দোয়ারাবাজার উপজেলায় নরসিংপুর বাজারে পুরাতন মোটরসাইকেল ক্রয় বিক্রয় এর অন্যতম প্রতিষ্ঠান আলী মটরস এর ১০ বছর পুর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ০১-০১-২০২৬ ইংরেজি, নিজ প্রতিষ্ঠানের হল রুমে দোয়া মাহফিল সম্পন্ন করা হয়।
এতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন:- আলী মটরস্ এর ম্যানাজার মোঃ মুহিবুর রহমান ও সোহাগ হক।
সভাপতি দ্বায়িত্ব পালন করেন, নরসিংপুর বাজারের সাবেক ইমাম মাওলানা মোঃ আজমান আলী সাহেব।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন:- মাওলানা মোঃ ছাদিকুর রহমান সাহেব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন:-মাওলানা মতুর্জ আলী সাহেব।
এ সময় আলী মটর’স এর উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বক্তারা বলেন:- দোয়ারাবাজার উপজেলা এক অন্যতম প্রতিষ্ঠান আলী মটরস এর আজ ১০ বছর পুর্তি উপলক্ষে সেখানে জমায়েত হয়েছি আমরা অনেকে অনেক দূর দূরান্ত থেকে আসছেন। সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা আলী মটরস এর পক্ষ হতে। তিনি আলী মটরস দীর্ঘদিন যাবত নরসিংপুর বাজারে ব্যবসা সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। আসলে এত দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে যায় তবুও তিনি সততার সঙ্গে নরসিংপুর বাজারে পুরাতন মটরস সাইকেল এর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাহার জন্য দোয়া করছি। আগামীতে ও যেন পরিপূর্ণ সুস্থ ভাবে চালিয়ে যেতে পারেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন:- ফখরুল ইসলাম সাহেব, মাওলানা আলী আজগর সাহেব,মোঃ মকবুল আলী সাহেব, হেলাল আহমদ, নুর আলী, ইমরান, হেলাল উদ্দিন, ছয়ফুল আমীন, আর অনেকেই।
সর্ব শেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ও আপ্যায়ন এর মধ্যে দিয়ে সমাপ্তি ঘটে।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও যাত্রাবাড়ী অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের তুলনায় এখনো তেমন যাত্রীর চাপ লক্ষ করা যায়নি। তবে দূরপাল্লার বাসে করে ধীরে ধীরে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছে লোকজন। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজটের তেমন চিত্র দেখা যায়নি। দূরপাল্লার গাড়িগুলো যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে সেগুলো যথাসময়ে ফেরত আসতে পারছে না।
তবে ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন অনেক যাত্রী। খুলনাগামী যাত্রী শহিদুল বলেন, ‘আগে ভাড়া ছিল ৬৫০ টাকা, এখন ৯০০ টাকা নিচ্ছে। ২৫০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে, যা সন্তোষজনক নয়। তবে ভাড়া বেশি হওয়ায় টিকিট পেতে সমস্যা হয়নি।’
বেসরকারি চাকরিজীবী মাহমুদ হাসান বলেন, ‘অফিস থেকে আগেভাগেই ছুটি পেয়েছি, তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে আগে থেকেই বাড়ির পথে রওনা দিয়েছি। ভিড় কম থাকায় যাত্রাটা কিছুটা স্বস্তির মনে হচ্ছে, তবে ভাড়া বেশি হওয়ায় খরচ বেড়ে গেছে।’
জীবিকার প্রয়োজনে পরিবার থেকে দূরে থাকা মানুষগুলো ঈদ ঘনিয়ে এলেই ছুটে চলেন নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির পথে।
পরিবার নিয়ে বাগেরহাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন আরেক চাকরিজীবী সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ভিড় কম থাকার কারণে আগেভাগেই পরিবার নিয়ে বাড়িতে চলে যাচ্ছি। কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধি হওয়ার কারণে আমাদের মতো সাধারণ যাত্রীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।’
আরেক যাত্রী রোকসানা বেগম বলেন, ‘শিশুদের নিয়ে ভ্রমণ করা সব সময় কষ্টকর। তাই ভিড় বাড়ার আগেই বাড়ি ফিরছি। এখন যাত্রা কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও ভাড়া বেশি হওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে।’
ফরিদপুরগামী এক নারী যাত্রী জানান, ‘ঈদ মানেই পরিবারের সঙ্গে থাকা। সেই আনন্দের জন্য আগে থেকেই রওনা দিয়েছি। তবে নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিত করা হলে যাত্রীদের কষ্ট অনেকটা কমে যেত।’
জীবিকার প্রয়োজনে পরিবার থেকে দূরে থাকা মানুষগুলো ঈদ ঘনিয়ে এলেই ছুটে চলেন নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির পথে।
অন্যদিকে পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাড়তি খরচের কারণে ভাড়া কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী অস্থায়ী বাসস্ট্যান্ডের আপন পরিবহনের কর্মকর্তা বেনুচ বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত ৩৭৫ টাকা ভাড়ার সঙ্গে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। খালি গাড়ি ফেরত আসার কারণে প্রতি ট্রিপে প্রায় ৬০০ টাকা লোকসান হচ্ছে। এখনো যাত্রীর চাপ কম, তবে সামনে বাড়বে বলে আশা করছি।’
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের এনপি পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক পাটোয়ারী বলেন, ‘যাত্রীর চাপ এখনো নেই, আমাদের হাতে পর্যাপ্ত খালি সিট রয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাত্র দুটি গাড়ি পর্যাপ্ত যাত্রী ছাড়া ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়েছে। তেলের সংকট বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক গাড়ি বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা করছে।’
জীবিকার প্রয়োজনে পরিবার থেকে দূরে থাকা মানুষগুলো ঈদ ঘনিয়ে এলেই ছুটে চলেন নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির পথে।
সায়েদাবাদ আন্তজেলা বাস টার্মিনাল শ্রমিক কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘সকালে যাত্রীর চাপ কিছুটা বেশি ছিল। ইতিমধ্যে হাজারের বেশি গাড়ি ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। কেউ নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর রাখতে আমরা কাজ করছি।’
সব মিলিয়ে ঈদযাত্রার শুরুতে স্বস্তির চিত্র থাকলেও ভাড়া বৃদ্ধি ও জ্বালানি সংকট নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীর চাপ বাড়বে এবং তখনই প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই চাপ আরও বেড়েছে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে ফিরতে হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন যাত্রীরা।
সরেজমিনে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলগামী লেনে দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের ব্যাপক চাপ রয়েছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা প্রায় সব পরিবহনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। লোকাল পরিবহনেও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি যাত্রী বহন করা হচ্ছে।
ঢাকার গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ী থেকে মাদারীপুর জেলার শিবচরের বিভিন্ন স্টপেজে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়েই ফিরতে হচ্ছে বলে যাত্রীরা জানান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার থেকেই ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় ভোর থেকে বাড়ি ফেরার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকা থেকে শিবচর ও ভাঙ্গা পর্যন্ত যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
ঢাকা থেকে শিবচরের পাচ্চর পর্যন্ত লোকাল বাসে স্বাভাবিক ভাড়া ১৭০ টাকা হলেও বর্তমানে যাত্রীদের ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরাই বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীদের ভাঙ্গা পর্যন্ত ভাড়া দিয়েই মাঝপথে নামতে হচ্ছে।
ঢাকা থেকে আসা যাত্রী মো. ইয়াসিন বলেন, ‘ঈদের সময় ভাড়া বেশি নেওয়া হয়। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে হয়েছে। ভিড়ও অনেক বেশি। ঢাকা থেকে শিবচর পর্যন্ত ৪০০ টাকা নিচ্ছে।’
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা প্রায় সব পরিবহনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।
আরেক যাত্রী ফারজানা আক্তার বলেন, ‘ঈদে বাড়ি ফেরা এখন একধরনের চ্যালেঞ্জ। পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রা সহজ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ভাড়া অনেক বেশি নেওয়া হচ্ছে। ভিড়ের কারণে দর-কষাকষিরও সুযোগ নেই।’
পাচ্চর গোলচত্বরসহ একাধিক স্টপেজে ঢাকামুখী যাত্রীদের তুলনায় দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের ভিড় বেশি দেখা গেছে। বাস থেকে নেমে অনেকেই থ্রি-হুইলারে করে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। অন্যদিকে ঢাকাগামী লেনে যানবাহন তুলনামূলক ফাঁকা দেখা গেছে।
শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ও দুর্ঘটনা এড়াতে হাইওয়ে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে এবং যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। এতে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে বেড়েছে লঞ্চশ্রমিক ও কুলি-মজুরদের ব্যস্ততা। পুরোনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। পদ্মা সেতু হওয়ার পর থেকে ঈদ ছাড়া যেন প্রাণহীন থাকে সদরঘাট। ঈদ উপলক্ষে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই ঘরমুখো মানুষের ভিড়ে সরগরম পুরো এলাকা। কেউ কাঁধে ব্যাগ, কেউ পরিবারের হাত ধরে ছুটছেন লঞ্চের দিকে। দীর্ঘদিনের নিস্তব্ধতা ভেঙে যেন আবার চেনা ছন্দে ফিরেছে সদরঘাট।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্র জানায়, আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। দিনশেষে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৭৫ ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লঞ্চ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল রুটে ডেক ভাড়া ৩০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২ হাজার ৪০০ টাকা। ভিআইপি কেবিনের ভাড়া ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-মুলাদি ও ভাসানচর রুটে ডেক ভাড়া ৪০০ টাকা এবং কেবিন ভাড়া ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। চাঁদপুর রুটে ডেক ভাড়া ২০০ টাকা এবং কেবিন ভাড়া ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
সুন্দরবন-১৬ লঞ্চের ম্যানেজার মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদকে ঘিরে সদরঘাটের চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ ছিল, এখন সেখানে যাত্রীদের ভিড় সামলাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া বা যাত্রী হয়রানি এমন ঘটনা যেন না ঘটে তা নিয়ে কড়া নির্দেশনা আছে। আমরা চেষ্টা করছি, যাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন। বিশেষ করে পরিবার নিয়ে যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য বাড়তি সতর্কতা রাখা হচ্ছে।’
ঈদযাত্রাকে সামনে রেখে পুরোনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল।
ফারহান-৭ লঞ্চের ম্যানেজার হাজী মো. ফারুক হাসান বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর পর স্বাভাবিক সময়ে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে এটা সত্যি। তবে ঈদের সময় এলে সেই পুরোনো চাপ আবার ফিরে আসে। এখন থেকেই যাত্রী বাড়ছে, ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত চাপ অনেক বেশি হবে। আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়।’
তাসরিফ-৩ লঞ্চের কর্মী ইবাদত বলেন, ‘সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটানা কাজ করতে হচ্ছে। যাত্রী ওঠানো-নামানো থেকে শুরু করে মালপত্র ঠিক রাখা সব মিলিয়ে কাজের চাপ অনেক বেড়ে গেছে। তবে ঈদের সময় এমন ব্যস্ততা থাকবেই, এটাকে আমরা স্বাভাবিকভাবেই নেই।’
যাত্রীরা বলছেন, আগের তুলনায় এবার তুলনামূলক কম খরচে বাড়ি ফেরা যাচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কোনো অভিযোগ চোখে পড়েনি। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
চাঁদপুরগামী যাত্রী অঙ্কন বলেন, ‘বছরের এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করি। যত কষ্টই হোক, ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারার অনুভূতিটা অন্যরকম। ভাড়া বেশি নেওয়ার চিত্র আমাদের চোখে পড়ছে না এটা ভালো লাগছে। ভিড় একটু বেশি হলেও সবাই কোনোভাবে বাড়ি পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।’
বরিশালগামী যাত্রী রেহানা বেগম বলেন, ‘আগেই টিকিট কেটে রেখেছিলাম, কারণ শেষ মুহূর্তে টিকিট পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। ভিড় অনেক, তবুও একটা স্বস্তি আছে পরিবারের কাছে ফিরতে পারছি। ছোট বাচ্চা নিয়ে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে, তবে ঈদের আনন্দের কাছে তা কিছুই না।’
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. মুবারক হোসেন বলেন, ‘সদরঘাটে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী না ওঠানোর জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। কেবিনের টিকিট নিয়ে যেন কোনো কালোবাজারি না হয়, সেদিকেও কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে।’