শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

জামাল কাড়াল, বরিশাল

বরিশালে মাদক ব্যবসায়ী আটক

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম | 90 বার পড়া হয়েছে
বরিশালে মাদক ব্যবসায়ী আটক

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে এক চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ ভোর আনুমানিক ২টা নাগাদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অধীন ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উজিরপুর আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস দল বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর এস জিসান জাকি রকি।
অভিযান চলাকালে উক্ত এলাকার দীর্ঘদিনের চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী মো. মাসুদ হাওলাদারকে তার নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২৯২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা, দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটককৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উজিরপুর ও আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল এবং এলাকায় সে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের নাম হিসেবে পরিচিত ছিল।
অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং এতে কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। উদ্ধারকৃত আলামতসমূহ যথাযথভাবে জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উজিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়েজ আহমদ, পিএসসি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো ধরনের আপস করবে না। মাদক সংশ্লিষ্ট যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তি নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি। দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়মিত সহায়তা করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের বিশেষ অভিযানের ফলে এলাকায় সাধারণ জনগণের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

রাউজানে রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দিরে ১২ যুগ পূর্তি মহানামযজ্ঞ মহোৎসব অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম): প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
রাউজানে রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দিরে ১২ যুগ পূর্তি মহানামযজ্ঞ মহোৎসব অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াজিষপুর নতুনহাটে অবস্থিত সার্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দির ও মগধেশ্বরী মাতৃ মন্দিরের বাৎসরিক উৎসব উপলক্ষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় ১২ যুগ পূর্তি অষ্টপ্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২, ৩ ও ৪ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার) তিনদিনব্যাপী এ ধর্মীয় আয়োজন নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের কর্মসূচির মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ প্রতিযোগিতা, বস্ত্র বিতরণ, সাধু-গুরু-বৈষ্ণব ও গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান, মাতৃ মরণোত্তর ও আজীবন সদস্যদের সংবর্ধনা।
এছাড়াও ১২ যুগ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে “টিম ভৈরব ব্যান্ড”-এর পরিবেশনায় ভক্তিমূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান, স্বজন পুনর্মিলনী, গঙ্গা আহ্বান, শুভ অধিবাস, মহানামযজ্ঞের শুভারম্ভ, ঠাকুর ও মাতৃ পূজা-অর্চনা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগরতি কীর্তন, দিবারাত্রি অন্নপ্রসাদ বিতরণ এবং ফাল্গুনী মেলার আয়োজন করা হয়।
শুভ অধিবাস কীর্তন ও পৌরহিত্য করেন হাটহাজারী শিকারপুর শ্রীশ্রী গৌরাঙ্গ বাড়ী সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ ১০৮ শ্রীল স্বরূপ দাস বাবাজী মহারাজ।
৪ এপ্রিল শনিবার ঊষালগ্নে মহানামযজ্ঞের পূর্ণাহুতি প্রদান, নগর কীর্তন পরিক্রমা ও ভক্ত বিদায় উৎসবের মধ্য দিয়ে মহোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অপু দাশ, জয় দাশ, রাজীব সুশীল, বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সভাপতি বিটু কান্তি দে, ৬নং বিনাজুরী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রূপালী চৌধুরী এবং সমীর কান্তি নাথ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নোয়াজিষপুর সার্বজনীন শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অর্জুন কুমার নাথ, অর্থ সম্পাদক দীপু কান্তি নাথসহ উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাদল কান্তি নাথ, সহ-সভাপতি মদন কান্তি নাথ, সাধারণ সম্পাদক সুজন কান্তি নাথ, সহ-সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কান্তি নাথ এবং কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তিনদিনব্যাপী এ মহতী ধর্মীয় আয়োজনে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভক্তের সমাগম ঘটে, যা এলাকায় এক আধ্যাত্মিক ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

মুনছুরনগরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ীতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম
মুনছুরনগরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ীতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা

জামালপুরের সরিষাবাড়ির পার্শ্ববর্তী কাজীপুরের মুনছুরনগর এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে সশস্ত্র হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী লাল চান ওরফে লালু মিয়া বাদী হয়ে গতকালদ বৃহস্পতিবার কাজীপুর কোর্ট সিরাজগঞ্জ আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাজীপুর উপজেলার মনছুরনগর ইউনিয়নের পূর্ব মাজনাবাড়ী গ্রামের নেদু ভূঁইয়ার ছেলে লাল চান ওরফে লালু মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার একটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। এর জেরে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় ঐ এলাকার মৃত দানেছ মণ্ডলের ছেলে আফছার আলীকে প্রধান আসামি ও ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, বুধবার রাতে অভিযুক্তরা লোহার রড, কাঠের বাটাম, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগীর মুদি দোকানে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকান ভাঙচুর করে এবং প্রায় ৪ লাখ ২৯ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে হামলাকারীরা দোকান পরিচালনা করতে হলে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হামলাকারীরা ভুক্তভোগীর বসতবাড়িতেও হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেখানে তারা দরজা-জানালা ভাঙচুর করে ঘরে থাকা নগদ প্রায় ১৫ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার (চেইন ও কানের দুল) যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। এছাড়া পানির মোটর পাম্পসহ অন্যান্য সামগ্রী ভাঙচুর করে আরও প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়।

ভুক্তভোগী লালু মিয়া অভিযোগ করে জানান, চাদার দাবিতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। এ ঘটনায় হামলাকারীরা লুটপাট করে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে আফছার আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, লালু মিয়া পেট্রোল মজুদ রেখে
বেশি দামে তা বিক্রি করছিল। এলাকার মানুষ তাতে বাধা দিলে উল্টো আমাদের নামে তিনি মিথ্যা অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।

স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য মোতাহার হোসেন জানান, দলীয় নাম ভাঙ্গিয়ে একটি চক্র চাঁদা না পেয়ে এই হামলা ও লুটপাট করেছে। আমি নিজে বাঁধা প্রদান করলেও তারা মানেননি। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে ভুক্তভোগী সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

মোঃ সোহানুর রহমান
সরিষাবাড়ী, জামালপুর

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের করণীয়

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের করণীয় প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের করণীয়

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি

দেশ-বিদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেড় সাংবাদিকতার ভূমিকা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, এবং নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিড়ে সত্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পৌঁছে দেওয়া এখন এক বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে সচেতন মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সত্য তথ্য যাচাই করে প্রকাশ করা। গুজব, অপপ্রচার কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করলে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তাই প্রতিটি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
এছাড়া ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য ফ্যাক্ট-চেকিং, ডাটা জার্নালিজম এবং মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরিতে দক্ষতা অর্জন করা সময়ের দাবি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে হুমকি বা চাপের মুখে পড়তে হয় অনেক সাংবাদিককে। এ অবস্থায় পেশাগত নীতিমালা মেনে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আইনি সুরক্ষা ও সংগঠনের সহায়তা গ্রহণ করাও জরুরি।
সচেতন মহল মনে করে, সাংবাদিকদের উচিত জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা। সমাজের অবহেলিত, নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। একই সঙ্গে উন্নয়নমূলক ও ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করেও সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
সবশেষে বলা যায়, বর্তমান সময়ে একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক শুধু তথ্য পরিবেশনকারী নন, বরং সমাজের একজন পথপ্রদর্শক। সততা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখে কাজ করলে সাংবাদিকতা পেশা আরও মর্যাদাপূর্ণ হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

error: Content is protected !!