রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

হাসিনাকে সামনাসামনি কোনদিন দেখেননি হারুন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৩ পিএম | 127 বার পড়া হয়েছে
হাসিনাকে সামনাসামনি কোনদিন দেখেননি হারুন

‘আমি সরকারি চাকরি করি। আমার সঙ্গে কোনোদিন শেখ হাসিনার দেখা হয়নি। ১৫ বছরের ক্ষমতাকালীন সময়ে কোনোদিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি। আমার সঙ্গে কথা হয়নি।’ অজ্ঞাত স্থান থেকে এমন কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। এর পর থেকেই আলোচনায় আছেন ডিবির এই সাবেক প্রধান। গণ-অভ্যুত্থানের পর আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা হারুনকে ঘিরে নানা তথ্য ছড়াতে থাকে। যার মধ্যে বিমানবন্দরে হারুনের ওপর হামলা, সিএমএইচে ভর্তি, অন্য বাহিনীর হেফাজতে থাকা, আর সর্বশেষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়া।

তবে নানা তথ্যের মাঝেও এখনো হারুনের অবস্থান অজানা। অজ্ঞাত স্থান থেকেই সম্প্রতি এক সাংবাদিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়াসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তা।

হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘আমাকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তখনো আমি চুপ ছিলাম। সরকার যখন বলল, সবাইকে কাজে যোগ দিতে। তখন আমি গত ৮ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে তখনই যোগ দিতে নিষেধ করেন। আমাকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেন। আমি যোগদান করতে গেছি। কিন্তু আমি যোগ দিতে পারিনি। দুই দিন পর দেখি আমার নামে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, কমিশনার ও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়। তখন আমি অবাক হলাম।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো ডিবিতে কাজ করি। ডিবির কাজ হলো মামলা তদন্ত করা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে আমরা গ্রেপ্তার করি। মোহাম্মদপুরে তো আমি গিয়ে মারামারি করিনি, এটা তো আমার কাজ না। অতিরিক্ত কমিশনার কি মারামারি করতে যায়? আর ডিএমপিতে কমিশনারের পরে ৬ জন অতিরিক্ত কমিশনার। আমি হলাম ৬ নম্বর কমিশনার। সেখানে আমার নামে যখন মামলা হলো তখন তো একটু…। আবার বলা হলো মামলা হলেও সমস্যা নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলে গ্রেপ্তার করা হবে না। আমি মনে করলাম ভালো কথা। ভাবলাম জয়েন করব। পরের দিন দেখলাম একজন উপদেষ্টা বললেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জয়েন করেননি আপনারা তাদের ধরে নিয়ে আসেন। আমি তখন আরো অবাক হলাম। আমি ‍যদি চাকরিতে জয়েন না করি তাহলে প্রসিডিং করবে। আর যোগ দিলে আমাকে দিয়ে জোর করে চাকরি করাবেন। এটা শোনার পরে আমার মনে হলো রিস্ক। মানে আমার লাইফ ঝুঁকির মধ্যে। এখন মানুষকে ধরে যেভাবে পেটানো, ডিম মারা হচ্ছে। যদি আমাকে…। আগে তো বাঁচতে হবে। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে একটু চুপ আছি।’

ছাত্র-জনতার হাতে গণধোলাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘ফেসবুক, ইউটিউবে নানা গুজব আছে। আপনারা মরার ছবিসহ নানা গুজব দেখেছেন। আমি এগুলো নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যারা এগুলো বলে তারা টাকা-পয়সা পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ে। এগুলো গুজব।’

পুলিশ সদর দপ্তরের দেয়াল টপকে পালাতে গিয়ে ব্যথা পাওয়ার বিষয়ে সাবেক ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি পুলিশ সদর দপ্তরে যাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে আমেরিকা এসেছিলাম ছুটি নিয়ে। জুলাইয়ের ১৫ তারিখ দেশে ফিরি। দেশে যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোর কমিটির বাসায় একটা মিটিং হয়। প্রতিদিন সেই মিটিং হতো। মিটিংয়ে স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনার, এনএসআই, ডিজিএফআই, এসবি, বিজিবিপ্রধান ছিল। এ ছাড়া ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ও এনটিএমসির প্রধান। প্রতিদিন কোর কমিটির মিটিং হচ্ছিল। একদিন মিটিংয়ে আমাকে ডাকা হলো।

আমার কাছে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়। তখন আমি বলি আমার কাছে কেউ গ্রেপ্তার নেই। তবে র‌্যাব নুরুকে গ্রেপ্তার করে আমার কাছে দিয়েছে, নজরুল ইসলাম খানকে দিয়েছে। গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে তিনজন সমন্বয়ক আছে। তাদের এসবি পাহারা দিচ্ছিল। আমাকে বলা হলো তাদের নিরাপত্তার জন্য ডিবিতে আনার জন্য। তখন বলি আমি তাদের কিভাবে নেব?’

তিনি আরো বলেন, ‘তখন তারা বলে এত কিছু বোঝার দরকার নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব আপনি নিয়ে রাখেন। আমাকে কমিশনারসহ কোর কমিটির সবাই এই কথা বলেছে। এরপর আমি ডিবির রমনা বিভাগের ডিসি হুমায়ুনকে সমন্বয়ক তিনজনকে নিয়ে আসতে বলি। হুমায়ুন তাদের নিতে আসে। তাদের মোবাইল আগেই ডিজিএফআই নিয়ে গেছিল। রাত ২টা-৩টার দিকে আমাকে ডিজিএফআইয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোন দিয়ে বলেন সারজিসসহ আরো দুজনকে ডিবি গেটে আনা হয়েছে। আপনার কোনো এক কর্মকর্তাকে বলেন রিসিভ করতে। পরে আমি ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহেনশাহ মাহমুদকে ফোন দিয়ে বলি রিসিভ করতে। পরে তাদের সাইবারের একজন এডিসি রিসিভ করে। এই হলো পাঁচজন। পরের দিন ডিজিএফআইপ্রধান আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, একটি মেয়ে (নুসরাত তাবাসসুম) খুব উৎপাত করছে তাকেও তুলে আনতে হবে। আমি মিরপুরের ডিসি মানস কুমার পোদ্দারকে বলি তাকে আনতে। এই ছয়জন হলো। এরপর আমাকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রী পুলিশ হাসপাতালে যাওয়ার পরে আমার কাছে কাজের আপডেট জানতে চান এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম। আমি বিস্তারিত তাকে পাঠাই। আগে তাদের বিভিন্ন সংস্থা মারধর করেছে। কিন্তু আমি তাদের (সমন্বয়ক) স্বজনদের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিয়েছি। আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আমি ভাতও খেয়েছি। ওই মেয়েটার মাকে এনে তার সঙ্গে রাখা হয়েছে। এর আগে আরেকটি রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছিল আইনসচিবের সঙ্গে আমার কথার। আমি আইনসচিবকে বলি আমি তাদের ধরিনি। কিন্তু আমাকে কালার করা হচ্ছে। তখন কিন্তু বিভিন্ন মিডিয়ায় আসছিল তাদের ডিবিতে আটকে রাখা হয়েছে। আমি তো কোনো কূলই পাচ্ছি না। সাধারণ মানুষ জানতেছে তাদের আমি আটকে রেখেছি। আমি হারুন তাদের সঙ্গে কোনো খারাপ কথা বলিনি। ভিপি নুরের সঙ্গেও দুজন সমন্বয়কের কথা বলিয়ে দিয়েছি। তারা যাওয়ার পরে কিন্তু এখন পর্যন্ত বলেনি হারুন তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। আমার ক্ষতিটা হলো মানুষ জানল হারুন তাদের ধরে নিয়েছে।’

এত সংস্থা থাকতে ডিবিকে দিয়ে কেন এই কাজটি করাতে গেল। আপনার তো অতিউৎসাহী মনোভাব ছিল। এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এখনো তো সব গ্রেপ্তার ডিবি করছে। সারা দেশে ধরা হচ্ছে তাদের তো ডিবিতে নেওয়া হচ্ছে। আমি ডিবিকে মানুষের আস্থার স্থানে নিয়ে এসেছি। বিএনপি যত নেতাকে গ্রেপ্তার করে ডিবিতে এনেছি। কেউ বলতে পারবে না কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। আমি কখনো খারাপ ব্যবহার করিনি। মতিঝিলের আওয়ামী লীগ নেতা টিপু হত্যার ঘটনায় ৩৩ জন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছি। এতে দলের নেতারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ এমপি আনার হত্যার ঘটনায় নেপাল, ভারত এমনকি পাহাড় থেকে আসামি ধরে এনেছি। জেলার সাধারণ সম্পাদককে ধরেছি। তার মানে কোনো ঘটনা ঘটলে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে জড়াইনি। আমার এমন কাজে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনেকে ক্ষিপ্ত হয়েছে।’

সরকারপ্রধান (শেখ হাসিনা) সবাইকে বিপদে ফেলে চলে গেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি ছোট মানুষ। আমি ডিএমপির প্রধানও না, পুলিশের প্রধান না। আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে মোয়া বানানো হচ্ছে। আমি কেন আলোচিত-এর একটাই কারণ যেখানে অপরাধ হয়েছে সেখানে আমি মানুষকে সেবা দিয়েছি। মানুষ যখন যে সমস্যায় পড়েছে তারা থানায় না গিয়ে ডিবিতে আসত। ডিবিতে আমার চাকরিজীবনে মানুষের উপকার করেছি। কারো ক্ষতি করিনি।’

সরকারের লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করে আপনি অনুতপ্ত কি না জানতে চাইলে ডিবির সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করিনি। আমি সরকারি চাকরি করি। আমার সঙ্গে কোনো দিন শেখ হাসিনার দেখা হয়নি। ১৫ বছরের ক্ষমতাকালীন সময়ে কোনো দিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যাইনি। আমার সঙ্গে কথা হয়নি। আমাকে বলা হচ্ছে হুকুমদাতা। আমি হুকুমদাতা কিভাবে হলাম। আমি তো ডিএমপি কমিশনারের অধীনে কাজ করেছি। আমি যা করেছি ন্যায়বোধ থেকে করেছি। অন্যায় করিনি। ন্যায়বোধ দিয়ে কাজ করায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়েছি। কিন্তু মানুষ আমার কাজের প্রশংসা করেছে। আমাকে ভুল বোঝার অবকাশ নেই।’

উখিয়ায় উপজেলা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
উখিয়ায় উপজেলা ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

(১৪ মার্চ) বিকেল চারটায় উখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠপ্রাঙ্গনে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উখিয়া টেকনাফ থেকে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর সম্মার্তে উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যেগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদলের সদস্য সচিব রিদুয়ানের সঞ্চালনায় এই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বি এন পির সভাপতি সাবেক উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জনপ্রিয় জননেতা সরওয়ার জাহান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বি এন পির সাধারণ সম্পাদক উখিয়া উপজেলার সাবেক ভাইসচেয়ারম্যান
সুলতান মাহমুদ চৌধুরী।
উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী
উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী যুবদলের আহবায়ক সাইফুল সিকদার,
স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রিদুয়ানুর ছিদ্দিকী
ছাত্র দলের কক্সবাজার জেলা ও উখিয়া উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথি সরওয়ার জাহান চৌধুরী ছাত্রদলের উদ্দেশ্য বলেন আমরা অনেক কিছু বিসর্জনে বিনিময়ে একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি এই সময় আমাদের সকলের উচিৎ সম্প্রীতি সৌহার্দ্য পূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে চলা এমন কোন নেগেটিভ পরিবেশ সৃষ্টি না হয় যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে।সেই দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। ছাত্র দলের নেতা কর্মীদের টিকাদারী, টেন্ডারবাজী বালুর মহালের ব্যবসা এই গুলো না করার পরামর্শ দেন। ছাত্ররা নিজেদের আর্দশে থেকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে মানুষ বিপদে আপদে ছুটে আসবে এটাই হবে ছাত্রদলের মুল উদ্দেশ্য। আমরা যারা বিএনপিতে আছি তোমাদের আর্থিক কোন সংকট হলে আমাদের জানাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের আমরা সাহায্য সহযোগিতা করবো। পরে তিনি উখিয়া টেকনাফের গণমানুষের নেতা শাহজাহান চৌধুরীর জন্য উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন যাতে করে শাহজাহান চৌধুরী সুস্থ ও সবল থেকে রাষ্ট্রের নিয়োজিত কার্য সুন্দর ভাবে সম্পূর্ণ করতে পারেন।

পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বি.সরকার, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৬ পিএম
পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়-ব্যয় ও ভবন নির্মান প্রসঙ্গে শনিবার বেলা ১১টায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়িতে অনুষ্ঠিত সভায় পূজা পরিষদ নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ও ভবন নির্মান কমিটির সদস্য সমীরন সাধুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস ও পৌর কমিটির সভাপতি বাবু রাম মন্ডল দফা ভিত্তিক সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব দাখিল করায় সকলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভা চলাকালে উপজেলা বিএনপি-র আহ্বায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ (এমবিবিএস), তুষার কান্তি মন্ডল উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় পূজা পরিষদ ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রানকৃষ্ণ দাশ, মুরারী মোহন সরকার, সুনিল মন্ডল, সন্তোষ কুমার সরকার, প্রজিৎ কুমার রায়, কালিপদ বিশ্বাস, বি.সরকার, স্নেহেন্দু বিকাশ, সুরঞ্জন চক্রবর্তী, কনক চন্দ্র সরকার, প্রকাশ ঘোষ বিধান, কালিপদ মন্ডল, দীনেশ চন্দ্র রায়, সুভাষ চন্দ্র রায়, দীপঙ্কর কুমার মন্ডল, মনোজিৎ সরদার, প্রশান্ত কুমার রায়, তুষার কান্তি বিশ্বাস, পার্থ প্রতিম সরকার, মনোরঞ্জন বিশ্বাস, গৌবিন্দ দত্ত, অমল কৃষ্ণ, বিপুল বিশ্বাস, দীনবন্ধু মন্ডল, কেশব মৃধা, সাধন চন্দ্র দাশ, প্রদীপ মন্ডল, অমল কৃষ্ণ রায়, তারক চন্দ্র মন্ডল, অনুকুল চক্রবর্তী, উজ্জ্বল মন্ডল, ত্রিনাথ বাছাড়, পরিমল দাশ, গৌরপদ মন্ডল ও অমিত শীলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ জিরোপয়েন্টে পূজা উদযাপন পরিষদের নিজস্ব জমিতে চলমান ভবন নির্মান কাজ পরদর্শন করেন।

ঈশ্বরদীতে জ্বালানী তেল মজুদ করায় ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫২ পিএম
ঈশ্বরদীতে জ্বালানী তেল মজুদ করায় ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

পাবনার ঈশ্বরদীতে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রাখা ও বিক্রিতে প্রতি লিটারে প্রায় ২০০ গ্রাম তেল কম দেওয়ার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

‎‎শনিবার (১৪মার্চ) বিকেলে পোর শহরের রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা আরোপ করেন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম মোঃ করিম। তিনি‘মেসার্স করিম পেট্রোলিয়াম এজেন্সী’-এর স্বত্বাধিকারী।

‎‎জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে পৌর শহরের রেলগেট এলাকায় মেসার্স করিম পেট্রোলিয়াম এজেন্সীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে অনুমোদনহীনভাবে মজুত করা প্রায় ৬ হাজার লিটার পেট্রোল পাওয়া যায়। শুধু তাই নয় পেট্রোল বিক্রিতেও প্রতি লিটারে ২০০ গ্রাম কম দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে এসব জ্বালানি তেল মজুত রাখা ও বিক্রিতে প্রতারনা করায় ব্যবসায়ী মোঃ করিমকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

‎‎ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে তেল মজুত রাখা ও তেল বিক্রিতে কম দেওয়ার প্রমাণ মেলায় ওই ব্যবসায়ীকে সতর্কতামুলক জরিমানা করা হয়েছে। মজুতকৃত এসব তেল তাৎক্ষনিক নির্ধারিত সরকারি দামে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে বলা হয়েছে।

error: Content is protected !!