সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক হাফিজকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

Md. Omar Faruk (Sunny)
Md. Omar Faruk (Sunny) - Staff Reporter, Pabna District প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪১ এএম | 69 বার পড়া হয়েছে
ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক হাফিজকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

পাবনার ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক হাফিজুর রহমান হাফিজকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৮ মার্চ) বিকেলে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় সাংবাদিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রেসক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সংবর্ধিত অতিথি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান হাফিজকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান হাফিজ দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। তার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং রাজশাহী বিভাগের সাংবাদিক সমাজের জন্যও গর্বের বিষয়।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফরিদ খানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সঠিক মূল্যায়নের ফলেই একজন যোগ্য ও পরিশ্রমী সাংবাদিককে রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য তারা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফরিদ খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিক হাফিজুর রহমান হাফিজ তার বক্তব্যে বলেন, এই সম্মাননা শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি রাজশাহী বিভাগের সকল সাংবাদিকের সম্মান। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে মানুষের কথা তুলে ধরাই একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজই পারে পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে এবং সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি সকলকে সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কাজ করব। সাংবাদিকদের কল্যাণ, পেশাগত নিরাপত্তা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করব।”

তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা থাকলে আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারব। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করলে সাংবাদিক সমাজ আরও এগিয়ে যাবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
শেষে দেশ, জাতি ও সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ মার্চ বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম মন্ডল স্মরণে স্মরণসভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে তিন সদস্যবিশিষ্ট নতুন রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইমাম হাসানকে সভাপতি, আরটিভির নাটোর জেলা প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেনকে সহ-সভাপতি এবং পাবনা জেলা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান হাফিজকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!