বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

হাসিনাকে সামনাসামনি কোনদিন দেখেননি হারুন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৩ পিএম | 124 বার পড়া হয়েছে
হাসিনাকে সামনাসামনি কোনদিন দেখেননি হারুন

‘আমি সরকারি চাকরি করি। আমার সঙ্গে কোনোদিন শেখ হাসিনার দেখা হয়নি। ১৫ বছরের ক্ষমতাকালীন সময়ে কোনোদিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি। আমার সঙ্গে কথা হয়নি।’ অজ্ঞাত স্থান থেকে এমন কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। এর পর থেকেই আলোচনায় আছেন ডিবির এই সাবেক প্রধান। গণ-অভ্যুত্থানের পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুনকে ঘিরে নানা তথ্য ছড়াতে থাকে। যার মধ্যে বিমানবন্দরে হারুনের ওপর হামলা, সিএমএইচে ভর্তি, অন্য বাহিনীর হেফাজতে থাকা, আর সর্বশেষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়া।

তবে নানা তথ্যের মাঝেও এখনো হারুনের অবস্থান অজানা। অজ্ঞাত স্থান থেকেই সম্প্রতি এক সাংবাদিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়াসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তা।

হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘আমাকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তখনো আমি চুপ ছিলাম। সরকার যখন বলল, সবাইকে কাজে যোগ দিতে। তখন আমি গত ৮ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে তখনই যোগ দিতে নিষেধ করেন। আমাকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেন। আমি যোগদান করতে গেছি। কিন্তু আমি যোগ দিতে পারিনি। দুই দিন পর দেখি আমার নামে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, কমিশনার ও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়। তখন আমি অবাক হলাম।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো ডিবিতে কাজ করি। ডিবির কাজ হলো মামলা তদন্ত করা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে আমরা গ্রেপ্তার করি। মোহাম্মদপুরে তো আমি গিয়ে মারামারি করিনি, এটা তো আমার কাজ না। অতিরিক্ত কমিশনার কি মারামারি করতে যায়? আর ডিএমপিতে কমিশনারের পরে ৬ জন অতিরিক্ত কমিশনার। আমি হলাম ৬ নম্বর কমিশনার। সেখানে আমার নামে যখন মামলা হলো তখন তো একটু…। আবার বলা হলো মামলা হলেও সমস্যা নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলে গ্রেপ্তার করা হবে না। আমি মনে করলাম ভালো কথা। ভাবলাম জয়েন করব। পরের দিন দেখলাম একজন উপদেষ্টা বললেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জয়েন করেননি আপনারা তাদের ধরে নিয়ে আসেন। আমি তখন আরো অবাক হলাম। আমি ‍যদি চাকরিতে জয়েন না করি তাহলে প্রসিডিং করবে। আর যোগ দিলে আমাকে দিয়ে জোর করে চাকরি করাবেন। এটা শোনার পরে আমার মনে হলো রিস্ক। মানে আমার লাইফ ঝুঁকির মধ্যে। এখন মানুষকে ধরে যেভাবে পেটানো, ডিম মারা হচ্ছে। যদি আমাকে…। আগে তো বাঁচতে হবে। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে একটু চুপ আছি।’

ছাত্র-জনতার হাতে গণধোলাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘ফেসবুক, ইউটিউবে নানা গুজব আছে। আপনারা মরার ছবিসহ নানা গুজব দেখেছেন। আমি এগুলো নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যারা এগুলো বলে তারা টাকা-পয়সা পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ে। এগুলো গুজব।’

পুলিশ সদর দপ্তরের দেয়াল টপকে পালাতে গিয়ে ব্যথা পাওয়ার বিষয়ে সাবেক ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি পুলিশ সদর দপ্তরে যাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে আমেরিকা এসেছিলাম ছুটি নিয়ে। জুলাইয়ের ১৫ তারিখ দেশে ফিরি। দেশে যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোর কমিটির বাসায় একটা মিটিং হয়। প্রতিদিন সেই মিটিং হতো। মিটিংয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, এনএসআই, ডিজিএফআই, এসবি, বিজিবিপ্রধান ছিল। এ ছাড়া ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও এনটিএমসির প্রধান। প্রতিদিন কোর কমিটির মিটিং হচ্ছিল। একদিন মিটিংয়ে আমাকে ডাকা হলো।

আমার কাছে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়। তখন আমি বলি আমার কাছে কেউ গ্রেপ্তার নেই। তবে র‌্যাব নুরুকে গ্রেপ্তার করে আমার কাছে দিয়েছে, নজরুল ইসলাম খানকে দিয়েছে। গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে তিনজন সমন্বয়ক আছে। তাদের এসবি পাহারা দিচ্ছিল। আমাকে বলা হলো তাদের নিরাপত্তার জন্য ডিবিতে আনার জন্য। তখন বলি আমি তাদের কিভাবে নেব?’

তিনি আরো বলেন, ‘তখন তারা বলে এত কিছু বোঝার দরকার নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব আপনি নিয়ে রাখেন। আমাকে কমিশনারসহ কোর কমিটির সবাই এই কথা বলেছে। এরপর আমি ডিবির রমনা বিভাগের ডিসি হুমায়ুনকে সমন্বয়ক তিনজনকে নিয়ে আসতে বলি। হুমায়ুন তাদের নিতে আসে। তাদের মোবাইল আগেই ডিজিএফআই নিয়ে গেছিল। রাত ২টা-৩টার দিকে আমাকে ডিজিএফআইয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোন দিয়ে বলেন সারজিসসহ আরো দুজনকে ডিবি গেটে আনা হয়েছে। আপনার কোনো এক কর্মকর্তাকে বলেন রিসিভ করতে। পরে আমি ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহেনশাহ মাহমুদকে ফোন দিয়ে বলি রিসিভ করতে। পরে তাদের সাইবারের একজন এডিসি রিসিভ করে। এই হলো পাঁচজন। পরের দিন ডিজিএফআইপ্রধান আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, একটি মেয়ে (নুসরাত তাবাসসুম) খুব উৎপাত করছে তাকেও তুলে আনতে হবে। আমি মিরপুরের ডিসি মানস কুমার পোদ্দারকে বলি তাকে আনতে। এই ছয়জন হলো। এরপর আমাকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রী পুলিশ হাসপাতালে যাওয়ার পরে আমার কাছে কাজের আপডেট জানতে চান এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম। আমি বিস্তারিত তাকে পাঠাই। আগে তাদের বিভিন্ন সংস্থা মারধর করেছে। কিন্তু আমি তাদের (সমন্বয়ক) স্বজনদের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিয়েছি। আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আমি ভাতও খেয়েছি। ওই মেয়েটার মাকে এনে তার সঙ্গে রাখা হয়েছে। এর আগে আরেকটি রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছিল আইনসচিবের সঙ্গে আমার কথার। আমি আইনসচিবকে বলি আমি তাদের ধরিনি। কিন্তু আমাকে কালার করা হচ্ছে। তখন কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়ায় আসছিল তাদের ডিবিতে আটকে রাখা হয়েছে। আমি তো কোনো কূলই পাচ্ছি না। সাধারণ মানুষ জানতেছে তাদের আমি আটকে রেখেছি। আমি হারুন তাদের সঙ্গে কোনো খারাপ কথা বলিনি। ভিপি নুরের সঙ্গেও দুজন সমন্বয়কের কথা বলিয়ে দিয়েছি। তারা যাওয়ার পরে কিন্তু এখন পর্যন্ত বলেনি হারুন তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। আমার ক্ষতিটা হলো মানুষ জানল হারুন তাদের ধরে নিয়েছে।’

এত সংস্থা থাকতে ডিবিকে দিয়ে কেন এই কাজটি করাতে গেল। আপনার তো অতিউৎসাহী মনোভাব ছিল। এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এখনো তো সব গ্রেপ্তার ডিবি করছে। সারা দেশে ধরা হচ্ছে তাদের তো ডিবিতে নেওয়া হচ্ছে। আমি ডিবিকে মানুষের আস্থার স্থানে নিয়ে এসেছি। বিএনপি যত নেতাকে গ্রেপ্তার করে ডিবিতে এনেছি। কেউ বলতে পারবে না কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। আমি কখনো খারাপ ব্যবহার করিনি। মতিঝিলের আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যার ঘটনায় ৩৩ জন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছি। এতে দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ এমপি আনার হত্যার ঘটনায় নেপাল, ভারত এমনকি পাহাড় থেকে আসামি ধরে এনেছি। জেলার সাধারণ সম্পাদককে ধরেছি। তার মানে কোনো ঘটনা ঘটলে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে জড়াইনি। আমার এমন কাজে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনেকে ক্ষিপ্ত হয়েছে।’

সরকারপ্রধান (শেখ হাসিনা) সবাইকে বিপদে ফেলে চলে গেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি ছোট মানুষ। আমি ডিএমপির প্রধানও না, পুলিশের প্রধান না। আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে মোয়া বানানো হচ্ছে। আমি কেন আলোচিত-এর একটাই কারণ যেখানে অপরাধ হয়েছে সেখানে আমি মানুষকে সেবা দিয়েছি। মানুষ যখন যে সমস্যায় পড়েছে তারা থানায় না গিয়ে ডিবিতে আসত। ডিবিতে আমার চাকরিজীবনে মানুষের উপকার করেছি। কারো ক্ষতি করিনি।’

সরকারের লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করে আপনি অনুতপ্ত কি না জানতে চাইলে ডিবির সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করিনি। আমি সরকারি চাকরি করি। আমার সঙ্গে কোনো দিন শেখ হাসিনার দেখা হয়নি। ১৫ বছরের ক্ষমতাকালীন সময়ে কোনো দিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি। আমার সঙ্গে কথা হয়নি। আমাকে বলা হচ্ছে হুকুমদাতা। আমি হুকুমদাতা কিভাবে হলাম। আমি তো ডিএমপি কমিশনারের অধীনে কাজ করেছি। আমি যা করেছি ন্যায়বোধ থেকে করেছি। অন্যায় করিনি। ন্যায়বোধ দিয়ে কাজ করায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়েছি। কিন্তু মানুষ আমার কাজের প্রশংসা করেছে। আমাকে ভুল বোঝার অবকাশ নেই।’

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।