সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র উদ্যোগে 

নবাবপুর ইউনিয়নে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম | 42 বার পড়া হয়েছে
নবাবপুর ইউনিয়নে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র নবাবপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়ন এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় অসহায়, দুস্থ ও নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আয়োজক সূত্র জানায়, মাহে রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বাছাইকৃত সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ইফতার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
ইউনিয়ন সেক্রেটারি মাওলানা মুমিনুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আমীর মাওলানা জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ফেনী জেলা আমীর মুফতি আব্দুল হান্নান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এই মাস আমাদের ধনী-গরিবের বৈষম্য ভুলে গিয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়। তিনি সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, সমাজে ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা জিয়াউর রহমান বলেন, মাহে রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়, এটি সহমর্মিতা ও মানবিকতারও মাস। অসচ্ছল মানুষের কষ্ট লাঘবে সংগঠনের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, সমাজের প্রত্যেকটি সামর্থ্যবান মানুষের উচিত রমজানের প্রকৃত শিক্ষা ধারণ করে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করবে।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সুবিধাভোগীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে এমন কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
বাথরুমে পড়ে গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপি

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) নাজির আহমেদ খান তাঁর সরকারি বাসভবনের বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ২৯ মার্চ (সোমবার) সকালে নগরের সিআরবি এলাকায় অবস্থিত এসপির সরকারি বাংলোতে তিনি এ দূর্ঘটনার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাথরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন এসপি নাজির আহমেদ খান। পরে বাসার কর্মচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে জানান, তাঁর বাম পা মারাত্মকভাবে ভেঙে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় রেফার করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোমবার বেলা দুইটার দিকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (নিটোর)-এ ভর্তি করা হয়েছে।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

error: Content is protected !!