মোঃ আব্দুল আজিজ ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
ভাঙ্গুড়ায় খোলা বাজারে ন্যায্য মূল্যে কৃষকদের মাঝে সার বিক্রি
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারীর উপস্থিতি সরকারের নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে সার বিক্রি করে যাচ্ছেন ডিলার মেসার্স রহমান ট্রেডার্স।
ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ৭ই নভেম্বর শুক্রবার বেলা ৩টায় পৌর সভার বিসিআইসি (ডিলার) মেসার্স রহমান ট্রেডার্সের গোডাউনে পৌরসভার ৯০/১০০ জন কৃষক সার কিনতে আসে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্রী রঞ্জিত কুমার বর্মনের উপস্থিতিতে সরকার নির্ধারিত মূল্য তালিকা সাইনবোর্ড দিয়ে সরকারি মূল্যে স্যার বিক্রি করছেন ডিলারের মালিক রিজিয়া বেগম বর্তমানে পরিচালনা করছেন তার ছেলে মোঃ রফিকুল হাসান রিপন। সরকারি মূল্য ইউরিয়া ২৭ টাকা, টিএসপি ২৭ টাকা, ডিএপি ২১ টাকা ও এমওপি ২০ টাকা কেজি দরে সার বিক্রি করছেন।
সার কিনতে আসা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কৃষক উজ্জল,জাকির,ওয়াজেদ,আমিরুল,রমজান,বুলবুল,রফিকুল,কুদ্দুস,রশিদ,শিল্পী,ইমরান,ফিরোজা,আছমাসহ আরো অনেকেই বলেন,চলতি আমনের ভরা মৌসুমে ইউরিয়া, টিএসপি,এমওপি ও ডিএপি সার আমাদের উপজেলায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে চরা মূল্যে সার বিক্রি করায় আমরা হিমশিমে পরে যাই। কিন্তু কৃষি অফিস ও আমাদের রাজনৈতিক নেতারাও এখন সহযোগিতা করছেন এবং কৃষি অফিসের স্যারেরা এখন উপস্থিত থাকেন ডিলারের দোকানে তাই সরকারি মূল্যে সার কিনতে পারছি আমরা। এসময় কৃষকরা ধন্যবাদ দিয়ে বলেন কৃষি অফিস ও রাজনৈতিক নেতারা যে ভাবে খোঁজ খবর নিচ্ছেন এভাবে নিলে আমরা সঠিক মূল্যে সঠিক সময়ে আমরা আমাদের প্রয়োজন মাফিক সার কিনতে পারবো। তারা আরো বলেন এবার ১৫/২০ আগে বর্ষার পানি চলে যাওয়ায় ডিএপি স্যারের চাহিদা বেড়েছে।
ভাঙ্গুড়া পৌরসভার বিসিআইসি ডিলার মেসার্স রহমান ট্রেডার্সের মালিক রিজিয়া বেগমের ডিলার পরিচালনা করছেন তার ছেলে মোঃ রফিকুল হাসান রিপন তিনি বলেন,আমরা যখন থেকে সার পেয়েছি তখন থেকেই সরকারের দেওয়া নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করে যাচ্ছি। এখানে কোনো কৃষক সার না পেয়ে ঘুরে যায়নি। তবে বরাদ্দ কম থাকায় আজ শুক্রবার ২০/২৫ জন কৃষককে ডিএপি স্যার দিতে পারে নাই। আমাদের গোডাউনে যতক্ষণ সার থাকে ততক্ষণ আমরা সার বিক্রি করি আর আমাদের সব সময় গোডাউন খোলাও থাকে।
এসময় গোডাউনে উপস্থিত ছিলেন,ভাঙ্গুড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শ্রী রঞ্জিত কুমার বর্মন। তিনি পৌর সভার দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বলেন পৌরসভাসহ বিসিআইসি মোট ৭ জন ও উপজেলায় বিএডিসি ১৩ জন ডিলার রয়েছে।তিনি বলেন কৃষকরা যেন সরকারি নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে সার কিনতে পারে সেটি নিশ্চিত করার জন্য আমরা একেক দিন একেক ডিলারের গোডাউনে উপস্থিত থাকবো। ঔসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্বাস আলী সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাবলুর রহমান,গণঅধিকার পরিষদের ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম দুলাল,বিএনপি নেতা রেজাউল করিম।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শ্রী রঞ্জিত কুমার বর্মন জানান এ বছর উপজেলায় সড়িষা,মসুর,খেসারী,গম, ঝব,ভুট্টা,আলু,পেঁয়াজ,রসুন, খালজিরা,ধুনিয়া, মটর, শীতকালীন শাকসবজি,বরো,রোপা আমন, বোনা আমন ২০৫১৩ হেক্টর জমিতে রোপনের লক্ষমাত্র রয়েছে।








