটি এখন একপ্রকার সাংস্কৃতিক আইকন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🌞 ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন
আজকের দিনে শহরের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, হোটেল ও মেলায় পান্তা-ইলিশ পরিবেশন করা হয় জমকালো আয়োজনে 🎊
যদিও অনেকেই মনে করেন, এটি মূলত আধুনিক সময়ের একটি জনপ্রিয় ট্রেন্ড, তবে এর শিকড় গ্রামীণ জীবনে প্রোথিত।
❤️ কেন এত জনপ্রিয়?
✔️ গরমে আরাম দেয় ☀️
✔️ সহজ ও পুষ্টিকর 🥗
✔️ বাঙালির সংস্কৃতির প্রতীক 🇧🇩
✔️ উৎসবের আনন্দ বাড়ায় 🎶
🌸 উপসংহার
পান্তা-ইলিশ শুধু একটি খাবার নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আবেগের এক অপূর্ব মিশ্রণ।
পহেলা বৈশাখে এই খাবার যেন আমাদের শেকড়ের সাথে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়! 🌿

‎খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

তাড়াশে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত

‎খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
তাড়াশে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পহেলা বৈশাখের আনন্দঘন পরিবেশে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

‎মঙ্গলবার সকালে তাড়াশ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা রঙিন পোশাক, মুখোশ ও ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন, যা পুরো এলাকাকে উৎসবমুখর করে তোলে।

‎র‌্যালি শেষে উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য ও বাঙালির ঐতিহ্য সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬৪, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুধীজন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

‎আয়োজকরা জানান, বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

error: Content is protected !!