শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

আব্দুল্লাহ আল মুক্তাদির বাঁধন স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল বাংলাদেশ টিভি

তারেক রহমান এর বাংলাদেশে আসা কেউ রুখতে পারবেনা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:০২ পিএম | 118 বার পড়া হয়েছে
তারেক রহমান এর বাংলাদেশে আসা কেউ রুখতে পারবেনা

ওয়ান ইলেভেন এর সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে অমানবিক নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে সে সময়ের সরকার। এরপর তার দুইভাই দেশেল বািহর যান চিকিৎসা নিতে। এই যাওয়ার সে সময়ের আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা একটি কাগজে স্বাক্ষল নিয়ে তাদের বিদেশে যেতে দেয়। তারেক জিয়া লন্ডনে এবং আরাফাত রহমান কোকো অন্য দেশে চলে যান। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন আরাফাত রহমান কোকো ইন্তেকাল করেন। কিন্তু এখনো তারেক রহমান লন্ডনে আছেন। বর্তমানে তাঁর দেশে ফেরা নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশে এবং বিদেশে এই ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্রই তারুন্যের অহংকার, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে বাধা দিতে পারবেনা। কেউ এটা চেষ্টা করলে বিএনপি উপযুক্ত জবাব দেবে বলে সোমবার বিকেলে মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়নের মতিহার প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ৪ও৫নং ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে কর্মী সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন।তিনি বলেন, দুই একদিনের মধ্যেই নির্বাচনী তপশিল ঘোষনা হবে। এই নির্বাচনে কিভাবে কাজ করবেন। কেন্দ্র কিভাবে পাহাড়া দেবেন এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করতে পারে সে বিষয়ে করণীয় বিষয় নিয়ে এই কর্র্মী সভা অনুষ্ঠিত হলো। সব কিছুই চলছে। কিন্তু মনের মধ্যে একটা অশান্তি রয়েই গেছে। কারণ গণতন্ত্রের মানসকন্যা, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ। তবে বর্তমানে দেশ-বিদেশের মানুষের দোয়ায় তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি তথা দেশবাসীর মনে স্বস্তি নাই বলে উল্লেখ করেন তিনি। মিলন আরো বলেন, দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মানুষের দোয়ায় তিনি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। শত্রুও তাঁর জন্য দোয়া করছেন। প্রতিটি ঘরে ঘরে মা-বোনেরা নামাজ আদায় করে দোয়া করছেন। সরকারী ভাবে গত শুক্রবারে দেশের প্রতিটি মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। সেইসাথে অন্য ধর্মের জনগণ তাদের সুবিধামত প্রার্থনা করেছেন বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিজে বলেছেন দেশের এই ক্রান্তিকালে গণতন্দ্রের মানষকন্যার সুস্থ হওয়াটা জরুরী। এছাড়া বিএনপির চিরশত্রু আওয়ামীলীগ সমর্থিত রাষ্ট্রপতিও তিনি একই কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করেন মিলন। তিনি বলেন, এই দেশের জন্য বেগম জিয়ার মত ত্যাগ আর কেউ করেনি। তিনি অল্প বয়সে স্বামী হারিয়েছেন। হারিয়েছেন আদরের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে। তিনি টানা নয় বছর আন্দোলন করে স্বৈরাচার হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে অপসারণ করেছিলেন। গণতন্ত্রের জন্য এখনো তিনি আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তিনি দেশবাসীর জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এ সকল ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে তিনি এখন বিশ্ব নেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। তিনি বলেন। মিলন বলেন, বেগম জিয়া শুধু নারী জাগরনের নেত্রী নন, তিনি সবার জন্য কাজ করেছেন। তিনি বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। এছাড়াও নারী শিক্ষা অবৈতনিক করে নারীদের এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। নারীরা এখন সর্বক্ষেত্রে চাকরী ও ব্যবসা বাণিজ্য করছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও তিনি আলেম- ওলামাদের অত্যন্ত ভাল বাসতেন। পতিত সরকারের আমলে আলেমদের উপরে নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। সেইসাথে তাদের উপরে জঙ্গি তকমা লাগানোরও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছিলেন। এজন্য আলেম সমাজ তাঁর এই সময়ে সবাই দোয়া করছেন। তারাও বেগম জিয়ার জন্য চোখের পানি ফেলছেন। তিনি বলেন, ধানের শীষ হচ্ছে বেগম জিয়া, তারেক রহমান ও পুরো দেশবাসীর প্রতিক। এই প্রতিকের মূল্যায়ন করতে হবে। ঘরে ঘরে ধানের শীষের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। মোনাফেকদের থেকে জনগণকে দূরে থাকতে হবে। কারণ এই মোনাফেকরা ইসলামের দোহাই দিয়ে বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। অথচ তারা এখন জামায়াতে ইসলামী অমুসলিম শাখা করেছে বলে জানান তিনি। শুধু তাইনয় জামায়াত খুলনায়-১ আসনে কৃষ্ণ নন্দী নামে একজন হিন্দুকে নমুনেশন দিয়েছে। ইসলামী দল বলে দাবীদার কোন দল এমন ন্যাক্কার ঘটনা করতে পারেনা বলে জানান তিনি। তারা ইসলামের অবমাননা করেছে। এ থেকে স্পষ্ট জামায়াতে ইসলামী, কোনভাবে ইসলামী দল বলে দাবী করতে পারেনা। তারা চায় ক্ষমতা। এই দেশদোহী ও মোনাফেকী দল থেকে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। বেগম জিয়া এখন ভিভিআইপি মর্যাদা পাচ্ছেন এবং এসএসএফ সুরক্ষার আওতায় এসেছেন। যারা অতীতে বেগম জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি ও নির্যাতন করেছিল, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আজ তারা নীরব এবং বেগম জিয়া নতুন মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বক্তব্য শেষে বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকোসহ দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। জাহানাবাদ ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওরঙ্গজেব ভুট্টুর সভাপতিত্বে এবং ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম সরদার এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিমুল ইসলাম মুন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক-১ বাচ্চু রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক-২ শাহিন আক্তার শামসুজ্জোহা, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলো ও মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন।
আরো উপস্থিত ছিলেন জাহানাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমান শাহ, সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দীন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদারসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ ওসহযোগি সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

তালাত মাহামুদ, বিশেষ প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০১ এএম
নরসিংদীর মনোহরদীতে মাদকসহ নারী আটক, পলাতক স্বামী

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহিনুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই শাহিনুর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শেখের বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে তথ্যের ভিত্তিতে বড়চাঁপা ইউনিয়নের চন্ডীতলা গ্রামের জুয়েল রানার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল রানা (৩৫) পালিয়ে যায়।
পরে তার স্ত্রী অপু (৩০)-কে আটক করা হয়। নারী পুলিশের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে তার দেহ থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটককৃত নারী ও তার পলাতক স্বামী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মনোহরদী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক অপুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং পলাতক জুয়েল রানাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

মোঃ সুজন বেপারী

মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মোঃ সুজন বেপারী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ এএম
মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ওস্তাদ মোতালেব পাটোয়ারী সুপরিচিত মিরকাদিম পৌর রিকাবী বাজার মিনি স্টেডিয়াম মাঠ কমিটি গঠনে দায়িত্ব পদে আগামী সংশ্লিষ্ট বার্তা জানিয়েছেন মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ।

মিরকাদিম পৌর সোনালী অতীত এর সাংগঠনিক-সম্পাদক নতুন মিনি স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে জনাব মোঃ আরিফ হিলালী সবুজ বলেন, সারাবাংলাদেশে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প নিয়েছে এটা একটা উল্লেখযোগ্য কারণ আমাদের জাতি কে ও সমাজ কে যারা উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছে আমাদের তরুণ সমাজ উপকৃত হবে, রাষ্ট্রীয় উপকৃত হবে, তবে আমি আশাবাদী এজন্যই আল্লাহ্ রহমতে খেলাধুলা তরুণদের লক্ষ্য এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম এর ক্রিকেট ও মাঠ পরিচালক ও জেলা সহ-সভাপতি ক্রিকেট এসোসিয়েশন ক্রীড়া মোঃ রনি খাঁন বলেন, ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে মাঠে চল, আমরা শুধু ভালো ক্রিকেটার তৈরি করতে চাই না, আমরা ভালো মানুষও তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশে আমরা ক্রিকেটের মাধ্যমে ভালো তরুণ খেলোয়াড় খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দেওয়া প্রজন্মেদের গড়ে তুলতে চাই।

রনি খাঁন কথাতেই বোঝা যায়, তিনি ক্রিকেটকে জাতীয় আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখেন। তার ভাবনায় মিরকাদিম স্টেডিয়াম ক্রিকেট শুধু মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আচরণ ও মূল্যবোধ দিয়েও নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করবে। বলেন, ‘ক্রিকেট আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ঐক্যের জায়গা। এখান থেকেই আমরা শিখতে পারি পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা, দেশপ্রেম। এই গুণগুলোই আমাদের ভালো তরুন প্রজন্মেদের হতে সাহায্য করবে।’

মিরকাদিম পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠের ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার নিজেরই সঁপ্ন ছিলো অনেক বড় পিলিয়ার হওয়া যেটা আমি যখন দেখেছি যে একটা সময় ভালো জায়গায় পোঁছাতে পারিনি তো সেটা আমার নিজেরই ব্যার্থতা।

ফুটবল এর কোচ তিনি আরও বলেন, তবে আমরা আপনারা মাধ্যমে সবাইর কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যদি অনেকেই বলে যে মাদক ছেরে মাঠে আয় আসলে এটা সবাইর মুখেমুখেই বাস্তবে সেটা হয়না। বাস্তবে অনেক ছেলেবেলেরা দেখি এন্ড্রয়েড বড় বড় মোবাইল নিয়ে বসে থাকে এবং গেমস খেলে যদি বলি মাঠে আসতে তো আমি অনেক চেষ্টা করি সবাইকে মাঠে আনার জন্য নিজেকে ফুটবল বা ক্রিকেট একটা খেলার সাথে সম্পৃক্ত রাখার জন্য যাতে ফুটবল বা ক্রিকেট খেললে মনমানসিকতা এবং শারীরিক সুস্থ্যতা অনেক ভালো থাকে।

মিরকাদিম মিনি স্টেডিয়াম মাঠের দায়িত্ব পদে ক্রিকেট পরিচালক রনি খাঁন ও ফুটবল কোচ এর পরিচালক মোহাম্মদ মোজ্জামেল হোসেন বলেন, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখেন, আমরা পৌর মিনি স্টেডিয়াম মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের এমন উচ্চতায় নিয়ে যাব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ফুটবল নিয়ে গর্ব করতে পারি মিরকাদিম পৌরবাসী ইনশাআল্লাহ্।

error: Content is protected !!