সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় পবিত্র শবে মেরাজের তত্ত্ব বিশ্লেষণ পূর্বক বিশেষ ইসলামী প্রতিবেদন

শবে মেরাজ- সীমানা ছাড়িয়ে অসীমের সান্নিধ্য পাওয়ার এক আধ্যাত্মিক মহামিলনের মহাকাব্য

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৪ এএম | 74 বার পড়া হয়েছে
শবে মেরাজ- সীমানা ছাড়িয়ে অসীমের সান্নিধ্য পাওয়ার এক আধ্যাত্মিক মহামিলনের মহাকাব্য

পবিত্র শবে মেরাজ! চৌদ্দশ বছরেরও বেশি সময় আগে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনে ঘটে যাওয়া সেই অলৌকিক মহাযাত্রার স্মৃতিবাহী রজনী। তবে সুফি সাধক ও আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদদের মতে, মেরাজ কেবল ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ কোনো ভ্রমণ নয়, বরং এটি মানবাত্মা- পরমাত্মার সাথে মিলনের এক চিরন্তন পথনকশা। সমসাময়িক অস্থির পৃথিবীতে যখন মানুষ কেবল বস্তুগত সুখে নিমজ্জিত, তখন মেরাজের এই ‘রূহানি সফর’ আমাদের শেখায় কীভাবে নশ্বর দেহকে অতিক্রম করে অবিনশ্বর স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভ করা যায়।
** ১. আকল বা যুক্তির সীমাবদ্ধতা ও ইশকের বিজয়:- সুফি দর্শনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো ‘ইশক’ বা প্রেম। মেরাজের রাতে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত গিয়ে ফেরেশতা জিবরাঈল (আঃ)-এর থেমে যাওয়া এক বিরাট রহস্যের ইঙ্গিত দেয়। কোরআনে এর বর্ণনা এসেছে এভাবে: “তার দৃষ্টি বিভ্রম হয়নি এবং তিনি সীমা লঙ্ঘন করেননি।” (সূরা আন-নাজম: ১৭)।
সুফি তাত্ত্বিকদের মতে, জিবরাঈল (আঃ) হলেন ‘আকল’ বা বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানের প্রতীক। জ্ঞান বা যুক্তি স্রষ্টার ঘরের তোরণ পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে, কিন্তু স্বয়ং স্রষ্টাকে পেতে হলে প্রয়োজন হৃদয়ের প্রেম বা ‘ইশক’। মাওলানা রুমি যেমনটি বলেছেন, “যুক্তি হলো পায়ের জুতো, যা দিয়ে পথ চলা যায়; কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে সেই জুতো খুলে প্রেমের সাগরে ঝাঁপ দিতে হয়।”
** ২. ফানা-ফিল্লাহ ও বাকা-বিল্লাাহ্-র মাধ্যমে আমিত্বের বিসর্জন:- রাসূল (সাঃ) যখন আরশে আজিমে পৌঁছালেন, তখন সেখানে কোনো ব্যবধান ছিল না। সুফি পরিভাষায় একে বলা হয় ‘মকামে মাহমুদ’। এখানে পৌঁছে মানুষের সীমাবদ্ধ ‘আমি’ বা নফস বিলীন হয়ে যায় (ফানা), আর অবশিষ্ট থাকে কেবল আল্লাহর নূর (বাকা)।
** হাদিসে কুদসিতে এসেছে:- “বান্দা যখন নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার কাছে আসে, আমি তখন তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে…” মেরাজ আমাদের শিক্ষা দেয় যে, নিজের অহংকার এবং আমিত্বকে বিসর্জন দিলেই কেবল ঐশী নূরের দেখা পাওয়া সম্ভব।
** ৩. ‘আস-সালাতু মিরাজুল মুমিনীন’ হলো আধুনিক ও বাস্তব জীবনে প্রশান্তির চাবিকাঠি:- আজকের যান্ত্রিক জীবনে মানুষ যখন মানসিক চাপে পিষ্ট, তখন সুফি মতবাদের ‘সালাত বা নামাজ’ হতে পারে প্রকৃত মেরাজ। রাসূল (সাঃ) মেরাজ থেকে উম্মতের জন্য উপহার হিসেবে নিয়ে এসেছেন ৫ (পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ।
** সুফি তত্বে শবে মেরাজের বিশ্লেষণ:- নামাজের প্রতিটি সেজদা হলো আধ্যাত্মিকতার একটি স্তর। সুফিগণ মনে করেন, শরীর জমিনে থাকলেও মুমিনের আত্মা সিজদারত অবস্থায় আল্লাহর আরশের নিচে পৌঁছে যায়। এটি কেবল কায়িক কসরত নয়, বরং স্রষ্টার সাথে একান্তে কথোপকথন (মুনাজাত)।
** ৪. সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে্ বস্তুবাদের পর্দা উন্মোচন (কাশফ):- বর্তমান পৃথিবীতে আমরা চোখের সামনে যা দেখি, তাকেই সত্য বলে ধরে নিই। কিন্তু শবে মেরাজ আমাদের শেখায় যে, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরেও এক বিশাল ‘হাকিকত’ বা পরম সত্যের জগত রয়েছে। নবীজি (সাঃ)-এর জান্নাত ও জাহান্নাম অবলোকন ছিল সেই অদৃশ্যের পর্দা বা ‘কাশফ’ উন্মোচন।
সর্বপরি, আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে ‘মাল্টিভার্স’ বা উচ্চতর মাত্রা (Dimensions) বলা হচ্ছে, সুফিগণ কয়েকশ বছর আগেই তাকে মেরাজের আলোকে ‘নূরের জগত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যখন মানুষের অন্তর পাপাচার ও লোভ থেকে মুক্ত হয়ে আয়নার মতো স্বচ্ছ হয়, তখনই তার হৃদয়ে সেই ঐশী রহস্যের প্রতিফলন ঘটে।
** ৫. পরিশেষে আত্মার মুক্তি ও মেরাজের শিক্ষা:- শবে মেরাজের নিগূঢ় তত্ত্ব এটাই যে, মানুষ কেবল রক্ত-মাংসের পুতুল নয়। মানুষের ভেতরে রয়েছে আল্লাহর ফুঁকে দেওয়া রূহ (Spirit)।
* কোরআনের ঘোষণা:- “আমি আদমসন্তানকে মর্যাদা দিয়েছি।” (সূরা বনি ইসরাইল: ৭০)।
এই মর্যাদার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল মেরাজে। সুফি মতে, শবে মেরাজ আমাদের সেই সুপ্ত সম্ভাবনার কথা মনে করিয়ে দেয়-যদি আমরা আমাদের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, তবে আমাদের আত্মা সাত আসমান ভেদ করে স্রষ্টার নৈকট্য পাওয়ার যোগ্যতা রাখে।
সারমর্মের সত্য কাহনের উন্মোচনের বাস্তবতায়, আজকের এই পবিত্র রজনী আমাদের কেবল উৎসবের নয়, বরং আত্মসমালোচনার। আমরা কি আমাদের আত্মার সেই ঊর্ধ্বগমনের সিঁড়িতে পা রাখতে পেরেছি? নামাজের মাধ্যমে কি আমরা স্রষ্টার সাথে কথা বলছি? শবে মেরাজ হোক আমাদের ভেতরের অন্ধকারাযুক্ত (অন্ধকারাচ্ছন্ন) সকল কলুষিত পাপাচারের পর্দা সরিয়ে আল্লাহ্-র প্রকৃত জাত সত্তার অস্তিত্বের নূরময় জগৎতের নূরানী নূরের পথে ফেরার এক অনন্য মাধ্যম- আমিন।

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!