বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২

পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ১:১৮ এএম | 115 বার পড়া হয়েছে
পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?

গত সপ্তাহে ইরানের একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের প্রায় অনিবার্য প্রতিশোধের ঘড়ি বাজছে। হেজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা আর তার আগে হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়েকে হত্যার প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই হামলা চালিয়েছে। তারা দুজনই ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট বুধবার দৃঢ়তার সাথে জানান যে যখন ইসরায়েল এর প্রতিশোধ নেবে তখন তা হবে “সুনির্দিষ্ট এবং প্রাণঘাতী” এবং ইরান এর জন্য প্রস্তুতও থাকবে না।

ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোকে সতর্ক করেছে যেন তাদের আকাশসীমা কোনো ধরনের হামলার জন্য ব্যবহার না হয়।

এদের মধ্যে কয়েকটি দেশের সঙ্গে ইসরায়েলের পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

দেশটি আরও বলেছে, যেই দেশই ইরানে আক্রমণ চালাতে ইসরাইলকে সহায়তা করবে, সেটি ইরানের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।

এগুলো এখন বিবেচনায় নেওয়ার কিছু কারণ হচ্ছে, ইসরায়েলের পরিকল্পিত আক্রমণ কী রূপ নেবে তা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের আলোচনা।

প্রকাশ্যেই ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধিতা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

চার সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে তেলের স্থাপনায় হামলা চালিয়ে পাম্পে দাম বাড়ানোর বিষয়টিকে হোয়াইট হাউস যেমন সাধুবাদ জানাবে না, তেমনি মধ্যপ্রাচ্যকে আরেকটি যুদ্ধের দিকেও টেনে নিতে চাইবে না।

তাহলে এরপর কী হবে?

ইসরায়েলের মিত্ররা গত এপ্রিলে অচলাবস্থার সময় যে সংযমের আহ্বান জানিয়েছিল তা এবার আরও নিস্তেজ হয়ে গেছে।

এদিকে লেবানন, গাজা, ইয়েমেন এবং সিরিয়ায়- একযোগে ইসরায়েলের সব শত্রুদের মোকাবেলা করার দৃঢ় সংকল্পের কারণে নেতানিয়াহু সরকার পিছিয়ে আসার মানসিকতায় নেই বলে মনে হচ্ছে।

মার্কিন স্যাটেলাইটের গোয়েন্দা তথ্য এবং ইরানের মাটিতে মোসাদের (ইসরায়েলের বিদেশি গুপ্তচর সংস্থা) মানব এজেন্টদের সহায়তায় ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে বেছে নেওয়ার জন্য বেশ কিছু লক্ষ্য রয়েছে। এগুলোকে মোটামুটিভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:

প্রচলিত সামরিক কায়দায়- প্রাথমিক এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য হবে ঘাঁটি, যেখান থেকে ইরান সেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করেছে। এর অর্থ হলো লঞ্চ প্যাড, কমান্ড-এন্ড-কন্ট্রোল সেন্টার, রিফুয়েলিং ট্যাঙ্ক এবং স্টোরেজ বাঙ্কার। আরও এক ধাপ এগিয়ে আইআরজিসির ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি বিমান প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিগুলোতে আঘাত করতে পারে। এমনকি এটি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

অর্থনৈতিক- এতে ইরানের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ অন্তর্ভুক্ত হবে- এর পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সম্ভবত এর পরিবহন সংক্রান্ত স্বার্থ। তবে এটি অজনপ্রিয় একটি পদক্ষেপ হবে। কারণ এটি সামরিক বাহিনীর উপর আক্রমণের তুলনায় সাধারণ মানুষের জীবনকে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

পারমাণবিক – ইসরায়েলের জন্য বড় একটি ক্ষেত্রে এটি। জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএ’র মাধ্যমে এটি একটি জানা বিষয় যে, বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ২০ শতাংশের চেয়েও বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে ইরান। ইসরায়েল এবং অন্যরা সন্দেহ করে যে ইরান ‘ব্রেকআউট পয়েন্টে’ পৌঁছানোর চেষ্টা করছে যেখানে খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশটি একটি পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে সক্ষম হবে। ইসরায়েলের সম্ভাব্য টার্গেট তালিকার মধ্যে রয়েছে পারচিন, ইরানের সামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রস্থল, তেহরানের গবেষণা চুল্লি, বনাব এবং রামসার। এছাড়াও আছে বুশেহর, নাতাঞ্জ, ইসফাহান এবং ফেরদোর প্রধান স্থাপনা।

তাদের হিসাব-নিকাশের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকবে ইরানের প্রতিক্রিয়া অনুমান করার চেষ্টা এবং তা কীভাবে প্রশমিত করা যায় সেটি নিয়ে কাজ করা।

মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক লক্ষ্যবস্তু বলে দাবি করা স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইরান মনে করছে এখন হিসেব সমান হয়েছে।

তবে ইসরায়েল প্রতিশোধ নিলে পাল্টা আঘাত হানবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, “এটি আমাদের সক্ষমতার একটি আভাস মাত্র।”

এই বার্তাটিকে আরও শক্তিশালী করতে আইআরজিসি বলেছে: “যদি ইহুদিবাদী শাসক ইরানের কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাহলে এটি নিষ্ঠুর আক্রমণের সম্মুখীন হবে।”

ইরান সামরিকভাবে ইসরায়েলকে পরাজিত করতে পারবে না।

এর বিমান বাহিনী পুরনো এবং জরাজীর্ণ, এর আকাশ প্রতিরক্ষা ছিদ্রযুক্ত এবং একে বছরের পর বছর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে।

কিন্তু এখনও ইরানের হাতে প্রচুর পরিমাণে ব্যালিস্টিক এবং অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন ও মধ্যপ্রাচ্যের চারপাশে বহু মিত্র স্থানীয় মিলিশিয়া রয়েছে।

তাদের পরবর্তী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটির পরিবর্তে বেসামরিক এলাকাগুলো লক্ষ্য করতে পারে।

২০১৯ সালে সৌদি আরবের তেল স্থাপনার ওপর সালে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ার হামলা দেখিয়েছিল যে এর প্রতিবেশীরা আক্রমণের কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

পারস্য উপসাগরে ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর ছোট এবং দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সক্ষম বড় নৌবহর প্রস্তুত রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের যুদ্ধজাহাজের প্রতিবক্ষা ব্যবস্থাকে সংঘবদ্ধ আক্রমণে ব্যর্থ করতে সক্ষম।

নির্দেশ দেওয়া হলে এগুলো হরমুজ প্রণালীতে মাইন স্থাপন করে বিশ্ব তেলের দৈনিক রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ প্রবাহ ব্যাহত করতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।

এর পাশাপাশি, উপসাগরের আরব দিকের কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও রয়েছে।

ইরান সতর্ক করে দিয়েছে যে যদি তাদের ওপর হামলা করা হয় তাহলে তারা কেবল ইসরায়েলের ওপরই আঘাত হানবে না বরং আক্রমণেকে সমর্থন করা যেকোনো দেশকে তাদেরও লক্ষ্যবস্তু বানাবে।

এগুলোই কিছু সম্ভাব্য পরিস্থিতি যা এখন তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকারীরা বিবেচনা করছেন।

সূত্র: বাসস

খোকন হাওলাদার, সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

আশুলিয়ায় গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল, থানায় অভিযোগ

খোকন হাওলাদার, সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
আশুলিয়ায় গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল, থানায় অভিযোগ

ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় এক গার্মেন্টসকর্মী নারীকে নগ্ন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ মিনারা খাতুন (৩৬) অভিযুক্ত মোঃ সাজ্জাদ ঢালী (২৮)-এর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করায় তিনি কন্যাসন্তানকে নিয়ে আশুলিয়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। অভিযুক্ত সাজ্জাদ ঢালীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। অভিযুক্ত নিজেকে বিশ্বস্ত পরিচিত দাবি করে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রায় ৫৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি সংগ্রহ করে অন্য এক নারীর নগ্ন শরীরের সঙ্গে যুক্ত করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করেন। পরে সেই ভিডিও ভুক্তভোগীর স্বামীর কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে আরও অর্থ আদায় করেন তিনি।

একপর্যায়ে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ইমু অ্যাপের ভিডিও কলে ভুক্তভোগীর নগ্ন ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সরাসরি তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এর ফলে ভুক্তভোগীর দাম্পত্য জীবনে চরম সংকট সৃষ্টি হয় এবং তার স্বামী তালাকের হুমকি দেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগে বলা হয়, সর্বশেষ গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্ত পুনরায় নগ্ন ভিডিও পাঠিয়ে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এমনকি থানায় অভিযোগ দায়ের করার পরও অভিযুক্ত মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগীকে হুমকি দেন। তিনি ভুক্তভোগীর দেশে থাকা ভাইকে আটক করে মারধর ও হত্যার হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগী মিনারা খাতুন বলেন, “আমি এই প্রতারক ও ব্ল্যাকমেইলকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধের শিকার না হন।”

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ

কাজিপুরে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
কাজিপুরে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষ্যে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার পরিদর্শন করেন।

তিনি উপজেলার সিমান্তবাজার, সোনামুখী ও আলমপুর সহ বড় বাজারগুলো ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নিত্যপণ্যের মূল্যতালিকা টানানো হয়েছে কিনা, অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে কিনা এবং পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তা তদারকি করেন।

এছাড়াও বাজার দখলমুক্ত করতে বাজারে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন। বাজার মনিটরিং শেষে ইউএনও গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, রমজান মাসে কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মুনাফা আদায় বরদাস্ত করা হবে না। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। কেউ অনিয়ম করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়াও বাজারগুলোতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাইমা জাহান সুমাইয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ শরীফুল ইসলাম, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. দিদারুল আহসান সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।

স্থানীয় ক্রেতারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত মনিটরিং হলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে রমজানের বাজার করতে পারবে।

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ গেছে

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৩ পিএম
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ গেছে

বাংলাদেশের আকাশে আজ (১৮ই ফেব্রুয়ারি) ২০২৬ (বুধবার) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে বলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে সন্ধ্যার পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন চাঁদ দেখা গেছে এবং আগামী (১৯ই ফেব্রুয়ারি) (বৃহস্পতিবার) থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে। চাঁদ দেখা যাওয়ার খবরটি আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পরে নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ দেশের আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেছে, তাই পবিত্র রমজান মাস আজ শুরুর ঘোষণা করা হয়েছে এবং কাল থেকে রোজা পালন শুরু হবে।