শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

বাংলাদেশের কৌশলগত স্বার্থ ও আঞ্চলিক শক্তির রাজনীতি: একটি পুনর্মূল্যায়ন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:০০ পিএম | 157 বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের কৌশলগত স্বার্থ ও আঞ্চলিক শক্তির রাজনীতি: একটি পুনর্মূল্যায়ন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক শক্তি-রাজনীতির প্রভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিশেষত ভারতের সঙ্গে অসম শক্তি-সম্পর্ক (asymmetric power relations) বাংলাদেশের কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হিসেবে কাজ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক প্রকল্প থেকে সরে আসার উদ্যোগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ পুনর্মূল্যায়নের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ভারত কর্তৃক প্রস্তাবিত এবং পূর্ববর্তী সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একাধিক রেল, সড়ক, বন্দর ও জ্বালানি প্রকল্প বাহ্যিকভাবে ‘আঞ্চলিক সংযোগ’ ও ‘উন্নয়ন সহযোগিতা’র ভাষ্যে উপস্থাপিত হলেও, রাজনৈতিক অর্থনীতির দৃষ্টিতে এসব প্রকল্প ভারতের ভূ-কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত ছিল। ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ, আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর কিংবা অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ প্রকল্প ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ সহজ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের জন্য এসব প্রকল্পে কৌশলগত লাভ ছিল সীমিত। বরং এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে কার্যত একটি ট্রানজিট করিডরে রূপান্তর করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছিল।
চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তিগুলো দক্ষিণ এশীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও বঙ্গোপসাগরের ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে সংবেদনশীল। এসব বন্দরের মাধ্যমে ভারতের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়ার সম্ভাবনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে যৌক্তিক উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্ব অনুযায়ী, ছোট রাষ্ট্রসমূহ যখন বৃহৎ শক্তির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের মাধ্যম হয়ে ওঠে, তখন তাদের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন (strategic autonomy) গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জ্বালানি খাতে প্রস্তাবিত পাইপলাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পও অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার একটি কাঠামো তৈরি করার ঝুঁকি বহন করছিল। একক উৎসনির্ভর জ্বালানি সরবরাহ বাজার প্রতিযোগিতা হ্রাস করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তা ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে। এখানে বাংলাদেশের বিকল্প আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট একটি রাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তোলে।
পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিশেষত ফেনী নদী ও ফারাক্কা বাঁধ সংক্রান্ত ইস্যু, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি দীর্ঘস্থায়ী ও স্পর্শকাতর অধ্যায়। উজানের একতরফা পানি ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও খরার চক্র তীব্রতর হয়েছে—যা পরিবেশগত ন্যায়বিচার (environmental justice) এবং আন্তর্জাতিক নদী আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে গভীর পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।
এই প্রেক্ষাপটে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এসব প্রকল্প পুনর্মূল্যায়ন এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাহারের উদ্যোগকে কেবল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং একটি কৌশলগত পুনর্নির্ধারণ (strategic recalibration) হিসেবে দেখা যেতে পারে। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি তুলনামূলকভাবে আত্মবিশ্বাসী অবস্থান নির্দেশ করে, যেখানে জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, কৌশলগত স্বাধীনতা এবং বহুমুখী বৈদেশিক সম্পর্ক (multi-aligned diplomacy) গঠনের পথে সহায়ক হতে পারে। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব কেবল উন্নয়ন সূচক বাড়ানো নয়, বরং এমন উন্নয়ন নিশ্চিত করা যা নিরাপত্তা, মর্যাদা ও আত্মনির্ভরতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অতএব, সাম্প্রতিক এই অবস্থানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাঁকগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে উন্নয়ন কখনোই সার্বভৌমত্বের বিকল্প হতে পারে না এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আপসের মূল্য শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকেই পরিশোধ করতে হয়।

ময়মনসিংহে ১,৫১০ পিস ইয়াবাসহ ১ নারী মাদক কারবারী গ্রেফতার

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ময়মনসিংহে ১,৫১০ পিস ইয়াবাসহ ১ নারী মাদক কারবারী গ্রেফতার

 

 

ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, ময়মনসিংহ এঁর মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে ১৫১০পিস ইয়াবাসহ ১নারী মাদককারবারি কে গ্রেফতার করা হয়।
ময়মনসিংহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ কাওসারুল হাসান রনি স নেত্তৃতে আজ ১৩ মার্চ শুক্রবার কোতোয়ালি মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ সবজিপাড়া এলাকায় ময়মনসিংহ টু হালুয়াঘাট মহাসড়কের উপর মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে- সুমাইয়া মনি (১৯), পিতামৃত- রুহুল আমিন, মাতা- লুৎফুন নাহার , সাং- রঘুনাথপুর (ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অফিসের দক্ষিণ পাশে), ওয়ার্ড নং- ০৮ হালুয়াঘাট পৌরসভা, থানা- হালুয়াঘাট, জেলা- ময়মনসিংহকে ১,৫১০(এক হাজার পাঁচশত দশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়।
এই ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে আসামীর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

লালমনিরহাট বাসীকে আগাম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারুণ্যের আইকন ছাদেকুল হক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ এএম
লালমনিরহাট বাসীকে আগাম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারুণ্যের আইকন ছাদেকুল হক

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৫ নং হারাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী ছাদেকুল হক পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইউনিয়নবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। তিনি এক বার্তায় বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা নিয়ে আসে। ঈদের এই আনন্দ যেন সকলের জীবনে শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনে—এ কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সকলকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান

মোঃ শাহ্ আলম সরকার

কালিয়াকৈর উপজেলায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ শাহ্ আলম সরকার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
কালিয়াকৈর উপজেলায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলায় সফিপুর আন্দার মানিক পশ্চিম পাড়া আব্দুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুল এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মোঃ শামসুদ্দিন শাহীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে আলোচনা করেন। মাওলানা জাকির হোসাইন সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন মুনাফিকের বিষয় নিয়ে,,মোনাফেক কত প্রকার ও কি কি,,মুনাফেক চার প্রকার। তাদের লক্ষণ
(১) মিথ্যা কথা বলে।
(২)ওয়াদা দিয়ে ওয়াদা বরখেলাপ করে।
(৩)অল্পতে রেগে যায়।
(৪)আমানত খেয়ানতকারী।
এই বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।

(৫)নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল মালেক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা সামাজিক দায়বদ্ধতার উপর অবিচল থেকে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। এ সময় (৫) নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন এবং তার আলোচনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
সফিপুর সমবায় সমিতির মেম্বার মোঃ ফজলুল হক মৃর্ধা উপস্থিত ছিলেন।

১০০ থেকে ১৩০ জনের মত উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জনাব মোঃ ইব্রাহিম বায়তুলমাল এর সম্পাদক।

এর পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহ সহ আক্রান্ত ইরান ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল মান্নান সাহেব।

error: Content is protected !!