স্বার্থপর মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য
স্বার্থপর মানুষ চেনা সবসময় সহজ হয় না, কারণ তারা অনেক সময় নিজেদের খুব অমায়িক হিসেবে উপস্থাপন করে। তবে দীর্ঘমেয়াদী মেলামেশায় তাদের কিছু সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়।
স্বার্থপর মানুষের প্রধান কিছু বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. সবসময় ‘আমি’ এবং ‘আমার’
তাদের জগতের কেন্দ্রে থাকে শুধু তারা নিজেরা। যেকোনো আলোচনায় তারা ঘুরেফিরে নিজেদের অর্জন, সমস্যা বা চাহিদার কথা নিয়ে আসে। আপনার ভালো-মন্দ বা অনুভূতির প্রতি তাদের বিশেষ কোনো আগ্রহ থাকে না।
২. প্রয়োজনে অতি আপন, অপ্রয়োজনে পর
তারা আপনার সাথে তখনই যোগাযোগ করবে বা খুব ভালো ব্যবহার করবে, যখন তাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হবে। কাজ ফুরিয়ে গেলে তারা আপনাকে আর আগের মতো গুরুত্ব দেবে না বা যোগাযোগ কমিয়ে দেবে।
৩. অন্যের সীমানা (Boundaries) সম্মান না করা
তারা মনে করে তাদের প্রয়োজনটাই সবচেয়ে বড়। তাই আপনার ব্যক্তিগত সময়, ব্যস্ততা বা মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা না করেই তারা যেকোনো সময় আপনার কাছে সাহায্য বা সময় দাবি করতে পারে।
৪. ভুলের দায় স্বীকার না করা
স্বার্থপর মানুষরা সাধারণত নিজের ভুল স্বীকার করতে চায় না। কোনো সমস্যা তৈরি হলে তারা কৌশলে অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয় (Blame shifting)। তারা সবসময় নিজেকে ‘শিকার’ বা ‘ভিক্টিম’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করে।
৫. শুধু নিতে জানে, দিতে নয়
যেকোনো সম্পর্কে ভারসাম্য থাকা জরুরি। কিন্তু স্বার্থপর মানুষরা সবসময় অন্যদের থেকে সুবিধা বা সেবা নিতে পছন্দ করে, অথচ বিনিময়ে কিছু করার সময় তারা নানা অজুহাত দেখায়।
৬. কৃত্রিম সহমর্মিতা
তারা ওপর ওপর খুব সহানুভূতি দেখালেও প্রকৃতপক্ষে অন্যের কষ্টে তারা বিচলিত হয় না। তাদের সহমর্মিতা অনেক সময় লোকদেখানো বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়।











