সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

চিরস্থায়ী লাভজনক ব্যবসা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০৫ পিএম | 35 বার পড়া হয়েছে
চিরস্থায়ী লাভজনক ব্যবসা

মদীনার তপ্ত দুপুরে এক ইয়াতীম ছেলে তার বাগানের সীমানায় প্রাচীর তুলছিল। কিন্তু কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াল প্রতিবেশীর একটি খেজুর গাছ। ছেলেটি প্রতিবেশী আবু লুবাবার কাছে গিয়ে অনুরোধ করল গাছটি বিক্রি করতে, যাতে সে তার প্রাচীরটি সোজা করতে পারে। কিন্তু আবু লুবাবা কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না।
উপায় না দেখে ছেলেটি আল্লাহর রাসূল -এর দরবারে হাজির হলো। নবীজি সব শুনে আবু লুবাবাকে ডেকে পাঠালেন। নবীজি তাকে অনুরোধ করলেন গাছটি ইয়াতীমকে দিয়ে দিতে, এমনকি এর বিনিময়ে জান্নাতে একটি খেজুর গাছের নিশ্চয়তা দিলেন। কিন্তু হায়! দুনিয়ার মোহে অন্ধ আবু লুবাবা জান্নাতের সেই শ্রেষ্ঠ প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিলেন।
এক অসম অবিশ্বাস্য প্রস্তাব
মসজিদে নববীতে তখন নীরবতা নেমে এসেছে। উপস্থিত সাহাবীদের মধ্যে হযরত আবু দাহদাহ (রা.) সব শুনছিলেন। তিনি জানতেন জান্নাতের একটি গাছের মূল্য কত! তিনি রাসূলুল্লাহ -কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি ওই গাছটি কিনে ইয়াতীমকে দিয়ে দেই, তবে কি আমার জন্যও জান্নাতে একটি গাছ বরাদ্দ হবে?”
নবীজি বললেন, “হ্যাঁ।”
আবু দাহদাহ (রা.) কালক্ষেপণ না করে আবু লুবাবাকে বললেন, “আপনি কি আমার সেই বিখ্যাত বাগানটি চেনেন, যেখানে ৬০০ খেজুর গাছ, একটি বিশাল বাড়ি আর একটি মিষ্ট জলের কুয়া আছে?” আবু লুবাবা বললেন, “হ্যাঁ, মদীনায় কে না চেনে সেই বাগান!”
আবু দাহদাহ (রা.) ঘোষণা করলেন:
“আমি জান্নাতের সেই একটি গাছের বিনিময়ে আমার পুরো বাগানটি আপনাকে দিয়ে দিলাম। আপনি গাছটি আমাকে দিন।”
আবু লুবাবা তো অবাক! একটি সাধারণ গাছের বিনিময়ে মদীনার সেরা বাগান! সে দ্রুত রাজি হয়ে গেল। আবু দাহদাহ (রা.) তখনই সেই একটি গাছ ইয়াতীম ছেলেটিকে উপহার দিয়ে দিলেন।
রাসূলুল্লাহ -এর খুশির জোয়ার
এই অভাবনীয় দৃশ্য দেখে নবীজি অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। তিনি বারবার বলতে লাগলেন:
“আবু দাহদাহর জন্য জান্নাতে এখন কত শত বিশাল বিশাল খেজুরের ঝোপ বা বাগান অপেক্ষা করছে!”
তিনি এতবার এই কথাটি বললেন যে উপস্থিত সাহাবীরা বুঝতে পারলেন—আবু দাহদাহ (রা.) দুনিয়া দিয়ে আসলে আস্ত জান্নাত কিনে ফেলেছেন।
উম্মে দাহদাহর অনন্য ঈমান
বাগানটি বিক্রি করে আবু দাহদাহ (রা.) তাঁর সেই পুরনো বাগানের দরজায় ফিরে গেলেন। ভেতরে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানেরা ছিল। তিনি ভেতরে প্রবেশ না করে বাইরে থেকেই স্ত্রীকে ডাক দিলেন, “হে উম্মে দাহদাহ! বাচ্চাদের নিয়ে বাগান থেকে বেরিয়ে আসো। আমি এই বাগান বিক্রি করে দিয়েছি।”
স্ত্রী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কার কাছে বিক্রি করেছেন? কে আপনাকে কত দাম দিয়েছে?”
আবু দাহদাহ (রা.) শান্ত স্বরে বললেন, “আমি জান্নাতে একটি খেজুর বাগানের বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিয়েছি।”
একজন সাধারণ নারী হলে হয়তো হাহাকার করে উঠতেন, কিন্তু উম্মে দাহদাহ ছিলেন ঈমানের আলোয় আলোকিত। তিনি খুশিতে বলে উঠলেন:
“আল্লাহু আকবার! হে আবু দাহদাহ! আপনি অবশ্যই অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা করেছেন।”
এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে তিনি সন্তানদের হাত থেকে খেজুরগুলো কেড়ে নিলেন (যেহেতু তা এখন অন্যের সম্পদ) এবং হাসিমুখে জান্নাতের ঠিকানায় যাত্রা করার জন্য দুনিয়ার বিলাসী বাগান ত্যাগ করলেন।
শিক্ষা:
১. তাওয়াক্কুল: মুমিন জানে দুনিয়ার স্থাবর সম্পদ অস্থায়ী, কিন্তু আল্লাহর কাছে গচ্ছিত সম্পদ চিরস্থায়ী। ২. আদর্শ পরিবার: একজন নেককার স্ত্রী স্বামীর নেক কাজে বাধা না দিয়ে বরং উৎসাহ জোগান। ৩. জান্নাতের লোভ: দুনিয়ার সবচেয়ে দামী জিনিসের চেয়ে জান্নাতের একটি গাছের মূল্য অনেক বেশি।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আবু দাহদাহ (রা.)-এর মতো সাহসী এবং লাভজনক ব্যবসা করার তৌফিক দিন। আমীন।
[মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১২৫০৪; ইবনে হীব্বান, হাদীস ৭১৫৯; আস-সিলসিলা সাহীহাহ, হাদীস ২৯৬৪; মুস্তাদরাকে হাকীম, হাদীস ২১৯৪]

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম

অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অসহায় শিশু আঁখির পাশে উপজেলা প্রশাসন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর মাটিয়াল আদর্শ বাজার এলাকার বাসিন্দা হৃদরোগে আক্রান্ত আঁখি আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার মানবিক সংকট নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পরপরই প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগে ভুগছেন শিশু আঁখি আক্তার -১০। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়।
সংবাদটি নজরে আসার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান দ্রুত পদক্ষেপ নেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে ব্যক্তিগতভাবে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। ৩০ মার্চ ২০২৬ ইং সোমবার বিকেলে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও মাহামুদুল হাসান শিশু আঁখি আক্তারের চিকিৎসার জন্য তার মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও বলেন,
“মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। উপজেলা প্রশাসন সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে আঁখি আক্তারের পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!