সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

আল্লাহর অলী কে?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম | 77 বার পড়া হয়েছে
আল্লাহর অলী কে?

সুফিবাদ বা তাসাউউফ শাস্ত্রের দৃষ্টিতে ‘আল্লাহর অলী’ হওয়া একটি অত্যন্ত গভীর এবং আধ্যাত্মিক পরিক্রমা। সাধারণ শরিয়তের সংজ্ঞার চেয়ে সুফিগণ এই বিষয়টিকে আরও সূক্ষ্ম ও আধ্যাত্মিক স্তরে ব্যাখ্যা করেছেন।
সুফিবাদের গভীরে অলীদের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ‘বিলায়াত’ (Wilayah) ও ‘ওয়াল্যাহ’ (Walayah)-এর রহস্য
সুফি তত্ত্বে অলীদের অবস্থান বোঝাতে এই দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়:
১. ‘বিলায়াত’ (Wilayah) ও ‘ওয়াল্যাহ’ (Walayah)-এর রহস্য
সুফি তত্ত্বে অলীদের অবস্থান বোঝাতে এই দুটি শব্দ ব্যবহৃত হয়:
ওয়াল্যাহ (Walayah): এর অর্থ আল্লাহর সাথে নিবিড় ‘বন্ধুত্ব’ বা প্রেমের সম্পর্ক। এটি বান্দার আধ্যাত্মিক অবস্থা, যেখানে সে আল্লাহর প্রেমে ফানা বা বিলীন হয়ে যায়।
বিলায়াত (Wilayah): এর অর্থ আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত ‘কর্তৃত্ব’ বা অভিভাবকত্ব। যখন কোনো বান্দা আল্লাহর খুব প্রিয় হয়ে যান, তখন আল্লাহ তাঁকে সৃষ্টিজগতের ওপর এক বিশেষ আধ্যাত্মিক ক্ষমতা বা দায়িত্ব প্রদান করেন।
২. আধ্যাত্মিক পর্যায় (The Sufi Hierarchy)
সুফি দর্শনে অলীদের কিছু স্তর বা মর্যাদা থাকে, যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের আধ্যাত্মিক ভারসাম্য বজায় রাখা হয় বলে তারা বিশ্বাস করেন। যেমন:
কুতুব (Qutb): যুগের প্রধান অলী বা আধ্যাত্মিক কেন্দ্রবিন্দু।
গাউস (Ghaus): কুতুবেরই একটি উচ্চতর অবস্থা, যিনি আর্তের সাহায্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমতা পান।
আবদাল (Abdal): তাঁরা সংখ্যায় নির্দিষ্ট (সাধারণত ৪০ জন) এবং তাঁদের মাধ্যমে আল্লাহ পৃথিবীকে রিযিক ও রহমত দান করেন।
আওতাদ (Awtad): বিশ্বের চার কোণের চারজন আধ্যাত্মিক স্তম্ভ।
৩. ফানা এবং বাকা (Fana and Baqa)
সুফিবাদের মূলে রয়েছে নিজের ‘নফস’ বা অহংবোধকে মিটিয়ে দেওয়া।
ফানাফিল্লাহ: নিজের অস্তিত্বকে আল্লাহর ইচ্ছার মধ্যে বিলীন করে দেওয়া। একজন অলী নিজের ইচ্ছায় কিছু করেন না, বরং আল্লাহর ইচ্ছাই তাঁর ইচ্ছা হয়ে যায়।
বাকাবিল্লাহ: ফানা হওয়ার পর বান্দা যখন আবার তার জাগতিক সত্তায় ফিরে আসেন, তখন তিনি আল্লাহর গুণাবলীতে গুণান্বিত হয়ে মানুষের সেবা করেন। এই স্তরেই একজন ব্যক্তি ‘কামিল অলী’ বা পূর্ণাঙ্গ মানুষে পরিণত হন।
৪. অলীদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য (সুফি দৃষ্টিভঙ্গিতে)
মা’রিফাত (Gnosis): তাঁরা কেবল পুথিগত বিদ্যায় নয়, বরং ‘ইলমে লাদুন্নি’ বা আল্লাহর পক্ষ থেকে সরাসরি হৃদয়ে আসা মারেফতের জ্ঞানে সমৃদ্ধ হন।
মুশাহাদা: তাঁরা তাঁদের অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে আল্লাহর কুদরত বা মহিমা প্রত্যক্ষ করেন।
কারামত: অলীদের হাত দিয়ে অলৌকিক কিছু ঘটা সম্ভব, তবে সুফিগণ বলেন— “সবচেয়ে বড় কারামত হলো দ্বীনের ওপর ইস্তেকামাত বা অবিচল থাকা।”
পাহারা দেওয়া অন্তর: সুফিদের মতে, অলী হলেন তিনি যার অন্তরে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও স্থান নেই।
৫. বিখ্যাত সুফিদের উক্তি
জুনায়েদ বাগদাদী (র.): “অলী হতে হলে আল্লাহর রঙে রঙিন হতে হয় এবং নিজের আমিত্বকে কোরবানি দিতে হয়।”
ইমাম গাযালী (র.): “আল্লাহর অলী তাঁরাই, যাদের অন্তরের আয়না এতটাই পরিষ্কার যে তাতে খোদায়ী নূর প্রতিফলিত হয়।
সংক্ষেপে: সুফিবাদের গভীর তত্ত্ব অনুযায়ী, আল্লাহর অলী হওয়া মানে কেবল বাহ্যিক ইবাদত নয়, বরং নিজের ভেতরকার ‘পশুত্ব’কে মেরে ‘খোদায়ী নূরে’ নিজেকে আলোকিত করা। এটি প্রেম (ইশক), সাধনা (রিয়াযত) এবং পূর্ণ আত্মসমর্পণের একটি পথ।
“আল্লাহর অলী হওয়া কোনো অলৌকিক ক্ষমতা নয়, বরং এটি হলো আল্লাহর প্রেমে নিজের অহংবোধকে বিলীন করে দেওয়ার এক পরম যাত্রা। কোরআন, সুন্নাহ এবং সুফিবাদের গভীরে অলীদের পরিচয় হলো— তাঁরা আল্লাহর এমন বান্দা যাদের অন্তরে আল্লাহ ছাড়া আর কারো স্থান নেই। যখন বান্দা নিজেকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করে, তখনই শুরু হয় প্রকৃত ‘বিলায়াত’ বা বন্ধুত্বের পথ। আসুন, আমরাও সেই পথের যাত্রী হওয়ার চেষ্টা করি।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!