স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ
হানিট্র্যাপ
চাইলে একটি স্বাভাবিক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ সংসার গড়ে তোলার পথ তার সামনে খোলা ছিল। কিন্তু সে পথ পরিহার করে তিনি বেছে নেন প্রতারণার অন্ধকার গলি-যা সমাজে “হানিট্র্যাপ” নামে পরিচিত।
আধুনিক অপরাধজগতে হানিট্র্যাপ বলতে বোঝায়-প্রেম, সম্পর্ক বা ঘনিষ্ঠতার প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে ফাঁদে ফেলা এবং পরে সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অর্থ আদায়, ব্ল্যাকমেইল বা প্রতারণা করা। বিভিন্ন দেশে এমন অপরাধ বহুদিন ধরেই দেখা যায়; অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে মানুষকে ডেকে এনে জিম্মি করা বা আপত্তিকর ছবি–ভিডিওর ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নারীও এমনই এক প্রতারণার জালে জড়িয়ে পড়েন। রমজানের পবিত্র সময়েও তিনি থামেননি; বরং একই কৌশলে মানুষকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু প্রবাদ আছে-“সাত দিনের চোর একদিন ধরা পড়ে।” শেষ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তিনি হাতেনাতে ধরা পড়েন।
এখন তার সামনে অপেক্ষা করছে আইনের কঠোর বাস্তবতা। বিলাসী জীবন, বাহ্যিক সাজসজ্জা কিংবা রূপচর্চার সেই জগত থেকে তাকে সরে এসে জবাব দিতে হবে আদালতের কাঠগড়ায়। সমাজের জন্য এ ঘটনা এক গভীর সতর্কবার্তা-লোভ, প্রতারণা ও অসততার পথ শেষ পর্যন্ত মানুষকে লজ্জা ও শাস্তির দোরগোড়ায়ই পৌঁছে দেয়।











