শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান এখনো শেষ হয়নি, এর বিপ্লব ঘটাতে হবে: রংপুরে বললেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:২১ পিএম | 87 বার পড়া হয়েছে
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান এখনো শেষ হয়নি, এর বিপ্লব ঘটাতে হবে: রংপুরে বললেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

শনিবার (১২ অক্টোবর) রংপুরে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে। এখন থেকে উন্নয়ন বরাদ্দে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আর বৈষম্যের শিকার হবে না। তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান এখনো শেষ হয়নি, এর বিপ্লব ঘটাতে হবে।

আজ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত দুই মাসে সরকারের প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। আমি মন্ত্রীত্ব উপভোগ করতে আসিনি। যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন করতে না পারলে কিংবা গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে না পারলে, আবার জনতার কাতারে দাঁড়াবো। গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করতে তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের সকল আন্দোলন সংগ্রামে শিক্ষার্থীরা রক্ত দিলেও তারা পরবর্তীতে এর সুফল পায়নি। শিক্ষার্থীরা ইতোপূর্বে দাসত্বের জীবন পেয়েছে। আমরা আর দাসত্বের জীবনে ফিরে যেতে চাই না। সারাদেশে ফ্যাসিস্ট কাঠামো ভেঙ্গে দিতে হবে। লেজুড়বৃত্তির ছাত্র রাজনীতির পরিবর্তে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিদ্রুত ছাত্র সংসদ চালু করা হবে।

তিনি শহীদ আবু সাঈদকে সহযোদ্ধা উল্লেখ করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সেই সময়ের স্মৃতি চারণ করেন এবং শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এবং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে প্রথম শহীদ বেরোবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের পিতা মোঃ মকবুল হোসেন।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান বলেন, বিগত সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের খেসারত দিচ্ছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। নতুন বাংলাদেশে নতুন নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শহীদ আবু সাঈদের পিতা মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, শহীদ আবু সাঈদের হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি চাই। দ্রুত বিচার দেখতে চাই। শহীদ আবু সাঈদের নামে এক নম্বর গেটের নামকরণ এবং একটি আবাসিক হলের নামকরণ চাই।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুর রহমান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ ফেরদৌস রহমান, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোঃ এমদাদুল হক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. ইলিয়াছ প্রামাণিক, ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম, কাউন্সিল শাখার অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মোঃ ময়নুল আজাদ, গণিত বিভাগের কর্মচারী রেজাউল করীম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন, শিক্ষার্থী সাবিনা ইয়াসমিন এবং শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সোহাগ অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি এবং শিক্ষকদের মাঝে ইউজিসি প্রদত্ত গবেষণা প্রকল্পের চেক প্রদান করা হয়। গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনজন শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তারা হলেন, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু রেজা মোঃ তৌফিকুল ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান এবং ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান।

এর আগে অনুষ্ঠানে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রযোজনায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উল্লেখ্য, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে “ধন্য বেরোবি, গড়বো দেশ, আবু সাঈদের বাংলাদেশ” শ্লোগানকে ধারণ করে দিন ব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ নাহিদ ইসলাম এবং ইউজিসির পতাকা উত্তোলন করেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অনুষ্ঠানের অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে নাম ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোঃ নাহিদ ইসলাম।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বর্ণিল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বাদ্যের তালে তালে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে পার্কের মোড় শহীদ আবু সাঈদ গেট পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বর্ণিল এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এসময় রংপুরের অবস্থানরত সকল মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রা শেষে দিবসটি স্মরণীয় করে রাখতে অতিথিবৃন্দ বৃক্ষরোপণ করেন।

রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
রূপগঞ্জে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ইফতার বিতরণ

নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নির্দেশে ও

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে তারাবো পৌরসভার ১ নং ও ২ নং ওয়ার্ডে হতদরিদ্র গাড়ি চালক ও পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওহাব মাসুম, তারাবো পৌর যুবদলের ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম,তারাবো পৌর বিএনপি’র আহবায়ক সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহির মোল্লা সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ পিএম
রাউজানে শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী বিষ্ণু মন্দিরের শতবর্ষ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, মঙ্গলারতি, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মাতৃপূজা এবং চতুষ্প্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।

শতবর্ষ পূর্তি উদযাপনকে ঘিরে আয়োজিত মহোৎসবে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ধর্মীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শ্রীশ্রী নামলীলা অর্চনা, মহানাম সংকীর্তন ও বিভিন্ন ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে পরিবেশিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও কীর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত কীর্তনীয়া দল অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে শ্রীনাম সম্প্রদায়, জীবনানন্দ ভক্তবৃন্দ ও শ্রীচৈতন্য সম্প্রদায়ের শিল্পীরা ভক্তিমূলক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত ভক্তদের আপ্লুত করেন।
মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিক্সন নাথ, রাষ্ঠন নাথ, নিউটন নাথ, ওয়াস্টিন নাথ, পরিমল নাথ, পরাগ নাথ, সজল নাথ, মাষ্টার সুভাষ নাথ, সুমন নাথ, শান্ত কুমার নাথ, উজ্জ্বল নাথ, রাজেস নাথ ও রাজীব নাথসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ রাউজান কেন্দ্রীয় মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন (লিটু), সহ-সভাপতি দোলন ঘোষ, সুজন দে, সুজন দাশ ও অঞ্জন বিশ্বাস।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই মহোৎসবের মাধ্যমে ধর্মীয় চেতনা ও ভক্তিভাব আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মন্দির পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিবেদন: মোঃ শাকিল মাহমুদ, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৫ পিএম
রামপুরা BTV ভবন সংলগ্ন এটিএমে ছেঁড়া টাকা দেওয়ার অভিযোগ

 

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রামপুরা বিটিভি ভবন সংলগ্ন Dutch-Bangla Bank Limited–এর এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় ছেঁড়া ও অচল নোট পাওয়ার অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ:
অনেক গ্রাহক জানান, এটিএম থেকে টাকা তোলার পর দেখা যায় কিছু নোট ছেঁড়া বা ক্ষতিগ্রস্ত। পরে এসব নোট দোকান বা অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় দোকানদাররা এসব নোট নিতে অস্বীকৃতি জানান।
গ্রাহকদের প্রশ্ন:
গ্রাহকদের প্রশ্ন, এটিএমে টাকা লোড দেওয়ার সময় কেন নোটগুলো সঠিকভাবে যাচাই করা হয় না। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দাবি:
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এটিএম বুথ থেকে ছেঁড়া বা অচল নোট না আসে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

error: Content is protected !!