বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের আস্ফালন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২২ পিএম | 11 বার পড়া হয়েছে
হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের আস্ফালন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার হুমকি দেন যে, আজ মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় রাত ৮টার মধ্যে যদি ইরান কোনো চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে তিনি ‘এক রাতেই’ ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন। তাঁর শর্ত ছিল, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিতে হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে তাঁর এই সর্বশেষ হুমকির আগেই কিছু দেশ তেহরানের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করে ফেলেছে, যাতে তাদের জাহাজগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো। সর্বশেষ দেশ হিসেবে ফিলিপাইন এমন চুক্তিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। কারণ, তাদের অর্থনীতি উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার জবাবে ইরান যখন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার হুমকি দেয়, তখন থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বৈশ্বিক উত্তেজনার কেন্দ্রে পরিণত হয়। এই সরু জলপথ দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ যাতায়াত করে। কিন্তু চলাচল ব্যাহত হওয়ায় তেলের দাম ইতিমধ্যেই লাফিয়ে বেড়েছে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তেলের প্রয়োজন নেই। তিনি বারবার এই অঞ্চলের জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন—তারা যেন যুদ্ধজাহাজ পাঠায় এবং নিজেরাই নেতৃত্ব দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক করে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাকিস্তান, ভারত ও ফিলিপাইনসহ বেশ কয়েকটি এশীয় দেশ ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করেছে, যাতে কিছু জাহাজ নিরাপদে প্রণালিটি পার হতে পারে। চীনও স্বীকার করেছে, তাদের কিছু জাহাজ এই পথে চলাচল করেছে। তবে এসব গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার পরিধি কতটা এবং ইরানের সঙ্গে এই চুক্তিগুলো কত দিন টিকবে—তা নিয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।

শিপিং পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মারিস্কসের দিমিত্রিস মানিয়াতিস বলেন, ‘এই নিশ্চয়তাগুলো কি কেবল কিছু নির্দিষ্ট জাহাজের জন্য, নাকি কোনো দেশের পতাকাবাহী সব জাহাজের জন্য—এখনো আমরা জানি না।’ অন্যদিকে সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির রক শি বলেন, উপসাগরের জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে—সরবরাহ পুনরায় চালু করতে হলে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেই হবে।

ফিলিপাইনই সর্বশেষ দেশ, যারা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। দেশটির পররাষ্ট্রসচিব তেরেসা লাজারো জানান, ইরানি কর্মকর্তারা ফিলিপাইনের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকে ‘নিরাপদে, বাধাহীন ও দ্রুত’ চলাচলের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার তেহরানের সঙ্গে ‘খুবই ফলপ্রসূ ফোনালাপের’ মাধ্যমে এই চুক্তি হয়েছে, যা জ্বালানি ও সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

ফিলিপাইন তাদের ৯৮ শতাংশ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে পেট্রোলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায়, তারাই প্রথম জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এনার্জি স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের রজার ফুকেট বলেন, তেহরানের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ছাড়া সব দেশের জন্য প্রণালি খোলা—এ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা আছে।

ফিলিপাইনকে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে দেখা হয়। এই প্রেক্ষাপটে এটি একটি আকর্ষণীয় উদাহরণ, যা ইঙ্গিত দেয়—ইরান ‘পরিস্থিতিকে আলাদা করে বিবেচনা করতে’ রাজি। তাঁর ভাষায়, ‘ইরান মনে হচ্ছে কোনো দেশের জোটগত অবস্থান আর সংঘাতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ—এই দুটিকে আলাদা করে দেখছে।’

অন্যান্য দেশও ইরানের সঙ্গে আলোচনা করেছে। ২৮ মার্চ পাকিস্তান জানায়, ইরান তাদের ২০টি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, ‘এটি ইরানের একটি স্বাগত ও গঠনমূলক পদক্ষেপ। সংলাপ, কূটনীতি এবং আস্থা তৈরির এই ধরনের উদ্যোগই সামনে এগোনোর একমাত্র পথ।’

ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকেও প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। ভারতে ইরানি দূতাবাস গত সপ্তাহে এক্সে লিখেছে, ‘আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা নিরাপদ হাতে আছে, কোনো দুশ্চিন্তা নেই।’

এই বার্তাটি দেওয়া হয় দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানি দূতাবাসের একটি পোস্টের জবাবে, যেখানে বলা হয়েছিল—হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে ‘শুধু ইরান ও ওমান।’ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর মার্চে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, তাদের তেলবাহী জাহাজের চলাচল সম্ভব হয়েছে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে।

ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীনও গত সপ্তাহে নিশ্চিত করে, তাদের কিছু জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে। তবে তারা ইরানের নাম উল্লেখ করেনি বা জাহাজগুলোর বিস্তারিত দেয়নি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ‘প্রাসঙ্গিক পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের পর সম্প্রতি তিনটি চীনা জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। সহায়তার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞ।’

জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, যুদ্ধ চললেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি তেলের কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল চীনে পৌঁছেছে। বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতার চেষ্টাও করছে।

কিছু জাহাজ কী শর্তে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি পেয়েছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তারা কোনো টোল বা অর্থ দিয়েছে কিনা, সেটিও অজানা। সপ্তাহান্তে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বহনকারী একটি জাপানি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে বলে জানায় শিপিং কোম্পানি মিতসুই ওএসকে লাইনস। কোম্পানিটি জানায়, ‘জাহাজ এবং সব ক্রু সদস্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।’ তবে তারা টোল দেওয়া হয়েছে কিনা বা কীভাবে নিরাপদ পথ নিশ্চিত হয়েছে—এ বিষয়ে কিছু বলেনি।

মার্চে মালয়েশিয়াও জানায়, তাদের কিছু তেলবাহী জাহাজকে তেহরান প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এজন্য ইরানের প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান। মালয়েশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী অ্যান্থনি লুক স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, এটি সম্ভব হয়েছে ‘ইরান সরকারের সঙ্গে ভালো কূটনৈতিক সম্পর্কের’ কারণে। তবে মালয়েশিয়ার অন্য পতাকাবাহী জাহাজগুলো একই ধরনের নিশ্চয়তা পাবে কিনা—তা পরিষ্কার নয়। মালয়েশিয়ার মোট তেল আমদানির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে।

এই চুক্তিগুলোর প্রভাব অন্য দেশগুলোর জন্য কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। যেমন—অন্যান্য দেশ কি তাদের জাহাজের পতাকা বদলে সেইসব দেশের পতাকা ব্যবহার করবে, যাদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে? বর্তমানে অনেক তেলবাহী জাহাজ পানামা ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের মতো দেশের পতাকা বহন করে। কিন্তু এসব দেশ এখনো নিরাপদ চলাচলের কোনো নিশ্চয়তা পায়নি বলে জানান মানিয়াতিস।

তবে জ্বালানি অর্থনীতিবিদ শি মনে করেন, এসব চুক্তি ‘কূটনৈতিক অগ্রগতি’ হলেও এটি সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান নয়। তিনি বলেন, এই নিশ্চয়তাগুলো কত দিন টিকবে এবং অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি কীভাবে এগুলোর ওপর প্রভাব ফেলবে—তা এখনো অজানা।

প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরনে সরকারের নিকট আহ্বান জানিয়েছে “দেশ বন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ”

রিমন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫১ এএম
প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরনে সরকারের নিকট আহ্বান জানিয়েছে “দেশ বন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ”

 

বাংলাদেশের প্রবাসীরা এক একজন শক্তি। একতার ভিত্তিতে একতাবদ্ধ হয়ে তারা দেশকে টিকিয়ে রেখেছে। অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায় প্রবাসীরা। প্রতিটি আন্দোলনে দেশের স্বার্থে বিশ্বের নিকট তারাই দেশকে তুলে ধরছে।

তাই শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ জনগণ মানবাধিকার পাবে তা হবেনা। প্রবাসীদেরকেও সঠিক ভাগ দিতে হবে। কারন তারা হচ্ছে দেশের চালিকা শক্তি। তাদেরকে বাদ দিয়ে কোন ভাবে উন্নয়ন বিল পাশ এটি হতে দেওয়া হবেনা।

“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এম এ রউফ (Qatar) রিমন হোসেন প্রচার সম্পাদক (সৌদি আরব) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,
আমরা বাংলাদেশে কোনো বিশৃঙ্খলা দেখতে চাই না—পানি ঘোলা করে মাছ শিকারের পায়তারা বন্ধ করুন, সংস্কার নিয়ে সমঝোতায় আসুন” প্রবাসীদের ৬ দফা দাবি পূরন করুন।
একই সাথে প্রবাসীদের কে ৬ দফা দাবি আদায়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। দাবিগুলো:
১. বিশ্বের রেমিটেন্স যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং ১০ জন সংসদ সদস্য (এমপি) অবশ্যই নিযুক্ত করতে হবে। এই প্রতিনিধিদের অবশ্যই রেমিটেন্স যোদ্ধাদের দ্বারা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে।
২. একটি রেমিটেন্স পেনশন স্কিম চালু করতে হবে।
৩. বিদেশে চাকরির খরচ অবশ্যই কমাতে হবে।
৪. শিক্ষা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণকে অবশ্যই বিশ্ব বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
৫. রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত করতে হবে।

৬. রেমিটেন্স কল্যাণ তহবিল একটি বিশেষ তহবিল অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করতে হবে

যা রেমিটেন্স আয়ের কমপক্ষে ১% ব্যবহার করে গঠিত হবে এবং যা বিশ্বজুড়ে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সাথে জড়িত যেকোনো অপ্রত্যাশিত বা অনির্দেশ্য দুর্ঘটনার জন্য পূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিদাতা:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ desh-bondhu@hotmail.com
এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি
📞 00974 66958035
প্রচার সম্পাদক রিমন হোসেন
ফারুক আহমেদ চৌধুরী ইউকে
আহবায়ক
মোসাদ্দিক মিয়া মানিক ইউকে
আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ
যুগ্ম আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
আহবায়ক
হাকিকূল ইসলাম খোকন সিনিয়র সাংবাদিক আমেরিকা
রেজা নবী আমেরিকা
আহবায়ক
রেয়াজ আবু সাইদ ইতালি
আহবায়ক
শাহিন তালুকদার দুবাই
আহবায়ক
আরব আলী কুয়েত
হেলাল আহমেদ সৌদি আরব
মাহারাজ মিয়া দূবাই
কাজী মোকলিছ মালদ্বীপ
আবূল হোসেন সরদার অস্ট্রিয়া
শাহাজান অস্ট্রেলিয়া
কিলটন পাভেল আমেরিকা
আহবায়ক
হেলাল উদদীন কাতার
শাহাজান খান মালোয়েশিয়া
কামাল মিয়া বাহরাইন
আবূ তাহের ওমান
আবূ তাহের চৌধুরী ইউকে
লুৎফুর রহমান ইউকে
মোহাম্মদ এনাম লন্ডন
ইকবাল তালুকদার লন্ডন
নাজমা আক্তার লন্ডন
এডভোকেট তাজূল ইসলাম বাংলাদেশ
মেজর ইমরান বাংলাদেশ
রিমন হোসেন সৌদি আরব
আঃ হামিদ সৌদি আরব
শুভ মীর সৌদি আরব
মো: সজীব সৌদি আরব
মো: সাব্বির হোসেন সৌদি আরব
মো: রবিউস সানী সৌদি আরব
মো: মামুন মোল্লা সৌদি আরব
সাগর মিয়া সৌদি আরব
ইয়াসমিন আখতার বকুল বাংলাদেশ
নাজনীন রহমান রাজন মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি
সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার সূমন রউফ
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার রুমন
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ সহ সভাপতি
রানিছা বাংলাদেশ সদস্য
মাহিশা বাংলাদেশ সদস্য
আলেয়া বেগম বাংলাদেশ
মীর আশরাফ আমেরিকা
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
ডক্টর মালেক ফরাজী ফ্রান্স
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
জামাল মোস্তফা সুইডেন
রহিম মিয়া স্পেন
মোহাম্মদ আজাদ রহমান সিঙ্গাপুর
রিপন মিয়া কানাডা
আক্তার মিয়া বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার বাংলাদেশ
মোহন বাংলাদেশ
মুস্তাফিজুর রহমান রিপন বাংলাদেশ
ফোটন বাংলাদেশ সদস্য
প্রাপ্তি রহমান বাংলাদেশ
আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বাংলাদেশ
এডভোকেট আবেদ রাজা বাংলাদেশ
কামাল৷ মিয়া আইল্যান্ড
আরব আলী কুয়েত
জাহাঙ্গীর আলম অস্ট্রেলিয়া
সিরাজ খান পাকিস্তান
মুসলিম মিয়া ইন্ডিয়া
শাহাদাৎ হোসেন চায়না
আশরাফ মিয়া পোল্যান্ড
নাজমা আক্তার লন্ডন
কাউসার অস্ট্রেলিয়া
লাবনী আনোয়ার বাংলাদেশ
আবূল বাসার বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ ইউকে
ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর লন্ডন
এডভোকেট এনাম লন্ডন
শাহাজান মিয়া আইল্যান্ড
সিরাজ মিয়া সিঙ্গাপুর
শেখ ফরিদ অস্ট্রেলিয়া
নুরুল হুদা বাংলাদেশ
মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ
ইসমাইল খান বাংলাদেশ
এস এম আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ।
এমরান হোসাইন ইতালি
মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাংলাদেশ
লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী বাংলাদেশ সহ সভাপতি
শামসুন্নাহার বেগম বাংলাদেশ
প্রফেসর আলহাজ্ব
ডক্টর শরিফ সাকি বাংলাদেশ
এনাম হক লন্ডন
এনামূল কবির লিটূ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ
গাজী আব্দুল গনি বাংলাদেশ
সাবূজা খাতূন বাংলাদেশ
হামিদূল ইসলাম বাংলাদেশ। সাফায়েত হোসেন বাংলাদেশ
কবির আহমেদ মাসূম লন্ডন
আমিনুল ইসলাম লন্ডন
ইশরাত জাহান রিপা
মোহাম্মদ আজাদ দেওয়ান

কুড়িগ্রামে অর্থ সংকটে-চিকিৎসার অভাবে কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু

রুহুল আমিন রুকু ,কুড়িগ্রাম। প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ এএম
কুড়িগ্রামে অর্থ সংকটে-চিকিৎসার অভাবে কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু

 

দীর্ঘ ৬ বছর অতিবাহিত হলেও কুড়িগ্রামে পেনশনের টাকা না পেয়ে অর্থের অভাবে বিনা-চিকিৎসায় গোলজার হোসেন নামে এক কলেজ কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত গোলজার হোসেন কুড়িগ্রাম মজিদা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অফিস সহায়ক পদে কলেজের জন্মলগ্ন থেকে চাকরি করে আসছিলেন। এবং তিনি গত ১২/০১/২০ইং তারিখে চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হন।

এরপর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড বরাবর গত ২৪/০৮/২০ইং তারিখে অবসরের টাকার জন্য আবেদন করেন। যার ইনডেক্স নং- (607724) এবং আবেদন আইডি নং- (C-895296096), এনআইডি নং- (3706421991)।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, অবসরে যাওয়ার পর তিনি অন্ধ ও বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। এবং দীর্ঘ ৬ বছর যাবত অবসরের টাকা না পেয়ে চিকিৎসা ও খাওয়ার অভাবে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত ৩১/০৩/২৬ইং তারিখে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার একমাত্র স্ত্রী মোছাঃ জাহানারা বেগম তিনিও দীর্ঘ দেড় বছর ধরে হার্ট স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে বাড়িতে পড়ে আছেন। তিনি দুটি ছেলে ও দুটি মেয়ে রেখে গেছেন। বড় ছেলেটি বাসের হেলপার এবং ছোট ছেলেটি ২০০৭ইং সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। আর মেয়ে দুটির বিয়ে হলে তাদের স্বামীও কয়েক বছর আগে মারা যান। বর্তমানে মেয়ে দুটি স্থানীয় জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরিতে বিড়ি শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সন্তানদের নিয়ে কোন রকমে দিনাতিপাত করছে। বর্তমানে তাদের ১০ জনের সংসারের ব্যয়ভার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

কর্মচারী মৃত গোলজার হোসেন কুড়িগ্রাম শহরের পুরাতন স্টেশন পাড়ার পিতা মৃত অজর মামুদ ও মাতা মৃত গোলজন বেগমের ছেলে। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৬ বছর।

এলাকাবাসী মোঃ লিমন হোসেন সহ অনেকেই বলেন, মৃত গোলজার হোসেন একজন খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি অবসরের টাকা না পেয়ে দিশেহারা হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার অভাবে মারা যান। এই অবসরের টাকা পেলে হয়তো তিনি এখনো বেঁচে থাকতেন। বর্তমানে টাকার অভাবে তার পরিবারেরও বেহাল অবস্থা দেখার কেউ নেই। অতি কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অবসরের টাকাটা পেলে হয়তো পরিবারটি বেঁচে যাবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ যেন এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেন এটাই আমাদের দাবি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবেদ আলী বলেন, মৃত গোলজার হোসেন কলেজ শুরুর ১৯৮৫ইং সাল থেকে কলেজের পিয়ন পোস্টে চাকরি করেছিলেন এবং গত ২০২০ইং সালে তিনি অবসরে যান। তারপর কল্যাণ এবং অবসরের টাকার জন্য আবেদন করেন। দুঃখজনক কিছুদিন আগে জানতে পারি তিনি মারা যাওয়ার অনেক আগে কল্যাণের টাকা পেলেও অবসরের টাকা এখনো পাননি। আমি কিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করতেছি, সেই কাগজপত্র সহ আগামী সপ্তাহে আমি ঢাকায় গিয়ে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ময়মনসিংহে হজযাত্রীদের হজ প্রশিক্ষণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
ময়মনসিংহে হজযাত্রীদের হজ প্রশিক্ষণ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত

 

 

ময়মনসিংহে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছু হজযাত্রীদের জন্য হজ প্রশিক্ষণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ০৭ এপ্রিল মংগলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তারা হজের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন, করণীয়-বর্জনীয় এবং পবিত্র হজ পালনের সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে হজযাত্রীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। এছাড়াও হজযাত্রার সময় স্বাস্থ্যসচেতনতা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দলগতভাবে দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, হজ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলার এক মহান শিক্ষা। তিনি বলেন, হজযাত্রীরা যেন সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পবিত্র হজের প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, হজ পালনের সময় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে সবাইকে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে এবং সৌদি আরবের আইন-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি হজযাত্রীদের সুস্থ ও নিরাপদভাবে হজ পালন করে দেশে ফিরে আসার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানান।

প্রশিক্ষণে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত হজযাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!